সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী বলার অভিযোগে করা মানহানির মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের এমপি ও জামায়াত নেতা মুফতি আমির হামজা।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি সিরাজগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার কর্মকার তা মঞ্জুর করেন। এ সময় চিফ চুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল মতিন উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম মল্লিক বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর কর্নেল বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় মসজিদে জুমার খুতবার আগে এক আলোচনায় মুফতি আমির হামজা বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ বলে মন্তব্য করেন।
বাদীর দাবি, ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়। এতে মন্ত্রীর সামাজিক ও রাজনৈতিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগে দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলাটি করা হয়। মামলাটি দায়েরের দিনই আদালত তা আমলে নিয়ে সমন জারির নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ২১ এপ্রিল মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
বাদী হুমায়ুন কবীর কর্নেল বলেন, ‘ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি নিজ এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলেন। তার সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। এজন্য মামলাটি করেছিলাম। রবিবার আদালতে হাজির হয়ে অভিযুক্ত এমপি আমির হামজা আত্মসমর্পণের পর জামিন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।’
উল্লেখ্য, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী বারের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির কর্নেল এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খান তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 






















