সংস্কার না হওয়া খানাখন্দের সড়ক, ভোগান্তিতে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীরা

সিলেট জেলা প্রতিনিধি : 

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাকা সড়ক সংস্কার না করায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়ক দিয়ে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের যাতায়াতে ভোগান্তি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের কারণে সড়কের গর্তে পানি জমে এবং কাদার সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্বনাথ আরএইচডি কুরুয়া শাসরাম সড়ক, বিশ্বনাথ-হাবড়া-মাছুখালী, রামপাশা-আশুগঞ্জ বাজার-পনাউল্লা সড়ক, রামপাশা-ভোলাগঞ্জ-প্রীতিগঞ্জ বাজার-লামাকাজী সড়ক, কালীগঞ্জ-মনাইকান্দি-সৎপুর, কালীগঞ্জ-দাউদপুর-সমসপুর, পীরের বাজার-বাউসী-মাহবাজপুর, দশপাইকা-হাবড়া বাজার, রাজাগঞ্জ বাজার থেকে খাজাঞ্চি স্টেশন-মুফতির বাজার, কামাল বাজার পর্যন্ত, বৈরাগীবাজার-আমতৈল পিছের মুখ-নওধা-বৈরাগীগাঁও-জগদীশপুর সড়কসহ অন্তত ২০টি সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব সড়ক দিয়ে চলাচলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রোগীসহ পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন আমাদের যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। দ্রুত এসব সড়ক মেরামতের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

ট্রাকচালক বাবুল মিয়া বলেন, যে পথ যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগত, সড়ক খারাপ হওয়ায় সেখানে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। সময় অপচয়ের পাশাপাশি গাড়িরও ক্ষতি হচ্ছে।

অ্যাম্বুলেন্সে আসা একজন রোগীর স্বজন শামীম আহমদ বলেন, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক সড়কের এমন পরিস্থিতি হয়েছে, ঝাঁকিতে রোগীর মৃত্যুর উপক্রম হয়।

বিশ্বনাথ উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা রাস্তা সংস্কারের জন্য ঢাকায় ফাইল পাঠিয়েছি। তবে দ্রুত এসব রাস্তা সংস্কার হবে বলে আশা করছি।

সিলেট জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মামুন খান বলেন, বিশ্বনাথের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। চাহিদার চেয়ে বাজেট অনেক কম। তবে খারাপ রাস্তাগুলোর কাজ দ্রুত শুরু হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনই দেশে গণতন্ত্রের বড় প্রমাণ : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

সংস্কার না হওয়া খানাখন্দের সড়ক, ভোগান্তিতে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীরা

প্রকাশের সময় : ০১:১৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট জেলা প্রতিনিধি : 

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাকা সড়ক সংস্কার না করায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব সড়ক দিয়ে যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীদের যাতায়াতে ভোগান্তি হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমের কারণে সড়কের গর্তে পানি জমে এবং কাদার সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্বনাথ আরএইচডি কুরুয়া শাসরাম সড়ক, বিশ্বনাথ-হাবড়া-মাছুখালী, রামপাশা-আশুগঞ্জ বাজার-পনাউল্লা সড়ক, রামপাশা-ভোলাগঞ্জ-প্রীতিগঞ্জ বাজার-লামাকাজী সড়ক, কালীগঞ্জ-মনাইকান্দি-সৎপুর, কালীগঞ্জ-দাউদপুর-সমসপুর, পীরের বাজার-বাউসী-মাহবাজপুর, দশপাইকা-হাবড়া বাজার, রাজাগঞ্জ বাজার থেকে খাজাঞ্চি স্টেশন-মুফতির বাজার, কামাল বাজার পর্যন্ত, বৈরাগীবাজার-আমতৈল পিছের মুখ-নওধা-বৈরাগীগাঁও-জগদীশপুর সড়কসহ অন্তত ২০টি সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব সড়ক দিয়ে চলাচলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রোগীসহ পথচারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন আমাদের যাতায়াত করতে কষ্ট হয়। দ্রুত এসব সড়ক মেরামতের জন্য দাবি জানাচ্ছি।

ট্রাকচালক বাবুল মিয়া বলেন, যে পথ যেতে এক ঘণ্টা সময় লাগত, সড়ক খারাপ হওয়ায় সেখানে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগছে। সময় অপচয়ের পাশাপাশি গাড়িরও ক্ষতি হচ্ছে।

অ্যাম্বুলেন্সে আসা একজন রোগীর স্বজন শামীম আহমদ বলেন, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক সড়কের এমন পরিস্থিতি হয়েছে, ঝাঁকিতে রোগীর মৃত্যুর উপক্রম হয়।

বিশ্বনাথ উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা রাস্তা সংস্কারের জন্য ঢাকায় ফাইল পাঠিয়েছি। তবে দ্রুত এসব রাস্তা সংস্কার হবে বলে আশা করছি।

সিলেট জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মামুন খান বলেন, বিশ্বনাথের রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। চাহিদার চেয়ে বাজেট অনেক কম। তবে খারাপ রাস্তাগুলোর কাজ দ্রুত শুরু হবে।