Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাইকার সহযোগিতা অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ : সেতুমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের যোগাযোগব্যবস্থাকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে জাইকার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের যোগাযোগ খাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাইকার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

এ সময় জাইকা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দেয় প্রতিনিধিদল।

এদিন সচিবালয়ে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।

ঢাকায় মেট্রোরেল প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে মেগা প্রকল্পের অংশীদার জাইকা। তবে এর নির্মাণ ব্যয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম না।

মেট্রোরেলের উত্তরা-মতিঝিল (এমআরটি লাইন-৬) অংশ বাস্তবায়নের পর এখন নতুন দুটি পথ বাস্তবায়নের আলোচনা চলছে।

কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১, আর অপর পথটি হবে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)।

উড়াল ও কিছু অংশ পাতাল মিলে প্রথম পথটি হবে ৩১ কিলোমিটারের বেশি এবং একইভাবে দ্বিতীয় পথটির দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটারের মতো।

এ দুই প্রকল্প বাস্তবায়নেও যুক্ত রয়েছে জাইকা এবং এক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে যে খরচ বেধে দেওয়া হয়েছে তা বর্তমান চালু হওয়া পথের প্রতি কিলোমিটার ব্যয়ের দ্বিগুণ বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে।

এ দুটি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও জাইকা এমনভাবে শর্ত জুড়ে রাখার আলোচনা রয়েছে, যাতে ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমে গেছে এবং ব্যয় অত্যন্ত বেড়ে গেছে।

এসব আমলে নিয়ে বিপুল ব্যয়ের এ দুটি প্রকল্প চালুর ক্ষেত্রে সায় দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার; এখন বিএনপি সরকারের উপর বর্তেছে এর অনুমোদনের ভার।
এর মধ্যেই সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করল জাইকার প্রতিনিধিদল।

বৈঠকে বাংলাদেশের সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সড়ক পরিবহনন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, দেশের যোগাযোগ খাতকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাইকার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন।

এসময় জাইকা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দেয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।

আবহাওয়া

বিএনপি শুধু ধনী মানুষের জন্য রাজনীতি করে না, গ্রামীণ মানুষের জন্যও করে : ড. মঈন খান

জাইকার সহযোগিতা অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ : সেতুমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দেশের যোগাযোগব্যবস্থাকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে জাইকার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের যোগাযোগ খাতকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য অর্জনে জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শেখ রবিউল আলম বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাইকার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

এ সময় জাইকা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দেয় প্রতিনিধিদল।

এদিন সচিবালয়ে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।

ঢাকায় মেট্রোরেল প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে মেগা প্রকল্পের অংশীদার জাইকা। তবে এর নির্মাণ ব্যয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও কম না।

মেট্রোরেলের উত্তরা-মতিঝিল (এমআরটি লাইন-৬) অংশ বাস্তবায়নের পর এখন নতুন দুটি পথ বাস্তবায়নের আলোচনা চলছে।

কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত এমআরটি লাইন-১, আর অপর পথটি হবে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর)।

উড়াল ও কিছু অংশ পাতাল মিলে প্রথম পথটি হবে ৩১ কিলোমিটারের বেশি এবং একইভাবে দ্বিতীয় পথটির দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটারের মতো।

এ দুই প্রকল্প বাস্তবায়নেও যুক্ত রয়েছে জাইকা এবং এক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে যে খরচ বেধে দেওয়া হয়েছে তা বর্তমান চালু হওয়া পথের প্রতি কিলোমিটার ব্যয়ের দ্বিগুণ বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর এসেছে।

এ দুটি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও জাইকা এমনভাবে শর্ত জুড়ে রাখার আলোচনা রয়েছে, যাতে ঠিকাদার নিয়োগে প্রতিযোগিতা কমে গেছে এবং ব্যয় অত্যন্ত বেড়ে গেছে।

এসব আমলে নিয়ে বিপুল ব্যয়ের এ দুটি প্রকল্প চালুর ক্ষেত্রে সায় দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার; এখন বিএনপি সরকারের উপর বর্তেছে এর অনুমোদনের ভার।
এর মধ্যেই সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠক করল জাইকার প্রতিনিধিদল।

বৈঠকে বাংলাদেশের সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সড়ক পরিবহনন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, দেশের যোগাযোগ খাতকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে জাইকার দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাইকার অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন।

এসময় জাইকা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদারের আশ্বাস দেয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়।