২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ১৮১ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

এর আগে ওয়ানডেতে ২২ বারের দেখায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ছিল কেবল এক ম্যাচে। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের উত্থানের পর বাকিসব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে এই ফরম্যাটে হারালেও অজিরা ছিল অধরা। এবার ঘরের মাঠে সেই অজি বধ! চার বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সে ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৮৬ রান করেন মোসাদ্দেক। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান করার পর বৃষ্টি হানা দেয়। এরপর খেলা আর মাঠে না গড়ালে ডিএল মেথডে ৮৬ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

এর আগে সেই ২০০৫ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলের স্মরণীয় ইনিংসে ভর করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ওয়ানডেতে হারিয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ২১ বছরে অবশ্য দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে কেবল দুটি, এর বাইরে আইসিসি আসরে বিভিন্ন সময় দেখা হলেও ফল সব সময় অস্ট্রেলিয়ার পক্ষেই ছিল।

২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম ২ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ।

ইনিংসের প্রথম ওভারেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরে বড় ধাক্কা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন অজি ওপেনার ম্যাথু শর্ট। তাসকিনের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেন শর্ট। ব্যাটে-প্যাডের ফাঁক গলে বল সরাসরি আঘাত হানে মিডল স্টাম্পে। ফলে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই ওপেনারকে।

তাসকিনের পর দ্বিতীয় ওভারে বোলিং আক্রমণে এসেই উইকেট উৎসবে মাতেন মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়ান ডাউনে নামা মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। মুস্তাফিজের ভেতরে ঢুকে আসা একটি বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করলে বল সরাসরি লাবুশেনের প্যাডে আঘাত হানে।

বাংলাদেশ দলের আবেদনে আম্পায়ার প্রথমে সাড়া না দিলে রিভিউ নেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল সরাসরি লেগ স্টাম্পে আঘাত হানত। ফলে আম্পায়ার তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন। ২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ উইকেটে মাত্র ৩ রান। ক্রিজে কুপার কনোলির সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দেন জশ ইংলিশ।

নিজের তৃতীয় ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান নাহিদ রানা। দারুণ এক ডেলিভারিতে জশ ইংলিশের উইকেট। ২৫ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অজি ব্যাটার।

অ্যালেক্স ক্যারি ৬২ বলে ৪৭ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে আশা দেখান। তবে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বল কিছু বুঝে ওঠার আগে তার ব্যাট ছুয়ে যায় লিটন দাসের হাতে। এরপর যাওয়া আসার মিছিলেই থাকে অজি ব্যাটাররা। ক্যামেরুন গ্রিন করেন ৩৫ বলে ২২ রান।

নাহিদ রানা ৪ উইকেট পান। ব্যাটে বলে নৈপুণ্য দেখান মোসাদ্দেক। ব্যাট হাতে সফল মোসাদ্দেক বলে পান ২ উইকেট।

এর আগে টস হেরে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিলো না। ন্যাথান এলিসের হালকা মুভ করে বেরিয়ে যাওয়া বলে ফ্লিক করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন সাইফ হাসান। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ ক্যাচ লুফেন মারনাশ লাবুশানে।

তবে খানিক পর তিনিই ফেলে দেন সহজ ক্যাচ। ৯ রানে থাকা শান্তকেও স্লিপে ক্যাচ বানিয়েছিলেন এলিস। সেটা মুঠোয় জমাতে পারেননি লাবুশানে।

জীবন পাওয়া শান্ত এরপর জমে যান ক্রিজে। তানজিদের সঙ্গে জমে যায় তাঁর জুটি। দারুণ গতিতে রান বাড়াতে থাকেন তাঁরা। দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি ভাঙেন এলিস। নতুন স্পেলে ফিরে স্লোয়ার দিয়ে কাবু করেন তানজিদকে। বাংলাদেশের ওপেনার ৭ চার, ১ ছক্কার ইনিংস থামান ৫৪ করে।

চারে নেমে লিটন দাস হাঁসফাঁস করছিলেন। বাউন্ডারি বের করতে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে থিতু হতে পারেননি। অনিয়মিত স্পিনার ম্যাট রেনশকে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

খানিক পর শান্তকেও ছাঁটেন রেনশ। এই স্পিনারের বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ছন্দে থাকা বাঁহাতি ব্যাটার।

সাড়ে তিন বছর পর জাতীয় দলে ফেরা মোসাদ্দেক নেমেই দেখান আগ্রাসন, সাবলীল ব্যাট চালিয়ে রানের চাকায় গতি আনেন তিনি। দ্রুত থিতু হয়েই ফিরতে পারতেন। রেনশর বলেই উড়িয়ে মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন। লং অনে সহজতম ক্যাচ ফেলে দেন কুপার কনলি। ২১ রানে জীবন পেয়ে মোসাদ্দেক টেনে নেন দলকে। পাঁচে নেমে ধুঁকতে থাকা তাওহিদ হৃদয়ের আড়ষ্টতার বিপরীতে দলের রান বাড়ান তিনি।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৯০ বলে আসে ৭৫ রান। যাতে ৪৯ রানই মোসাদ্দেকের। জেভিয়ের বার্টলেটের বলে পরে ৫১ বলে ৩১ করে ফেরেন হৃদয়।

অধিনায়ক মিরাজ নেমে তাল পাননি। ১২ বল খুইয়ে স্রেফ ৩ রান করে এলবিডব্লিউতে বিদায় র। দল চাপে পড়ার পর স্লগ ওভারেও ভরসা হন মোসাদ্দেক। অ্যাডাম জাম্পাকে রিভার্স সুইপে দুই চার, এক ছয়ে উড়িয়ে রানরেট ঠিক করেন।

তানভির ইসলাম তেমন সঙ্গ দিতে না পারলেও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ৮ম উইকেটে মাত্র ৩২ বলে মহা গুরুত্বপূর্ণ ৪৫ রান যোগ করেন তিনি।

চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে পাওয়া সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখেন মোসাদ্দেক। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ব্যাটেই শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ম্যাট রেনশ নেন ২টি উইকেট। জেভিয়ার বার্টলেট ও স্কট একটি করে উইকেট তুলে নেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগ দিলেন যুবক

২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

এর আগে ওয়ানডেতে ২২ বারের দেখায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ছিল কেবল এক ম্যাচে। ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের উত্থানের পর বাকিসব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে এই ফরম্যাটে হারালেও অজিরা ছিল অধরা। এবার ঘরের মাঠে সেই অজি বধ! চার বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেনের অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সে ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৮৬ রান করেন মোসাদ্দেক। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান করার পর বৃষ্টি হানা দেয়। এরপর খেলা আর মাঠে না গড়ালে ডিএল মেথডে ৮৬ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

এর আগে সেই ২০০৫ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলের স্মরণীয় ইনিংসে ভর করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে ওয়ানডেতে হারিয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ২১ বছরে অবশ্য দুই দলের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে কেবল দুটি, এর বাইরে আইসিসি আসরে বিভিন্ন সময় দেখা হলেও ফল সব সময় অস্ট্রেলিয়ার পক্ষেই ছিল।

২৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম ২ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ।

ইনিংসের প্রথম ওভারেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরে বড় ধাক্কা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন অজি ওপেনার ম্যাথু শর্ট। তাসকিনের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে গিয়ে লাইন মিস করেন শর্ট। ব্যাটে-প্যাডের ফাঁক গলে বল সরাসরি আঘাত হানে মিডল স্টাম্পে। ফলে গোল্ডেন ডাকের তেতো স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় এই ওপেনারকে।

তাসকিনের পর দ্বিতীয় ওভারে বোলিং আক্রমণে এসেই উইকেট উৎসবে মাতেন মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়ান ডাউনে নামা মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। মুস্তাফিজের ভেতরে ঢুকে আসা একটি বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে লাইন মিস করলে বল সরাসরি লাবুশেনের প্যাডে আঘাত হানে।

বাংলাদেশ দলের আবেদনে আম্পায়ার প্রথমে সাড়া না দিলে রিভিউ নেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল সরাসরি লেগ স্টাম্পে আঘাত হানত। ফলে আম্পায়ার তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হন। ২ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ উইকেটে মাত্র ৩ রান। ক্রিজে কুপার কনোলির সঙ্গে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দেন জশ ইংলিশ।

নিজের তৃতীয় ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান নাহিদ রানা। দারুণ এক ডেলিভারিতে জশ ইংলিশের উইকেট। ২৫ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ১৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অজি ব্যাটার।

অ্যালেক্স ক্যারি ৬২ বলে ৪৭ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে আশা দেখান। তবে নাহিদ রানার দুর্দান্ত বল কিছু বুঝে ওঠার আগে তার ব্যাট ছুয়ে যায় লিটন দাসের হাতে। এরপর যাওয়া আসার মিছিলেই থাকে অজি ব্যাটাররা। ক্যামেরুন গ্রিন করেন ৩৫ বলে ২২ রান।

নাহিদ রানা ৪ উইকেট পান। ব্যাটে বলে নৈপুণ্য দেখান মোসাদ্দেক। ব্যাট হাতে সফল মোসাদ্দেক বলে পান ২ উইকেট।

এর আগে টস হেরে বাংলাদেশের শুরুটা ভালো ছিলো না। ন্যাথান এলিসের হালকা মুভ করে বেরিয়ে যাওয়া বলে ফ্লিক করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন সাইফ হাসান। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ ক্যাচ লুফেন মারনাশ লাবুশানে।

তবে খানিক পর তিনিই ফেলে দেন সহজ ক্যাচ। ৯ রানে থাকা শান্তকেও স্লিপে ক্যাচ বানিয়েছিলেন এলিস। সেটা মুঠোয় জমাতে পারেননি লাবুশানে।

জীবন পাওয়া শান্ত এরপর জমে যান ক্রিজে। তানজিদের সঙ্গে জমে যায় তাঁর জুটি। দারুণ গতিতে রান বাড়াতে থাকেন তাঁরা। দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি ভাঙেন এলিস। নতুন স্পেলে ফিরে স্লোয়ার দিয়ে কাবু করেন তানজিদকে। বাংলাদেশের ওপেনার ৭ চার, ১ ছক্কার ইনিংস থামান ৫৪ করে।

চারে নেমে লিটন দাস হাঁসফাঁস করছিলেন। বাউন্ডারি বের করতে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে থিতু হতে পারেননি। অনিয়মিত স্পিনার ম্যাট রেনশকে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

খানিক পর শান্তকেও ছাঁটেন রেনশ। এই স্পিনারের বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ছন্দে থাকা বাঁহাতি ব্যাটার।

সাড়ে তিন বছর পর জাতীয় দলে ফেরা মোসাদ্দেক নেমেই দেখান আগ্রাসন, সাবলীল ব্যাট চালিয়ে রানের চাকায় গতি আনেন তিনি। দ্রুত থিতু হয়েই ফিরতে পারতেন। রেনশর বলেই উড়িয়ে মারতে গিয়ে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন। লং অনে সহজতম ক্যাচ ফেলে দেন কুপার কনলি। ২১ রানে জীবন পেয়ে মোসাদ্দেক টেনে নেন দলকে। পাঁচে নেমে ধুঁকতে থাকা তাওহিদ হৃদয়ের আড়ষ্টতার বিপরীতে দলের রান বাড়ান তিনি।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৯০ বলে আসে ৭৫ রান। যাতে ৪৯ রানই মোসাদ্দেকের। জেভিয়ের বার্টলেটের বলে পরে ৫১ বলে ৩১ করে ফেরেন হৃদয়।

অধিনায়ক মিরাজ নেমে তাল পাননি। ১২ বল খুইয়ে স্রেফ ৩ রান করে এলবিডব্লিউতে বিদায় র। দল চাপে পড়ার পর স্লগ ওভারেও ভরসা হন মোসাদ্দেক। অ্যাডাম জাম্পাকে রিভার্স সুইপে দুই চার, এক ছয়ে উড়িয়ে রানরেট ঠিক করেন।

তানভির ইসলাম তেমন সঙ্গ দিতে না পারলেও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ৮ম উইকেটে মাত্র ৩২ বলে মহা গুরুত্বপূর্ণ ৪৫ রান যোগ করেন তিনি।

চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরে পাওয়া সুযোগকে স্মরণীয় করে রাখেন মোসাদ্দেক। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ অর্ধশতক তুলে নিয়ে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৮৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার ব্যাটেই শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ম্যাট রেনশ নেন ২টি উইকেট। জেভিয়ার বার্টলেট ও স্কট একটি করে উইকেট তুলে নেন।