ছবি শুধু অতীতকে নাড়া দেয় না, জীবন্ত ইতিহাসকেও সামনে নিয়ে আসে : দুদু

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশের কঠিন অতীত নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। ছবি শুধু অতীতকে নাড়া দেয় না, জীবন্ত ইতিহাসকেও সামনে নিয়ে আসে। এই ছবি যেন আবার ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

রোববার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফটোসাংবাদিকদের সাহসিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় ছবি ধারণ ও প্রকাশ করতে গিয়ে জীবন বিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি চাকরিও হারাতে হয়েছে অনেককে। সেই জন্য আমার কাছে মনে হচ্ছে, ছবি সবসময় অতীতকে শুধু নাড়া দেয় তা না, জীবন্ত ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসে।

বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ১৭-১৮ বছরের ঘটনাবলি সীমিত পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। এসব ছবির মাধ্যমে বোঝা যায়, এই বিপজ্জনক সময়ের মধ্যে আমরা একসময় ছিলাম। এই নির্যাতনের মধ্যে দেশবাসী একসময় ছিল।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, কী ভয়ংকর শাসক সেই সময় ছিল, সেটি এই ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন তাদের আলোকচিত্রের মধ্য দিয়ে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে। আবু সাঈদের ছবির পাশাপাশি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অপমান করে তার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চিত্রও এখানে রয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে এই ছবির মধ্য দিয়ে আমরা দেখতে পেলাম আমাদের একটা কঠিন অতীত আছে। সেই কঠিন অতীতে কারা কীভাবে আমাদের উপরে আক্রমণ করেছে, কীভাবে কারা সেটা প্রতিরোধ করেছি-প্রতিরোধ করেছে।

বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার মানুষের ভালোবাসার সরকার, তার কাছে এটি স্বপ্নের সরকার। সরকারের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, সেগুলো ঠিক করার জন্য সবাইকে পাশে দাঁড়াতে হবে।

আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঢাকার বাইরে বিভাগ ও জেলা পর্যায়েও আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, অতীতের সত্য ঘটনাগুলো স্মৃতিতে ধরে রাখতে হবে। স্মৃতিতেও তো নাড়া দেওয়ার মতো ঘটনা থাকতে হবে, যে ঘটনা আমাদের আছে, সত্য ঘটনাই আছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহসভাপতি মশিউর রহমান সুমন, অর্থসম্পাদক নাসিম শিকদার, দপ্তর সম্পাদক ফরিদ আহমেদসহ আলোকচিত্রী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

গাজীপুরে পরিবহন সমিতির বাস বন্ধের আল্টিমেটাম

ছবি শুধু অতীতকে নাড়া দেয় না, জীবন্ত ইতিহাসকেও সামনে নিয়ে আসে : দুদু

প্রকাশের সময় : ০২:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশের কঠিন অতীত নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। ছবি শুধু অতীতকে নাড়া দেয় না, জীবন্ত ইতিহাসকেও সামনে নিয়ে আসে। এই ছবি যেন আবার ফিরে না আসে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

রোববার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফটোসাংবাদিকদের সাহসিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় ছবি ধারণ ও প্রকাশ করতে গিয়ে জীবন বিপন্ন হওয়ার পাশাপাশি চাকরিও হারাতে হয়েছে অনেককে। সেই জন্য আমার কাছে মনে হচ্ছে, ছবি সবসময় অতীতকে শুধু নাড়া দেয় তা না, জীবন্ত ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসে।

বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ১৭-১৮ বছরের ঘটনাবলি সীমিত পরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। এসব ছবির মাধ্যমে বোঝা যায়, এই বিপজ্জনক সময়ের মধ্যে আমরা একসময় ছিলাম। এই নির্যাতনের মধ্যে দেশবাসী একসময় ছিল।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, কী ভয়ংকর শাসক সেই সময় ছিল, সেটি এই ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন তাদের আলোকচিত্রের মধ্য দিয়ে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছে। আবু সাঈদের ছবির পাশাপাশি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অপমান করে তার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চিত্রও এখানে রয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে এই ছবির মধ্য দিয়ে আমরা দেখতে পেলাম আমাদের একটা কঠিন অতীত আছে। সেই কঠিন অতীতে কারা কীভাবে আমাদের উপরে আক্রমণ করেছে, কীভাবে কারা সেটা প্রতিরোধ করেছি-প্রতিরোধ করেছে।

বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার মানুষের ভালোবাসার সরকার, তার কাছে এটি স্বপ্নের সরকার। সরকারের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, সেগুলো ঠিক করার জন্য সবাইকে পাশে দাঁড়াতে হবে।

আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঢাকার বাইরে বিভাগ ও জেলা পর্যায়েও আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, অতীতের সত্য ঘটনাগুলো স্মৃতিতে ধরে রাখতে হবে। স্মৃতিতেও তো নাড়া দেওয়ার মতো ঘটনা থাকতে হবে, যে ঘটনা আমাদের আছে, সত্য ঘটনাই আছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহসভাপতি মশিউর রহমান সুমন, অর্থসম্পাদক নাসিম শিকদার, দপ্তর সম্পাদক ফরিদ আহমেদসহ আলোকচিত্রী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।