বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে নেপাল ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রি আই ক্যাম্প-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের এই উত্তরবঙ্গের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র। অর্থাভাব ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসার জন্য অনেকের পক্ষেই ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। গ্রামের এই সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের হাতের নাগালে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, নেপাল সরকারের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চমৎকার সম্পর্কের সুফল হিসেবে যৌথ উদ্যোগে এ ধরণের বিশেষ চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে, যা এই এলাকার অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চক্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানে বড় ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি উপজেলায় এ আই ক্যাম্পের পরিধি সম্প্রসারিত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওসহ বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও মেধাবী। ভৌগোলিকভাবে নেপাল আমাদের খুব দূরে নয়। সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক দরিদ্র মানুষ অর্থাভাবে চোখের সুচিকিৎসা নিতে পারেন না। এই চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হবেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক স্বাস্থ্যসেবা দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সম্প্রসারিত হবে বলে আমি আশা করি।

আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল অবকাঠামোগত কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী বিশেষ চক্ষু শিবির (আই ক্যাম্প)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. আবু মো. খায়রুল কবির। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কার্কি, এনএনজেএস-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. চেত রাজ পান্ত এবং বিরাটনগর আই হাসপাতালের চেয়ারম্যান পদ্ম নারায়ণ চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও -৩ আসেনর সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী সহ অনেকে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৪ শিশুর

বাংলাদেশ-নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি : 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে নেপাল ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘ফ্রি আই ক্যাম্প-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের এই উত্তরবঙ্গের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র। অর্থাভাব ও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে চিকিৎসার জন্য অনেকের পক্ষেই ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না। গ্রামের এই সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের হাতের নাগালে আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে কাজ করছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, নেপাল সরকারের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক চমৎকার সম্পর্কের সুফল হিসেবে যৌথ উদ্যোগে এ ধরণের বিশেষ চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে, যা এই এলাকার অন্ধত্ব দূরীকরণ ও চক্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানে বড় ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি উপজেলায় এ আই ক্যাম্পের পরিধি সম্প্রসারিত করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওসহ বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও মেধাবী। ভৌগোলিকভাবে নেপাল আমাদের খুব দূরে নয়। সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক দরিদ্র মানুষ অর্থাভাবে চোখের সুচিকিৎসা নিতে পারেন না। এই চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হবেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক স্বাস্থ্যসেবা দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সম্প্রসারিত হবে বলে আমি আশা করি।

আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল অবকাঠামোগত কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী বিশেষ চক্ষু শিবির (আই ক্যাম্প)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডা. আবু মো. খায়রুল কবির। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন প্রতীক কার্কি, এনএনজেএস-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. চেত রাজ পান্ত এবং বিরাটনগর আই হাসপাতালের চেয়ারম্যান পদ্ম নারায়ণ চৌধুরী, ঠাকুরগাঁও -৩ আসেনর সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী সহ অনেকে।