দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২
  • ৩০৭ জন দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের চাহিদাপূরণ করা একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য ছয় মাসভিত্তিক চুক্তি হয়। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মজুত জ্বালানি তেল দিয়ে ৩০-৩৫ দিনের চাহিদাপূরণ করা সম্ভব হবে। এসময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে দুটি জাহাজ দেশে এসে পৌঁছাবে। অর্থাৎ নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বকুলের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

দেশে কি পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত আছে সে তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের মজুতের পরিমাণ পরিশোধিত ছয় লাখ ২০ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন, অপরিশোধিত ৮১ হাজার ৮৪৬ মেট্রিক টন। মোট মজুত সাত লাখ এক হাজার ৯৯৪ মেট্রিক টন।

যেসব শর্তে আজীবন পেনশন ব্যবস্থা চালু হতে পারে

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের চাহিদাপূরণের লক্ষ্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল হিসেবে ডিজেল, জেট ফুয়েল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল ও মেরিন ফুয়েল এবং অপরিশোধিত জ্বালানি তেল হিসেবে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড ও মারবান ক্রুড অয়েল আমদানি করে।

এদিকে জ্বালানি তেলের আমদানি অব্যাহ রাখতেও সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে চাহিদা বিবেচনায় আগস্ট মাসে প্রায় তিন লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও সেপ্টেম্বরে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল, ২০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অতিরিক্ত দায়িত্বে হুমায়ুন কবির

দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের চাহিদাপূরণ করা একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য ছয় মাসভিত্তিক চুক্তি হয়। বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মজুত জ্বালানি তেল দিয়ে ৩০-৩৫ দিনের চাহিদাপূরণ করা সম্ভব হবে। এসময়ের মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে দুটি জাহাজ দেশে এসে পৌঁছাবে। অর্থাৎ নিরবচ্ছিন্নভাবে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

বুধবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বকুলের প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

দেশে কি পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত আছে সে তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের মজুতের পরিমাণ পরিশোধিত ছয় লাখ ২০ হাজার ১৪৮ মেট্রিক টন, অপরিশোধিত ৮১ হাজার ৮৪৬ মেট্রিক টন। মোট মজুত সাত লাখ এক হাজার ৯৯৪ মেট্রিক টন।

যেসব শর্তে আজীবন পেনশন ব্যবস্থা চালু হতে পারে

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) দেশের চাহিদাপূরণের লক্ষ্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল হিসেবে ডিজেল, জেট ফুয়েল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল ও মেরিন ফুয়েল এবং অপরিশোধিত জ্বালানি তেল হিসেবে অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড ও মারবান ক্রুড অয়েল আমদানি করে।

এদিকে জ্বালানি তেলের আমদানি অব্যাহ রাখতেও সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে চাহিদা বিবেচনায় আগস্ট মাসে প্রায় তিন লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও সেপ্টেম্বরে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল, ২০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল, ৫০ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।