২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ : আতিউর-বারাকাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩০০ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জনতা ব্যাংকের ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৭ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নরের বিরুদ্ধে ঋণ অনিয়ম তদন্ত করে দুদক। কিন্তু, কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগের পরিসমাপ্তি হয় সেসময়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ওষুধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জোর দেওয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ : আতিউর-বারাকাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশের সময় : ০৪:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জনতা ব্যাংকের ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৭ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নরের বিরুদ্ধে ঋণ অনিয়ম তদন্ত করে দুদক। কিন্তু, কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগের পরিসমাপ্তি হয় সেসময়।