Dhaka মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বজ্রপাতে চার জেলায় ৯ জনের প্রাণহানি

যোগাযোগ বিডি ডেস্ক : 

দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নেত্রকোণায় তিনজন, সুনামগঞ্জে তিনজন, হবিগঞ্জে দুইজন, নোয়াখালীতে একজন মারা গেছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

নেত্রকোণা

নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক জেলে ও দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে বজ্রপাতে নিহতের এসব ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গোদারাঘাট (ফেরি) এলাকায় ধনু নদে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুল মোতালিব (৫৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শী মুজিবুর রহমান জানান, সকালে তারা তিনজন খালিয়াজুরীর ধনু নদে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে যান। হঠাৎ বজ্রপাত হলে আব্দুল মোতালিব মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়ে।

অন্যদিকে, উপজেলার সাতগাঁও গ্রামে বাড়ির সামনে হাওরের ধান শুকাতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন মোনায়েম খাঁ পালান নামে এক কৃষক। তিনি ওই গ্রামের নেকবর খাঁর ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ধান শুকানোর সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে মারা যান।

এ ছাড়া, বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুরের ছায়ার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মো. শুভ মন্ডল নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার আকনাদিঘির চর এলাকায়।

এ বিষয়ে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যু বজ্রপাতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে দুজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরেকজনের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে তিন কৃষকের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও জামালগঞ্জ উপজেলা এলাকায় পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জমির উদ্দিন (৪৬), গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালী গ্রামের জমির হোসেন (৪০) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক (২০)।

আহতরা হলেন- পাবনা জেলার সাথিয়া এলাকার আরিফ মিয়া (৩৫), মুত্তালেব (৩৫) এবং সুহেল মিয়া। আহতরা শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমির উদ্দিন সকালে হাওরে ধান কাটতে যান। বিকেল প্রায় ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে।

অপরদিকে, জমির হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে বৈটাখালী নদীঘাটে দোকান খুলতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি কায়িদ হোসেনের ছেলে।

এছাড়া জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডা. শফিকুর রহমান জানান, সোমবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে।

সদর থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ উল্ল্যাহ বলেন, বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক কৃষকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রাম-সংলগ্ন গড়দার হাওরে এবং বানিয়াচং উপজেলার জাতুকর্ণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মকছুদ আলী (৪০) নামে এক কৃষক নিজ জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি নোয়াগাঁও গ্রামের ছাবর উল্লার ছেলে।

এ ছাড়া, বানিয়াচং উপজেলার জাতুকর্ণপাড়া এলাকায় আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫) বাড়ির পাশে খলা থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা মান।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত মকছুদ আলীর পরিবারটি দরিদ্র। তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালী

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় বজ্রপাতে মো. আরাফাত (২৩) নামে এক যুবকের প্রাণহানি হয়েছে। দুপুরের দিকে উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গামছাখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি ওই এলাকার মো. আফসার উদ্দিনেন ছেলে। স্থানীয় একটি বাজারে চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে আরাফাত বাড়ির পাশের একটি বাদামক্ষেত দেখতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার প্রাণহানি হয়।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, বজ্রপাতে আরাফাত নামে এক যুবকের প্রাণহানি হয়েছে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যায়। এ সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হওয়া এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আবহাওয়া

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, একজনের ভাঙল ৪ দাঁত, আহত ২ যাত্রী

বজ্রপাতে চার জেলায় ৯ জনের প্রাণহানি

প্রকাশের সময় : ১০:০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

যোগাযোগ বিডি ডেস্ক : 

দেশের চার জেলায় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে নেত্রকোণায় তিনজন, সুনামগঞ্জে তিনজন, হবিগঞ্জে দুইজন, নোয়াখালীতে একজন মারা গেছেন। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

নেত্রকোণা

নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক জেলে ও দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে বজ্রপাতে নিহতের এসব ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গোদারাঘাট (ফেরি) এলাকায় ধনু নদে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে আব্দুল মোতালিব (৫৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শী মুজিবুর রহমান জানান, সকালে তারা তিনজন খালিয়াজুরীর ধনু নদে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে যান। হঠাৎ বজ্রপাত হলে আব্দুল মোতালিব মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়ে।

অন্যদিকে, উপজেলার সাতগাঁও গ্রামে বাড়ির সামনে হাওরের ধান শুকাতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন মোনায়েম খাঁ পালান নামে এক কৃষক। তিনি ওই গ্রামের নেকবর খাঁর ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর দেড়টার দিকে ধান শুকানোর সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং সঙ্গে সঙ্গে মারা যান।

এ ছাড়া, বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুরের ছায়ার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মো. শুভ মন্ডল নামে আরেক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার আকনাদিঘির চর এলাকায়।

এ বিষয়ে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যু বজ্রপাতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে দুজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরেকজনের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে তিন কৃষকের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও জামালগঞ্জ উপজেলা এলাকায় পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জমির উদ্দিন (৪৬), গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালী গ্রামের জমির হোসেন (৪০) এবং জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক (২০)।

আহতরা হলেন- পাবনা জেলার সাথিয়া এলাকার আরিফ মিয়া (৩৫), মুত্তালেব (৩৫) এবং সুহেল মিয়া। আহতরা শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমির উদ্দিন সকালে হাওরে ধান কাটতে যান। বিকেল প্রায় ৩টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে।

অপরদিকে, জমির হোসেন বাড়ি থেকে বের হয়ে বৈটাখালী নদীঘাটে দোকান খুলতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি কায়িদ হোসেনের ছেলে।

এছাড়া জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডা. শফিকুর রহমান জানান, সোমবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণহানি হয়েছে।

সদর থানার ওসি (তদন্ত) আরিফ উল্ল্যাহ বলেন, বজ্রপাতে তিনজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে এক কৃষকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রাম-সংলগ্ন গড়দার হাওরে এবং বানিয়াচং উপজেলার জাতুকর্ণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মকছুদ আলী (৪০) নামে এক কৃষক নিজ জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি নোয়াগাঁও গ্রামের ছাবর উল্লার ছেলে।

এ ছাড়া, বানিয়াচং উপজেলার জাতুকর্ণপাড়া এলাকায় আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫) বাড়ির পাশে খলা থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা মান।

নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত মকছুদ আলীর পরিবারটি দরিদ্র। তার পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালী

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় বজ্রপাতে মো. আরাফাত (২৩) নামে এক যুবকের প্রাণহানি হয়েছে। দুপুরের দিকে উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গামছাখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তিনি ওই এলাকার মো. আফসার উদ্দিনেন ছেলে। স্থানীয় একটি বাজারে চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার দিকে আরাফাত বাড়ির পাশের একটি বাদামক্ষেত দেখতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার প্রাণহানি হয়।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বলেন, বজ্রপাতে আরাফাত নামে এক যুবকের প্রাণহানি হয়েছে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যায়। এ সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের না হওয়া এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।