যমুনা সেতুর ডেক সম্প্রসারণে ধারণক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে : সেতু সচিব

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : 

যমুনা রেল সেতু চালুর পর মূল যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল অবকাঠামো অপসারণ ও ডেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেতুর ধারণক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) টাঙ্গাইলে যমুনা সেতু এলাকা ও সাসেক-২ প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

সচিব বলেন, যমুনা রেল সেতু চালু হওয়ার পর মূল যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল অবকাঠামো অপসারণ এবং ডেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেতুর কার্যকারিতা ও ধারণক্ষমতা বাড়বে। এর ফলে যানবাহন চলাচল আরও নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে এবং ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলায় সেতু অধিক সক্ষমতা অর্জন করবে।

সেতু সচিব যমুনা সেতুর পশ্চিম গাইড বাঁধে চলমান নদীশাসন কাজও পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, নদীর প্রবাহ, ভাঙন এবং তলদেশের পরিবর্তনের প্রভাব থেকে গাইড বাঁধ ও সেতু অবকাঠামো রক্ষায় এ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

সাসেক-২ প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, সাসেক-২ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পরিদর্শন শেষে মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, যমুনা সেতু দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামো এবং উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান সংযোগস্থল। সেতুর নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের কারণে জনসাধারণের যাতায়াতে যেন কোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পিএন্ডডি) ও যুগ্ম সচিব মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, সেতু বিভাগের উপসচিব মো. খালেদ হোসেন, সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম মর্তুজা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রোহিঙ্গাদের এক কোটি ৪০ লাখ ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

যমুনা সেতুর ডেক সম্প্রসারণে ধারণক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে : সেতু সচিব

প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি : 

যমুনা রেল সেতু চালুর পর মূল যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল অবকাঠামো অপসারণ ও ডেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেতুর ধারণক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) টাঙ্গাইলে যমুনা সেতু এলাকা ও সাসেক-২ প্রকল্পের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

সচিব বলেন, যমুনা রেল সেতু চালু হওয়ার পর মূল যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল অবকাঠামো অপসারণ এবং ডেক সম্প্রসারণের মাধ্যমে সেতুর কার্যকারিতা ও ধারণক্ষমতা বাড়বে। এর ফলে যানবাহন চলাচল আরও নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে এবং ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলায় সেতু অধিক সক্ষমতা অর্জন করবে।

সেতু সচিব যমুনা সেতুর পশ্চিম গাইড বাঁধে চলমান নদীশাসন কাজও পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, নদীর প্রবাহ, ভাঙন এবং তলদেশের পরিবর্তনের প্রভাব থেকে গাইড বাঁধ ও সেতু অবকাঠামো রক্ষায় এ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

সাসেক-২ প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, সাসেক-২ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পরিদর্শন শেষে মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, যমুনা সেতু দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামো এবং উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান সংযোগস্থল। সেতুর নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের কারণে জনসাধারণের যাতায়াতে যেন কোনো অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (পিএন্ডডি) ও যুগ্ম সচিব মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, সেতু বিভাগের উপসচিব মো. খালেদ হোসেন, সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম মর্তুজা উপস্থিত ছিলেন।