চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তে পুশইনের শিকার হওয়া নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২০ জনকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
শনিবার (২০ জুন) সকালে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বৈঠক শেষে তাদেরকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে বিজিবি।
৫৯ বিজিবির মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, শনিবার (২০ জুন) ভোর ৬টার দিকে চৌকা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে তাঁদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
তিনি জানান, পুশ ইনের চেষ্টাকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন নারী, পাঁচজন পুরুষ এবং চারটি শিশু রয়েছে।
খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের অভ্যন্তরে প্রতিহত করে। ফলে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, এ ঘটনায় বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে পুশইনের একাধিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত ভোর রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চৌকা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের শবদলপুরের সুকদেবপুর সীমান্ত ফাঁড়ির বিএসএফ সদস্যরা ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি জানতে পেরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের প্রবেশ ঠেকিয়ে দেয় বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সকালে চৌকা সীমান্ত এলাকা দিয়ে একদল মানুষকে জোর করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেয়। এ সময় সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষও বিজিবির সঙ্গে যোগ দিয়ে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে শামিল হন। সবার এমন শক্ত ও সম্মিলিত অবস্থানের কারণে অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকতে পারেনি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 






















