Dhaka রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিবছর ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : 

সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হওয়া আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং জাতীয়, অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতি বছর সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেলের যৌথ আয়োজনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক রাজবাড়ী জেলায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ফেরিঘাটে যে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেটি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি। এই দুর্ঘটনাটা সম্পূর্ণ চালক ও ত্রুটিযুক্ত যানের কারণে হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, বাসটি দাঁড়ানো ছিল, চলার কোনো কারণ ছিল না। কারণ তখন ফেরি প্রস্তুত ছিল না গাড়ি তোলার জন্য। এরকম একটা মুহূর্তে গাড়িটি চলতে শুরু করল কোনো কারণ ছাড়া। বাসটি চলা শুরু করলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা গেল না। কারণ তদন্তে উঠে আসে বাসের ব্রেকটা কাজ করছিল না। ত্রুটিযুক্ত যান, চালকের অদক্ষতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং অসচেতনতায় এ দুর্ঘটনার মূল কারণ। সেভাবেই সেটা চিহ্নিত হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। আমাদের দেশে যতগুলো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে, তার অধিকাংশই চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা, স্বেচ্ছাচারিতা ও ত্রুটিযুক্ত যানের কারণে ঘটছে। আবার অনেক সময় জনগণের অসচেতনতার কারণেও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার একটি সড়কে অনেক ধরনের যানবাহন চলার কারণে ও দুর্ঘটনা ঘটছে। এ কারণে প্রতিবছর অনেক প্রাণ হারাতে হচ্ছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের ঘাট ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি আছে। স্থায়ীভাবে ঘাট নির্মাণ করার ক্ষেত্রেও কিছু অন্তরায় আছে। কারণ প্রতি বছর নদীভাঙনের কবলে পড়তে হয় আমাদের। এ কারণে ঘাট শিফটিং করতে হয়। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা ঘাট স্থায়ীভাবে তৈরি করতে পারি না। আবার আমাদের সক্ষমতারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এখনও মানসম্মত হতে পারিনি। জনগণকে আমরা নিরাপদ সড়ক যাত্রা, নৌযাত্রা ও রেলযাত্রা নিশ্চিত করতে পারিনি। নিরাপদ যাত্রার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে, আমরা কাজ করছি। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ২৮০০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই সরকার সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বড় প্রকল্প গ্রহণ করে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা আজ এখানে এসেছি সংহতি প্রকাশ করার জন্য, সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য। এটি আমাদের একটা সামগ্রিক ব্যর্থতা ও জাতীয় কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতি বছর সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। গত ঈদে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তারা যেমন ব্যথিত, আমরাও সরকারের পক্ষ থেকে ঘটনাটির জন্য শোকাহত ও ব্যতীত হয়েছি। আমরা সচেতন হব এবং পরস্পরের পাশে থাকতে শিখব।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার আছে, সরকারে দায় আছে এবং আপনাদেরকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আমাদের আছে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কিছু সীমাবদ্ধতার উত্তরণ ঘটিয়ে আমরা নিশ্চয় এই বাংলাদেশকে সেই বাংলাদেশে নিয়ে যাব যেখানে আমরা নিরাপদে থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদেরকে নিরাপদে রাখতে চান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা লাঘব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সকলের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। চালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের ঘাট ব্যবস্থ উন্নত করা দরকার। দীর্ঘদিনের একটা অবহেলিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে এই ঘাট চলছে। তাই এই ঘাটটাকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনতে হবে। এখানে একটি পদ্মা ব্রিজ হলে দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নিয়ে আমি আন্দোলন করছি ১৯৯৪ সাল থেকে। পদ্মা ব্যারেজ একনেকে অনুমোদন হয়েছে। এই ব্যারেজের পাশাপাশি দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। এই সেতু হলে মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হবে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে ও সহকারী কমিশনার এস এম রায়হানুর ইসলাম।

জানা গেছে, বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে দৌলতদিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তসহ মোট ৬২ জনকে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

 

আবহাওয়া

নীলফামারীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে গৃহবধূ নিহত

প্রতিবছর ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান : সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি : 

সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হওয়া আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা এবং জাতীয়, অনাকাঙ্ক্ষিত কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতি বছর সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভা মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেলের যৌথ আয়োজনে বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক রাজবাড়ী জেলায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গণসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ফেরিঘাটে যে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল সেটি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি। এই দুর্ঘটনাটা সম্পূর্ণ চালক ও ত্রুটিযুক্ত যানের কারণে হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, বাসটি দাঁড়ানো ছিল, চলার কোনো কারণ ছিল না। কারণ তখন ফেরি প্রস্তুত ছিল না গাড়ি তোলার জন্য। এরকম একটা মুহূর্তে গাড়িটি চলতে শুরু করল কোনো কারণ ছাড়া। বাসটি চলা শুরু করলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা গেল না। কারণ তদন্তে উঠে আসে বাসের ব্রেকটা কাজ করছিল না। ত্রুটিযুক্ত যান, চালকের অদক্ষতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং অসচেতনতায় এ দুর্ঘটনার মূল কারণ। সেভাবেই সেটা চিহ্নিত হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। আমাদের দেশে যতগুলো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে, তার অধিকাংশই চালকের অদক্ষতা, অসচেতনতা, স্বেচ্ছাচারিতা ও ত্রুটিযুক্ত যানের কারণে ঘটছে। আবার অনেক সময় জনগণের অসচেতনতার কারণেও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আবার একটি সড়কে অনেক ধরনের যানবাহন চলার কারণে ও দুর্ঘটনা ঘটছে। এ কারণে প্রতিবছর অনেক প্রাণ হারাতে হচ্ছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের ঘাট ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি আছে। স্থায়ীভাবে ঘাট নির্মাণ করার ক্ষেত্রেও কিছু অন্তরায় আছে। কারণ প্রতি বছর নদীভাঙনের কবলে পড়তে হয় আমাদের। এ কারণে ঘাট শিফটিং করতে হয়। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা ঘাট স্থায়ীভাবে তৈরি করতে পারি না। আবার আমাদের সক্ষমতারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এখনও মানসম্মত হতে পারিনি। জনগণকে আমরা নিরাপদ সড়ক যাত্রা, নৌযাত্রা ও রেলযাত্রা নিশ্চিত করতে পারিনি। নিরাপদ যাত্রার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে, আমরা কাজ করছি। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ২৮০০ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৬০ হাজার চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই সরকার সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বড় প্রকল্প গ্রহণ করে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা আজ এখানে এসেছি সংহতি প্রকাশ করার জন্য, সহমর্মিতা প্রকাশ করার জন্য। এটি আমাদের একটা সামগ্রিক ব্যর্থতা ও জাতীয় কষ্ট। সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতি বছর সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছে। গত ঈদে যে ঘটনাটি ঘটেছে তা পুরো জাতিকে ব্যথিত করেছে। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তারা যেমন ব্যথিত, আমরাও সরকারের পক্ষ থেকে ঘটনাটির জন্য শোকাহত ও ব্যতীত হয়েছি। আমরা সচেতন হব এবং পরস্পরের পাশে থাকতে শিখব।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার আছে, সরকারে দায় আছে এবং আপনাদেরকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব আমাদের আছে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কিছু সীমাবদ্ধতার উত্তরণ ঘটিয়ে আমরা নিশ্চয় এই বাংলাদেশকে সেই বাংলাদেশে নিয়ে যাব যেখানে আমরা নিরাপদে থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদেরকে নিরাপদে রাখতে চান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা লাঘব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সকলের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। চালকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, আমাদের ঘাট ব্যবস্থ উন্নত করা দরকার। দীর্ঘদিনের একটা অবহেলিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে এই ঘাট চলছে। তাই এই ঘাটটাকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনতে হবে। এখানে একটি পদ্মা ব্রিজ হলে দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। পদ্মা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নিয়ে আমি আন্দোলন করছি ১৯৯৪ সাল থেকে। পদ্মা ব্যারেজ একনেকে অনুমোদন হয়েছে। এই ব্যারেজের পাশাপাশি দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। এই সেতু হলে মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হবে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে ও সহকারী কমিশনার এস এম রায়হানুর ইসলাম।

জানা গেছে, বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে দৌলতদিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তসহ মোট ৬২ জনকে ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।