Dhaka বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগ নয়, নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা তামিম ইকবালের

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯২ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পর সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি কদিন আগে নতুন দায়িত্ব পেয়েছে। এই কমিটির মূল দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা।

আসন্ন নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। এবার জানালেন, নির্বাচনের আগে পদত্যাগের চিন্তা করছেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করিনি, আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। গঠনতন্ত্রে যেটা অনুমোদন দেবে আমি সেটাই অনুসরণ করব। অ্যাড-হক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার কথা চিন্তাই করিনি। প্রথমদিন থেকেই আমি বলেছি আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।

আরও যোগ করেন, ফেয়ার ইলেকশন নিয়ে আমরা এত কথা বলেছি, আমি এতটুকু আশা করি আমাদের অধীনে ইনশাআল্লাহ ফেয়ার ইলেকশন হবে।

আগামী রোববার (৩ মে) বিসিবির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তামিম। সেই সভায় পরবর্তী নির্বাচনের তারিখসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্রিকেটের কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, দেশের ক্রিকেট কাঠামো এখন মূলত একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, যেখানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা ঘরোয়া বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তর থেকে জাতীয় দলে উঠে আসার সুযোগ খুবই সীমিত।

এই পরিস্থিতি বদলাতে নতুন একটি কাঠামো চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তামিম বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুম থেকেই নতুন একটি সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ নামে একটি আলাদা প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট থাকবে।

এই কাঠামোর মাধ্যমে ১৫০ থেকে ২০০ জন নতুন ক্রিকেটার নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ম্যাচগুলো তিন দিনের (থ্রি-ডে) হবে, যাতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যায়ন করা যায়।

তামিম ইকবালের মতে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দলে পরিবর্তন আনা আরও সহজ হবে এবং পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। কোনো খেলোয়াড় খারাপ করলে তাকে সরাসরি বাদ না দিয়ে সেকেন্ড ইলেভেনে পাঠিয়ে আবার সুযোগ তৈরির ব্যবস্থা থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং একটি শক্তিশালী “হাংগার” তৈরি করবে, যা বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিকে বদলে দিতে সাহায্য করবে।

এছাড়া ক্রিকেটকে শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তামিম ইকবাল। খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঠ ও সুযোগ-সুবিধা থাকলে সেখানে নিয়মিত ম্যাচ আয়োজনের কথা বলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, নতুন এই কাঠামোগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ ক্রিকেট আরও দূর এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।

দর্শকদের কথা চিন্তা করে এবং পরিবেশ রক্ষা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামের ছাউনির ওপর সোলার সিস্টেম স্থাপনের কথা ভাবছে বিসিবি। বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তামিম ইকবাল।

এ ছাড়া নতুন করে যেখানে শেড নেই সেখানে শেড বসানোর কথা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়ামের বিশেষ করে যেখানে স্কোরবোর্ড আছে সেখানে কোনো শেড নেই। প্রতিটা খেলায় যদি দেখেন এখানে টিকিটের দাম থাকে কম, এখানেই সবচেয়ে বেশি দর্শক আসে। এই গরমে তারা প্রচণ্ড কষ্ট পায়। আমরা সবাই রাজি হয়েছি কেনোপি সেটআপ করে দিব প্রায় ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের মতো।’

এদিকে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম এবং সেকেন্ড একাদশ গঠনের কথা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আপনারা যদি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ডিজাইনটা দেখেন তবে দেখবেন নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়দের জন্যই আমাদের বেশিরভাগ ক্রিকেট। যারা জাতীয় দলে খেলে তারাই বিপিএল, বিসিএল, এনসিএল, এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে খেলে। একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়রা ৫-৬টা টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু যারা তৃতীয়, দ্বিতীয় বা প্রথম বিভাগ খেলে তাদের জন্য লিগ ছাড়া আর কোনো খেলা নাই। এই কারণ আমাদের ক্রিকেটীয় ইতিহাসে এমন কাহিনী খুব নেই যে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাগ থেকে জাতীয় দলে আসছে। কারণ আমরা ওই প্লাটফর্মটা কোনো সময়ই তৈরি করে দিতে পারিনি।’

সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা নিয়ে চলমান আলোচনা ও জটিলতার মধ্যে বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফিরতে পারলে সাকিবসহ সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের (মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাইমুর রহমান দুর্জয়) জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা উন্মুক্ত থাকবে।

তামিম বলেন, ‘ওর (সাকিব) বিষয়টা আছে। আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটিং যে কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাব।

আইনের যে বিষয়গুলো আছে, আমাদের প্রতিমন্ত্রীও বলেছেন আমরা নমনীয় হবো। ক্রিকেট বোর্ড হিসেবে আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটে যেসব সহায়তা করতে পারি সেটা আমরা সবসময় করব। আমরা তাদের স্বাগত জানাব যদি উনারা ওই সমস্যা সমাধান করে আসেন।’

একই সঙ্গে শুধু একজন ক্রিকেটারকে ঘিরে আলোচনা না করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

তামিমের মতে, গত এক-দুই বছর ধরে বারবার সাকিবকে নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, যা ঠিক নয়।

সভাপতি বলেন, ‘আমরা গত এক-দুই বছর ধরে একজন নির্দিষ্ট ক্রিকেটার, নাম বললে সাকিবকে নিয়েই আমরা কথা বলছি। আমি অনুরোধ করব এই প্রশ্নটা যখন করেন আমাদের তিনজন ক্রিকেটার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাইমুর রহমান দুর্জয়, সাকিব আল হাসান একই ধরনের পরিস্থিতিতে আছে। আমার মনে হয় না এটা উচিত হবে এখানে বসে শুধু একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে কথা বলা।’

আবহাওয়া

কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

পদত্যাগ নয়, নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা তামিম ইকবালের

প্রকাশের সময় : ০৯:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক :

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পর সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি কদিন আগে নতুন দায়িত্ব পেয়েছে। এই কমিটির মূল দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা।

আসন্ন নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। এবার জানালেন, নির্বাচনের আগে পদত্যাগের চিন্তা করছেন না তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে চিন্তা করিনি, আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। গঠনতন্ত্রে যেটা অনুমোদন দেবে আমি সেটাই অনুসরণ করব। অ্যাড-হক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার কথা চিন্তাই করিনি। প্রথমদিন থেকেই আমি বলেছি আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।

আরও যোগ করেন, ফেয়ার ইলেকশন নিয়ে আমরা এত কথা বলেছি, আমি এতটুকু আশা করি আমাদের অধীনে ইনশাআল্লাহ ফেয়ার ইলেকশন হবে।

আগামী রোববার (৩ মে) বিসিবির বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তামিম। সেই সভায় পরবর্তী নির্বাচনের তারিখসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্রিকেটের কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়েও কথা বলেন তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, দেশের ক্রিকেট কাঠামো এখন মূলত একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর খেলোয়াড়দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, যেখানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা ঘরোয়া বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তর থেকে জাতীয় দলে উঠে আসার সুযোগ খুবই সীমিত।

এই পরিস্থিতি বদলাতে নতুন একটি কাঠামো চালুর পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তামিম বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মৌসুম থেকেই নতুন একটি সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ‘সেকেন্ড ইলেভেন’ নামে একটি আলাদা প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট থাকবে।

এই কাঠামোর মাধ্যমে ১৫০ থেকে ২০০ জন নতুন ক্রিকেটার নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবেন বলে জানান তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ম্যাচগুলো তিন দিনের (থ্রি-ডে) হবে, যাতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দীর্ঘ সময় ধরে মূল্যায়ন করা যায়।

তামিম ইকবালের মতে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দলে পরিবর্তন আনা আরও সহজ হবে এবং পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া সম্ভব হবে। কোনো খেলোয়াড় খারাপ করলে তাকে সরাসরি বাদ না দিয়ে সেকেন্ড ইলেভেনে পাঠিয়ে আবার সুযোগ তৈরির ব্যবস্থা থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং একটি শক্তিশালী “হাংগার” তৈরি করবে, যা বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতিকে বদলে দিতে সাহায্য করবে।

এছাড়া ক্রিকেটকে শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তামিম ইকবাল। খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঠ ও সুযোগ-সুবিধা থাকলে সেখানে নিয়মিত ম্যাচ আয়োজনের কথা বলেন তিনি।

সব মিলিয়ে, নতুন এই কাঠামোগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে বাংলাদেশ ক্রিকেট আরও দূর এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।

দর্শকদের কথা চিন্তা করে এবং পরিবেশ রক্ষা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামের ছাউনির ওপর সোলার সিস্টেম স্থাপনের কথা ভাবছে বিসিবি। বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তামিম ইকবাল।

এ ছাড়া নতুন করে যেখানে শেড নেই সেখানে শেড বসানোর কথা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়ামের বিশেষ করে যেখানে স্কোরবোর্ড আছে সেখানে কোনো শেড নেই। প্রতিটা খেলায় যদি দেখেন এখানে টিকিটের দাম থাকে কম, এখানেই সবচেয়ে বেশি দর্শক আসে। এই গরমে তারা প্রচণ্ড কষ্ট পায়। আমরা সবাই রাজি হয়েছি কেনোপি সেটআপ করে দিব প্রায় ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের মতো।’

এদিকে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম এবং সেকেন্ড একাদশ গঠনের কথা জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আপনারা যদি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ডিজাইনটা দেখেন তবে দেখবেন নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়দের জন্যই আমাদের বেশিরভাগ ক্রিকেট। যারা জাতীয় দলে খেলে তারাই বিপিএল, বিসিএল, এনসিএল, এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে খেলে। একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড়রা ৫-৬টা টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু যারা তৃতীয়, দ্বিতীয় বা প্রথম বিভাগ খেলে তাদের জন্য লিগ ছাড়া আর কোনো খেলা নাই। এই কারণ আমাদের ক্রিকেটীয় ইতিহাসে এমন কাহিনী খুব নেই যে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাগ থেকে জাতীয় দলে আসছে। কারণ আমরা ওই প্লাটফর্মটা কোনো সময়ই তৈরি করে দিতে পারিনি।’

সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা নিয়ে চলমান আলোচনা ও জটিলতার মধ্যে বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফিরতে পারলে সাকিবসহ সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের (মাশরাফি বিন মুর্তজা, নাইমুর রহমান দুর্জয়) জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা উন্মুক্ত থাকবে।

তামিম বলেন, ‘ওর (সাকিব) বিষয়টা আছে। আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটিং যে কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাব।

আইনের যে বিষয়গুলো আছে, আমাদের প্রতিমন্ত্রীও বলেছেন আমরা নমনীয় হবো। ক্রিকেট বোর্ড হিসেবে আমাদের তরফ থেকে ক্রিকেটে যেসব সহায়তা করতে পারি সেটা আমরা সবসময় করব। আমরা তাদের স্বাগত জানাব যদি উনারা ওই সমস্যা সমাধান করে আসেন।’

একই সঙ্গে শুধু একজন ক্রিকেটারকে ঘিরে আলোচনা না করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

তামিমের মতে, গত এক-দুই বছর ধরে বারবার সাকিবকে নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, যা ঠিক নয়।

সভাপতি বলেন, ‘আমরা গত এক-দুই বছর ধরে একজন নির্দিষ্ট ক্রিকেটার, নাম বললে সাকিবকে নিয়েই আমরা কথা বলছি। আমি অনুরোধ করব এই প্রশ্নটা যখন করেন আমাদের তিনজন ক্রিকেটার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা, নাইমুর রহমান দুর্জয়, সাকিব আল হাসান একই ধরনের পরিস্থিতিতে আছে। আমার মনে হয় না এটা উচিত হবে এখানে বসে শুধু একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে কথা বলা।’