ভোলা জেলা প্রতিনিধি :
ট্রলারটি প্রবল স্রোতের তোড়ে তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে মেঘনায় ডুবে যায়। এতে যাত্রী ও ট্রলারের মাঝিসহ অন্য তীরে উঠে গেলেও ব্যবসায়ীদের ২০ লাখ টাকার বেশি পণ্যের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ট্রলারের মাঝি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তজুমদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসার সময় তজুমদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী লঞ্চঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ডুবে যাওয়া ট্রলারটিসহ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ডুবে যাওয়া ট্রলারের মাঝি হিরন।
মাঝি আরও জানান, ফারহান লঞ্চের যাওয়ার সময় তীব্র ঢেউয়ে মালামাল বোঝাই ট্রলারটি তীরেই ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা স্কুল ফিডিংয়ের ৯৩৪ পিস রুটি, ১৫০ বস্তা মুরগির খাদ্যসামগ্রী, ১১০ বস্তা চাল এবং ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য মালামাল নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকজন যাত্রী জানান, ট্রলারটির ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে তজুমুদ্দিন থেকে মনপুরার হাজিরহাট ছেড়ে আসার সময় ট্রলারটি একদিকে কাত হয়ে যায়। পরে মাঝি ট্রলারটিকে ঘুরিয়ে ফের তজুমুদ্দিন ঘাটের কাছে নিয়ে আসার সময় স্রোতের তোড়ে ডুবে যায়।
মনপুরার হাজিরহাট বাজারের সার-কীটনাশক ব্যবসায়ী কাউছার জানান, ট্রলারে ১২০ বস্তা ব্রয়লার ছিল। এতে তাদের লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ ব্যবসায়ীদের ২০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়।
তজুমুদ্দিন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন।
মনপুরা উপজেলার ইউএনও মো. আবু মুছা জানান, তজুমুদ্দিনের মেঘনায় ট্রলারডুবির ঘটনায় মনপুরার ব্যবসায়ীদের মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
ভোলা জেলা প্রতিনিধি 





















