Dhaka বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মঘট প্রত্যাহার, বাস চলছে চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

চাঁদপুরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রায় ৮ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করেছেন বাসমালিক ও শ্রমিকনেতারা। পরে চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বুধবার (২১ মে) দুপুর ২টার দিকে জেলা বাস মালিক শ্রমিক নেতাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বাবুল মিজি।

তিনি বলেন, আমাদের সাথে জেলা প্রশাসনের আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমরা বাস চালু করেছি।

এর আগে বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় পর হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন বলাখাল বাজার এলাকায় বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাস ভাঙচুর এবং কর্মরত শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ৩৩টি বাস ভাঙচুর ও ৫০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তবে হাজীগঞ্জ উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ১২ জন শ্রমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জনকে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার (২১ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন দুইটি বন্ধ ঘোষণা করেন শ্রমিকরা। এদিন দুপুরে জেলা বাস মালিক শ্রমিক নেতাদের সাথে এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বাস চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বলাখাল বাজারে বাস স্টপেজের দাবিতে বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২০ মে) দুপুর থেকে বাকিলা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের অনুরোধে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাসগুলো আটকে রেখে অন্য সব যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে বোগদাদ ও আইদি বাস বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে রাখা হয়। আন্দোলনকারীরাও সড়ক ছেড়ে চলে যায়। সন্ধ্যার পর কে বা কারা অন্ধকারে বাসগুলোতে হামলা চালায়।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন জানান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে আমরা সভা করেছি। তাদের সাথে বাস চলাচল পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী বলাখাল বাজার এলাকায় বাস স্টপেজ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঈদের পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

আবহাওয়া

বিএনপি শুধু ধনী মানুষের জন্য রাজনীতি করে না, গ্রামীণ মানুষের জন্যও করে : ড. মঈন খান

ধর্মঘট প্রত্যাহার, বাস চলছে চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে

প্রকাশের সময় : ০৬:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

চাঁদপুরে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রায় ৮ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার করেছেন বাসমালিক ও শ্রমিকনেতারা। পরে চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কে পুনরায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বুধবার (২১ মে) দুপুর ২টার দিকে জেলা বাস মালিক শ্রমিক নেতাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বাবুল মিজি।

তিনি বলেন, আমাদের সাথে জেলা প্রশাসনের আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমরা বাস চালু করেছি।

এর আগে বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় পর হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন বলাখাল বাজার এলাকায় বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাস ভাঙচুর এবং কর্মরত শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ৩৩টি বাস ভাঙচুর ও ৫০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তবে হাজীগঞ্জ উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ১২ জন শ্রমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জনকে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার (২১ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন দুইটি বন্ধ ঘোষণা করেন শ্রমিকরা। এদিন দুপুরে জেলা বাস মালিক শ্রমিক নেতাদের সাথে এক বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বাস চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বলাখাল বাজারে বাস স্টপেজের দাবিতে বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেন এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২০ মে) দুপুর থেকে বাকিলা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের অনুরোধে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বোগদাদ ও আইদি পরবিহনের বাসগুলো আটকে রেখে অন্য সব যানবাহন ছেড়ে দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে বোগদাদ ও আইদি বাস বলাখাল জে এন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে রাখা হয়। আন্দোলনকারীরাও সড়ক ছেড়ে চলে যায়। সন্ধ্যার পর কে বা কারা অন্ধকারে বাসগুলোতে হামলা চালায়।

এ বিষয়ে চাঁদপুরের অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন জানান, পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে আমরা সভা করেছি। তাদের সাথে বাস চলাচল পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী বলাখাল বাজার এলাকায় বাস স্টপেজ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঈদের পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।