খুলে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি : 

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে পানি ছাড়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সোয়া ৮টার সময় প্রতিটি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। পানি ছাড়ার সময় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বাঁধের স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে। গেট খোলার সময় কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫.৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

এর আগে, দুপুরে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হ্রদে পানির সঞ্চয় বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানি ছাড়ার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত মাসেও ১৮ জুলাই প্রথম ধাপে একইভাবে বাঁধের ১৬টি জলকপাট খোলা হয়েছিল। পরে পানি কমে আসায় ২৩ জুলাই বন্ধ করা হয় বাঁধের জলকপাট।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সচল ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। ফলে স্পিলওয়ে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন উভয় মাধ্যম মিলে এখন প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪১ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে আছড়ে পড়ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকানো ও প্রাণহানি কমাতে দিনরাত কাজ চলছে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

খুলে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

প্রকাশের সময় : ১০:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি : 

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে পানি ছাড়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সোয়া ৮টার সময় প্রতিটি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। পানি ছাড়ার সময় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বাঁধের স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে। গেট খোলার সময় কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫.৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

এর আগে, দুপুরে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হ্রদে পানির সঞ্চয় বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পানি ছাড়ার এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গত মাসেও ১৮ জুলাই প্রথম ধাপে একইভাবে বাঁধের ১৬টি জলকপাট খোলা হয়েছিল। পরে পানি কমে আসায় ২৩ জুলাই বন্ধ করা হয় বাঁধের জলকপাট।

কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সচল ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। ফলে স্পিলওয়ে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন উভয় মাধ্যম মিলে এখন প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪১ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে আছড়ে পড়ছে।