চাঁদপুরে ময়লার স্তূপে মিলল তিন বস্তা কোরআন শরীফ

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

চাঁদপুরে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে গিয়ে ময়লার স্তূপে তিন বস্তা পবিত্র কোরআন শরীফ পেয়েছেন। বস্তাতে প্রায় শতাধিক কোরআন শরীফ ছিল। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্লাহ সেলিম ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড রেলক্রসিং সংলগ্ন শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত রেলওয়ের লেক এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে এ তিন বস্তা পবিত্র কোরআন শরীফ পাওয়া যায়।

এলাকাবাসীরা জানান, চাঁদপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা মিশন রোড শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে লেকের পাড়ে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার সময় তিনটি বস্তার সন্ধান পান। পরে বস্তাগুলো খুলে দেখা যায়, সেখানে বিপুল পরিমাণ পবিত্র কোরআন শরীফ রাখা রয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাদের দেওয়ান মিন্টু জানান, উদ্ধার হওয়া তিনটি বস্তায় প্রায় এক থেকে দেড়শো পবিত্র কোরআন শরীফ রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের সহায়তায় কোরআন শরিফগুলো উদ্ধার করে যথাযথভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআন শরীফের সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য কাজ। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উদ্ধার করা পবিত্র কোরআন শরিফগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে। আলেম সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে এগুলোর যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা হবে। পাশাপাশি যারা পবিত্র ধর্মগ্রন্থের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করেছে, তাদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

চাঁদপুরে ময়লার স্তূপে মিলল তিন বস্তা কোরআন শরীফ

প্রকাশের সময় : ০৩:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি : 

চাঁদপুরে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে গিয়ে ময়লার স্তূপে তিন বস্তা পবিত্র কোরআন শরীফ পেয়েছেন। বস্তাতে প্রায় শতাধিক কোরআন শরীফ ছিল। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এ কে এম সলিম উল্লাহ সেলিম ও চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে চাঁদপুর শহরের মিশন রোড রেলক্রসিং সংলগ্ন শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত রেলওয়ের লেক এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে এ তিন বস্তা পবিত্র কোরআন শরীফ পাওয়া যায়।

এলাকাবাসীরা জানান, চাঁদপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা মিশন রোড শাহী জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে লেকের পাড়ে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার সময় তিনটি বস্তার সন্ধান পান। পরে বস্তাগুলো খুলে দেখা যায়, সেখানে বিপুল পরিমাণ পবিত্র কোরআন শরীফ রাখা রয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কাদের দেওয়ান মিন্টু জানান, উদ্ধার হওয়া তিনটি বস্তায় প্রায় এক থেকে দেড়শো পবিত্র কোরআন শরীফ রয়েছে। বিষয়টি জানার পর স্থানীয়দের সহায়তায় কোরআন শরিফগুলো উদ্ধার করে যথাযথভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পবিত্র কোরআন শরীফের সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও জঘন্য কাজ। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত বলে মনে করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উদ্ধার করা পবিত্র কোরআন শরিফগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে। আলেম সমাজের সঙ্গে আলোচনা করে এগুলোর যথাযথ ব্যবস্থাপনা করা হবে। পাশাপাশি যারা পবিত্র ধর্মগ্রন্থের প্রতি অবমাননাকর আচরণ করেছে, তাদের শনাক্ত করতে তদন্ত করা হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।