চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

চীনের মকিতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকিতে অবিস্মরণীয় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশের নারী দল। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে চায়নিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল বাংলাদেশি মেয়েদের একচেটিয়া আধিপত্য।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে প্রথম গোল করেন কনা আক্তার। কনার পর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করেন ইমা এবং আইরিন আক্তার রিয়া। তারা দুজনেই ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জোড়া গোল করেন।

চতুর্থ কোয়ার্টারে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বাংলাদেশ। এ সময় দলের পক্ষে হাল ধরেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। তিনি চমৎকার দক্ষতায় পরপর আরও দুটি গোল করেন। অধিনায়কের এই জোড়া গোলে বাংলাদেশের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

কনার প্রথম গোল, এরপর ইমা ও রিয়ার জোড়া গোল এবং শেষ কোয়ার্টারে অধিনায়ক সারিকা রিমনের জোড়া গোলের ওপর ভর করে ৭-০ ব্যবধানের এই বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় বাংলাদেশের মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচসেরা হয়েছেন আইরিন আক্তার রিয়া।

এ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রোববার পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। হংকং চায়নার বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে শুরু করেছে পাকিস্তান।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই এমন বিশাল জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে জুনিয়র লাল-সবুজ বাহিনী। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে জোড়া গোল করা আইরিন আক্তার রিয়ার হাতে।

বড় ব্যবধানে জিতেও খুশি নন বাংলাদেশের কোচ মহসিন।

ম্যাচের কৌশল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোচ বলেন, প্রতিটি কোয়ার্টারে খেলোয়াড়দের জন্য আমরা আলাদা লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। প্রথম দুই কোয়ার্টারে আমরা বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলাম, কিন্তু ফিনিশিংটা ভালো হয়নি। বিশেষ করে ফরোয়ার্ডদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ছিল দৃশ্যমান।

প্রথমার্ধের সুযোগ নষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে বিরতিতে (হাফটাইম) যাওয়ার আগেই আমাদের ৫-৬ গোলে এগিয়ে থাকা উচিত ছিল।

তবে হাফটাইমের পর খেলোয়াড়দের ঘুরে দাঁড়ানোকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বাংলাদেশ কোচ।

দ্বিতীয়ার্ধের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, হাফটাইমে আমরা আবার একসঙ্গে বসে নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিই এবং যেসব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল, সেগুলো মনে করিয়ে দিই। দ্বিতীয় অর্ধ্বে সেটিরই প্রতিফলন দেখা গেছে। খেলোয়াড়দের বোঝাপড়া ফিরে আসে এবং আমরা প্রথমার্ধের চেয়ে অনেক ভালো খেলি। ম্যাচ চলাকালেই দলের এই ধারাবাহিক উন্নতিতে আমি সন্তুষ্ট।

এ দিন চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন আইরিন আক্তার। বড় জয়ের পর তার কণ্ঠেও কিছুটা আক্ষেপ ঝরলো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, অবশ্যই জিতে ভালো লাগছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিটি কোয়ার্টারে অন্তত তিনটি করে গোল করার, সেটি হয়নি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বাকেরগঞ্জ-বরগুনা সড়কে যেন মরণফাঁদ, অসমাপ্ত সংস্কারকাজ দুর্ভোগ চরমে

চাইনিজ তাইপেকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০১:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

চীনের মকিতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপ হকিতে অবিস্মরণীয় জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশের নারী দল। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে চায়নিজ তাইপেকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল বাংলাদেশি মেয়েদের একচেটিয়া আধিপত্য।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলে বাংলাদেশ। দলের হয়ে প্রথম গোল করেন কনা আক্তার। কনার পর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করেন ইমা এবং আইরিন আক্তার রিয়া। তারা দুজনেই ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জোড়া গোল করেন।

চতুর্থ কোয়ার্টারে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বাংলাদেশ। এ সময় দলের পক্ষে হাল ধরেন অধিনায়ক সারিকা রিমন। তিনি চমৎকার দক্ষতায় পরপর আরও দুটি গোল করেন। অধিনায়কের এই জোড়া গোলে বাংলাদেশের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

কনার প্রথম গোল, এরপর ইমা ও রিয়ার জোড়া গোল এবং শেষ কোয়ার্টারে অধিনায়ক সারিকা রিমনের জোড়া গোলের ওপর ভর করে ৭-০ ব্যবধানের এই বিশাল জয় পায় বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয় বাংলাদেশের মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচসেরা হয়েছেন আইরিন আক্তার রিয়া।

এ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে রোববার পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। হংকং চায়নার বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে শুরু করেছে পাকিস্তান।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই এমন বিশাল জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে জুনিয়র লাল-সবুজ বাহিনী। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে জোড়া গোল করা আইরিন আক্তার রিয়ার হাতে।

বড় ব্যবধানে জিতেও খুশি নন বাংলাদেশের কোচ মহসিন।

ম্যাচের কৌশল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোচ বলেন, প্রতিটি কোয়ার্টারে খেলোয়াড়দের জন্য আমরা আলাদা লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম। প্রথম দুই কোয়ার্টারে আমরা বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলাম, কিন্তু ফিনিশিংটা ভালো হয়নি। বিশেষ করে ফরোয়ার্ডদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব ছিল দৃশ্যমান।

প্রথমার্ধের সুযোগ নষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে বিরতিতে (হাফটাইম) যাওয়ার আগেই আমাদের ৫-৬ গোলে এগিয়ে থাকা উচিত ছিল।

তবে হাফটাইমের পর খেলোয়াড়দের ঘুরে দাঁড়ানোকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বাংলাদেশ কোচ।

দ্বিতীয়ার্ধের পারফরম্যান্স নিয়ে তিনি বলেন, হাফটাইমে আমরা আবার একসঙ্গে বসে নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিই এবং যেসব বিষয় নিয়ে কথা হয়েছিল, সেগুলো মনে করিয়ে দিই। দ্বিতীয় অর্ধ্বে সেটিরই প্রতিফলন দেখা গেছে। খেলোয়াড়দের বোঝাপড়া ফিরে আসে এবং আমরা প্রথমার্ধের চেয়ে অনেক ভালো খেলি। ম্যাচ চলাকালেই দলের এই ধারাবাহিক উন্নতিতে আমি সন্তুষ্ট।

এ দিন চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন আইরিন আক্তার। বড় জয়ের পর তার কণ্ঠেও কিছুটা আক্ষেপ ঝরলো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, অবশ্যই জিতে ভালো লাগছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রতিটি কোয়ার্টারে অন্তত তিনটি করে গোল করার, সেটি হয়নি।