নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রাথমিক শিক্ষাকে ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে তা অবৈতনিক করা হবে। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, যা অবৈতনিক।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা করতে চান। প্রাথমিক গ্রেড বাড়িয়ে অষ্টম পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাই। এটা করব ধাপে ধাপে। একইসঙ্গে তা অবৈতনিক করা হবে। বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত, যা অবৈতনিক।
ববি হাজ্জাজ বলেন, কোচিং-নোট গাইড বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম আনা হবে। তবে এই কারিকুলাম হুট করে না এনে চিন্তাভাবনা করে আনার চিন্তা করছে সরকার।
তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীরা খেলতে খেলতে শিখবে, গল্পের মাধ্যমে শিখবে। তবে এই কারিকুলাম আমরা তাড়াহুড়ো করে করব না। সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পিতভাবে এই কারিকুলাম করা হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর বিষয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমাদের ৬৫ হাজার স্কুলে কোনো গার্ড নেই। এখন মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করলে দেখা যাবে মাল্টিমিডিয়ার তার খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই আমরা শিক্ষার মূল থেকে ধরে ধরে সমস্যা সমাধান করতে চাই। বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শেখানোর কাজ শুরু হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এই অনুষ্ঠানে মানব সক্ষমতা বিনির্মাণের প্রয়াস জোরদার করার লক্ষ্যে আগামী বাজেটে শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির দাবিতে গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকে ২১টি দাবি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের কাছে স্বারকলিপি প্রধান করা হয়। ঢাকা ও প্রান্তিক পর্যায়ের ২৪ হাজার মানুষের মতামত নিয়ে এই দাবিগুলো তৈরি করা হয়েছে।
গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরীর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















