Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেলেন রকসংগীতের কিংবদন্তি তারকা ওজি ওসবার্ন

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • ৩৭১ জন দেখেছেন

বিনোদন ডেস্ক : 

রকসংগীতের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও স্বীকৃত তারকাদের একজন ওজি ওসবার্ন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

ওজির মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে তার পরিবার।

এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের প্রিয় ওজি ওসবার্ন আজ (মঙ্গলবার) সকালে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। মৃত্যুর সময় তার পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তিনি ছিলেন ভালোবাসায় ঘেরা। আমাদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মুহূর্তে প্রাইভেসি রক্ষা করার অনুরোধ করছি।

তবে এ বিবৃতিতে ওসবার্নের মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। গত কয়েক বছর ধরে ওজি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০১৯ সালে ওসবার্নের পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে।

১৯৪৮ সালের ৩ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন ওজি। তার আসল নাম জন মাইকেল ওসবার্ন। ১৫ বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে নানা অস্থায়ী কাজ করেছেন তিনি। এমনকি চুরি করেও কিছুদিন জেলে ছিলেন। তারপর ঝুঁকে পড়েন সংগীতের দিকে।

ষাটের দশকের শেষ দিকে গিটারিস্ট টনি ইয়োমি, বেসিস্ট গিজার বাটলার ও ড্রামার বিল ওয়ার্ডের সঙ্গে ওসবার্ন গড়ে তোলেন ব্যান্ড ব্ল্যাক সাবাথ। ব্লুজঘেঁষা অথচ ভারী, ধীর ও গা ছমছমে সংগীতে উঠে আসে অতিপ্রাকৃত ইঙ্গিত, শুরু হয় হেভি মেটালের পথচলা। ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় ব্যান্ডটির ব্ল্যাক সাবাথ। এরপর একে একে আসে ‘প্যারানয়েড’, ‘মাস্টার অব রিয়েলিটি’-এর মতো বহু প্ল্যাটিনাম হিট।

১৯৭৮ সালে ব্যান্ড থেকে বাদ দেওয়া হলে ওসবার্ন একক ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৮০ সালে মুক্তি পায় ‘ব্লিজার্ড অব অজ’ নামে অ্যালবাম। এই অ্যালবামে ছিল বিখ্যাত গান ‘ক্রেজি ট্রেইন’। পরের বছর আসে ‘ডায়েরি অব আ ম্যাডম্যান’। বিক্রি হয় ৫০ লাখ কপির বেশি।

আবহাওয়া

মারা গেলেন রকসংগীতের কিংবদন্তি তারকা ওজি ওসবার্ন

প্রকাশের সময় : ০৩:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক : 

রকসংগীতের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও স্বীকৃত তারকাদের একজন ওজি ওসবার্ন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

ওজির মৃত্যুর খবর জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছে তার পরিবার।

এ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের প্রিয় ওজি ওসবার্ন আজ (মঙ্গলবার) সকালে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। মৃত্যুর সময় তার পাশে ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তিনি ছিলেন ভালোবাসায় ঘেরা। আমাদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মুহূর্তে প্রাইভেসি রক্ষা করার অনুরোধ করছি।

তবে এ বিবৃতিতে ওসবার্নের মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। গত কয়েক বছর ধরে ওজি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০১৯ সালে ওসবার্নের পারকিনসন রোগ ধরা পড়ে।

১৯৪৮ সালের ৩ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন ওজি। তার আসল নাম জন মাইকেল ওসবার্ন। ১৫ বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে নানা অস্থায়ী কাজ করেছেন তিনি। এমনকি চুরি করেও কিছুদিন জেলে ছিলেন। তারপর ঝুঁকে পড়েন সংগীতের দিকে।

ষাটের দশকের শেষ দিকে গিটারিস্ট টনি ইয়োমি, বেসিস্ট গিজার বাটলার ও ড্রামার বিল ওয়ার্ডের সঙ্গে ওসবার্ন গড়ে তোলেন ব্যান্ড ব্ল্যাক সাবাথ। ব্লুজঘেঁষা অথচ ভারী, ধীর ও গা ছমছমে সংগীতে উঠে আসে অতিপ্রাকৃত ইঙ্গিত, শুরু হয় হেভি মেটালের পথচলা। ১৯৭০ সালে মুক্তি পায় ব্যান্ডটির ব্ল্যাক সাবাথ। এরপর একে একে আসে ‘প্যারানয়েড’, ‘মাস্টার অব রিয়েলিটি’-এর মতো বহু প্ল্যাটিনাম হিট।

১৯৭৮ সালে ব্যান্ড থেকে বাদ দেওয়া হলে ওসবার্ন একক ক্যারিয়ার শুরু করেন। ১৯৮০ সালে মুক্তি পায় ‘ব্লিজার্ড অব অজ’ নামে অ্যালবাম। এই অ্যালবামে ছিল বিখ্যাত গান ‘ক্রেজি ট্রেইন’। পরের বছর আসে ‘ডায়েরি অব আ ম্যাডম্যান’। বিক্রি হয় ৫০ লাখ কপির বেশি।