অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড ঝড়ে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ পেয়েছিল। পুঁজি পায় প্রায় দুইশর কাছাকাছি। আত্মবিশ্বাসে টগবগে ছিল অসিরা। বাংলাদেশও ছেড়ে কথা বললো না। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া রান চূঁড়ার জবাবটা ভালোই দিল। শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই লড়াইটাও পর্যাপ্ত ছিল না। হাতের নাগালে যখন ম্যাচ চলে আসে তখনই নেমে আসে বিপর্যয়। ছন্দ হারিয়ে হাতছাড়া হয়েছে দুর্দান্ত এক জয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন রেনশো। জবাবে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে বাংলাদেশ। ৭ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে নিশ্চিত করেছে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজ হারের বদলা মার্শ-ডেভিরা নিলেন বেশ ভালোভাবেই।

১৯৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। কিন্তু ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন।

দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ, ম্যাথিউ রেনশর ধীরগতির আর্ম বলে সামনে এসে খেলতে গিয়ে বল তুলে দেন। রিটার্ন ক্যাচ নিয়ে তাকে সাজঘরের পথ দেখান রেনশ। তানজিদের বিদায়ের পর সাইফ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। এক উইকেট হারালেও পাওয়ার প্লেতে স্বাগতিকরা তুলে ফেলে ৭২ রান। পরের ওভারে অবশ্য সৌম্য সরকার ১৫ রান করে বিদায় নেন। এরপর সাইফ ও পারভেজ হোসেন মিলে শুরু করেন তাণ্ডব। ৩৬ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তারা।

এই জুটিতে বাংলাদেশ যখন জয়ের আশা করছিল, তখন অ্যারন হার্ডির অফ-কাটারে কভার দিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন পারভেজ। পেছনে দৌড়ে সহজেই ক্যাচটি নেন মার্শ। তাতেই ২২ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় করা ৩৬ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে পারভেজের।

সঙ্গীকে হারিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ৪ রান যোগ হতেই সাইফ ফেরেন সাজঘরে। ৩৩ বলে ৪২ রান করে তিনিই দলের সেরা ব্যাটার। শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৫৪ রান। তাওহীদ হৃদয় ও আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন মিলে চেষ্টা চালিয়েছেন। তাতে শেষ ওভারে ২৩ রানের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ১ চার ও ১ ছক্কায় তারা নিতে পারেন ১৫ রান। শেষ বলে ছক্কা মারতে পারলেও সুপার ওভারে আরও একটি সুযোগ পেত বাংলাদেশ।

সেই চেষ্টা অবশ্য চালিয়ে ছিলেন তাওহীদ। কিন্তু হার্ডির ধীরগতির ফুলার লেংথ বলটি লং অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সীমানার কাছে সহজ ক্যাচ নিতেই বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৮৯ রানে। তাতেই ৭ রানে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ খোয়াতে হলো তাদের। তাওহীদ ২২ বলে ৩৫ রানে আউট হন। সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালো করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাসুমের বলে এক চার ও এক ছয়ে ১২ রান নিয়েছিলেন দুই অজি ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে খরুচে ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। প্রথম দুই ওভারেই তাই অজিদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৭ রান। তবে টাইগার বোলাররাও ফিরতে দেরি করেননি।

তৃতীয় ওভারেই অজিদের ওপেনিং জুটি ভাঙেন নাসুম। তাঁর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে আউট হন জশ ইংলিস। আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন তিনি। এরপর ক্রিজে আরেক ওয়পেনার মিচেল মার্শের সঙ্গী হন কুপার কনোলি। তবে কনোলিকে সেটই হতে দেননি নাহিদ রানা।

বাংলাদেশি এই পেসারের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সিয়াফ হাসানের মুঠবন্দী হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন কনোলি। ১ রান করে ফিরেন তিনি। এরপর মিচেল মার্শও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

মার্শকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ। অজি অধিনায়ক ক্রিজে সেট হয়েছিলেন, তবে মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ তুলে ফিরতে হয় তাকে। এই ক্যাচটিও নিয়েছেন সাইফই। ফেরার আগে মার্শ করেন ১৯ বলে ২০ রান। নাসুমের পর রানা-মুস্তাফিজদের আঘাতে দ্রুতই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা।

তবে অস্ট্রেলিয়া সেই চাপ সামলে ওঠে ডেভিড-রেনশো জুটিতে। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন মিলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি। এ জুটি গড়ার পথে দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হলেও রেনশো খেলেছেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।

২ চার এবং ৪ ছয়ে ৪৫ রান করে ডেভিড সাকলাইনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেও রেনশো শেষ পর্যন্ত মারকুটে ভঙ্গিতেই খেলেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন জোয়েল ডেভিস, ষষ্ঠ উইকেটে এ জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৪ বলে ৪২ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়া। রেনশো ৮৯ এবং ডেভিস ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন রানে।

বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ২৭ রান খরচ করে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল গাফফার সাকলাইন।

আগামী ২১ জুন একই মাঠে হবে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ। বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারে কিনা সেটাই দেখার।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

‘থ্রি ইডিয়টস’র সিক্যুয়েল নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন নির্মাতা

অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ হারলো বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড ঝড়ে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ পেয়েছিল। পুঁজি পায় প্রায় দুইশর কাছাকাছি। আত্মবিশ্বাসে টগবগে ছিল অসিরা। বাংলাদেশও ছেড়ে কথা বললো না। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া রান চূঁড়ার জবাবটা ভালোই দিল। শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই লড়াইটাও পর্যাপ্ত ছিল না। হাতের নাগালে যখন ম্যাচ চলে আসে তখনই নেমে আসে বিপর্যয়। ছন্দ হারিয়ে হাতছাড়া হয়েছে দুর্দান্ত এক জয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন রেনশো। জবাবে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে বাংলাদেশ। ৭ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে নিশ্চিত করেছে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজ হারের বদলা মার্শ-ডেভিরা নিলেন বেশ ভালোভাবেই।

১৯৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। কিন্তু ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন।

দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ, ম্যাথিউ রেনশর ধীরগতির আর্ম বলে সামনে এসে খেলতে গিয়ে বল তুলে দেন। রিটার্ন ক্যাচ নিয়ে তাকে সাজঘরের পথ দেখান রেনশ। তানজিদের বিদায়ের পর সাইফ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। এক উইকেট হারালেও পাওয়ার প্লেতে স্বাগতিকরা তুলে ফেলে ৭২ রান। পরের ওভারে অবশ্য সৌম্য সরকার ১৫ রান করে বিদায় নেন। এরপর সাইফ ও পারভেজ হোসেন মিলে শুরু করেন তাণ্ডব। ৩৬ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তারা।

এই জুটিতে বাংলাদেশ যখন জয়ের আশা করছিল, তখন অ্যারন হার্ডির অফ-কাটারে কভার দিয়ে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন পারভেজ। পেছনে দৌড়ে সহজেই ক্যাচটি নেন মার্শ। তাতেই ২২ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় করা ৩৬ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে পারভেজের।

সঙ্গীকে হারিয়ে স্কোরবোর্ডে আরও ৪ রান যোগ হতেই সাইফ ফেরেন সাজঘরে। ৩৩ বলে ৪২ রান করে তিনিই দলের সেরা ব্যাটার। শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৫৪ রান। তাওহীদ হৃদয় ও আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন মিলে চেষ্টা চালিয়েছেন। তাতে শেষ ওভারে ২৩ রানের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ১ চার ও ১ ছক্কায় তারা নিতে পারেন ১৫ রান। শেষ বলে ছক্কা মারতে পারলেও সুপার ওভারে আরও একটি সুযোগ পেত বাংলাদেশ।

সেই চেষ্টা অবশ্য চালিয়ে ছিলেন তাওহীদ। কিন্তু হার্ডির ধীরগতির ফুলার লেংথ বলটি লং অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সীমানার কাছে সহজ ক্যাচ নিতেই বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৮৯ রানে। তাতেই ৭ রানে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ খোয়াতে হলো তাদের। তাওহীদ ২২ বলে ৩৫ রানে আউট হন। সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালো করেছিল অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম ওভারেই নাসুমের বলে এক চার ও এক ছয়ে ১২ রান নিয়েছিলেন দুই অজি ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে খরুচে ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইনও। প্রথম দুই ওভারেই তাই অজিদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৭ রান। তবে টাইগার বোলাররাও ফিরতে দেরি করেননি।

তৃতীয় ওভারেই অজিদের ওপেনিং জুটি ভাঙেন নাসুম। তাঁর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে আউট হন জশ ইংলিস। আউট হওয়ার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন তিনি। এরপর ক্রিজে আরেক ওয়পেনার মিচেল মার্শের সঙ্গী হন কুপার কনোলি। তবে কনোলিকে সেটই হতে দেননি নাহিদ রানা।

বাংলাদেশি এই পেসারের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে সিয়াফ হাসানের মুঠবন্দী হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন কনোলি। ১ রান করে ফিরেন তিনি। এরপর মিচেল মার্শও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

মার্শকে ফিরিয়েছেন মুস্তাফিজ। অজি অধিনায়ক ক্রিজে সেট হয়েছিলেন, তবে মুস্তাফিজের বলে ক্যাচ তুলে ফিরতে হয় তাকে। এই ক্যাচটিও নিয়েছেন সাইফই। ফেরার আগে মার্শ করেন ১৯ বলে ২০ রান। নাসুমের পর রানা-মুস্তাফিজদের আঘাতে দ্রুতই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অজিরা।

তবে অস্ট্রেলিয়া সেই চাপ সামলে ওঠে ডেভিড-রেনশো জুটিতে। চতুর্থ উইকেটে এ দুজন মিলে গড়েন ৯৭ রানের জুটি। এ জুটি গড়ার পথে দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হলেও রেনশো খেলেছেন ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস।

২ চার এবং ৪ ছয়ে ৪৫ রান করে ডেভিড সাকলাইনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হলেও রেনশো শেষ পর্যন্ত মারকুটে ভঙ্গিতেই খেলেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন জোয়েল ডেভিস, ষষ্ঠ উইকেটে এ জুটিতে স্কোরবোর্ডে ওঠে ২৪ বলে ৪২ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়া। রেনশো ৮৯ এবং ডেভিস ১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন রানে।

বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ২৭ রান খরচ করে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। একটি করে উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, মোস্তাফিজুর রহমান ও আবদুল গাফফার সাকলাইন।

আগামী ২১ জুন একই মাঠে হবে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ। বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারে কিনা সেটাই দেখার।