নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জাদুঘরে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরে এ সুবিধা চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে জাতীয় জাদুঘরসহ দেশের বিভিন্ন জাদুঘরেও শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরের একটি দিন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নীতিগতভাবে নেওয়া হয়েছে। স্কুলের ওপরের শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাবেন।’
শিক্ষার্থীদের জাদুঘর পরিদর্শনে টিকিট লাগবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘হ্যাঁ, টিকিট ফ্রি, ইটস ফ্রি অব কস্ট। এ উদ্যোগ শুধু সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর নয়, জাতীয় জাদুঘরেও স্কুলের শিক্ষার্থীদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিয়ে পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে অন্যান্য জাদুঘরেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জাদুঘরের পাশাপাশি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা জাদুঘরগুলোতেও শিক্ষার্থীদের নিয়ে গিয়ে সেগুলো দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে।
সরকারের এমন উদ্যোগের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের জাদুঘরমুখী করা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর উদ্বোধনের পর দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, শুরুতে মানুষের প্রচণ্ড আগ্রহের কারণে একদিন সামান্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা হয়েছিল। পরে তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এখন শৃঙ্খলার সঙ্গে সবাই জাদুঘর পরিদর্শন করছেন।
সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে দেশের ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জাদুঘরকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।
ভারতের ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর নিয়ে জল্পনার কিছু নেই বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘র’ প্রধান চীন থেকে ঢাকা এসেছেন। এটা তার এক ধরনের সফর। এটা জল্পনার কিছু নেই। হয়তো তার সফর শেষে সরকার কোনো বিবৃতি দিলেও দিতে পারে।
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড ও অগ্রগতি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ছয় মাস বা ১৮০ দিন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই জনগণের সামনে সরকারের অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, রেলপথ সম্প্রসারণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ইশতেহারে ঘোষিত আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রিক কমিউটার’ নামের নতুন এক জোড়া ট্রেন চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৮০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কী করছে, তার মূল্যায়ন চলছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীদের সমন্বয়ে এজন্য একটি কমিটি রয়েছে। তিনি নিজেও ওই কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সবকিছু যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ১৮০ দিন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই জনগণের সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে এক বছরের আলোচনার পর সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের আট হাজার ৪২৮টি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার এক হাজার ৫৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে একই সুবিধা পাবে।
পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ ব্যবহারে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, শুধু চাপ প্রয়োগ বা জরিমানা করে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিটিএমসি) মাধ্যমে তৈরি নয় হাজার পাটের গ্রোসারি ব্যাগ স্বল্পমূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, পলিথিন বা প্লাস্টিকের তুলনায় পাটের ব্যাগ হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে সবার কাছে বেশি সুবিধাজনক মনে নাও হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে পলিথিন ও প্লাস্টিকের ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে জনগণ এ বিষয়ে সহযোগিতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটি শুধু সরকারের জন্য নয়, বরং নিজেদের জন্যই করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি মিল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন করেছে।
তিনি বলেন, বছরের পর বছর সরকারি মিল-কারখানাগুলো ভর্তুকি দিয়ে চালাতে গিয়ে জনগণের অর্থের এক ধরনের অপচয় হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত হলো এসব প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বই সবচেয়ে ভালো বিকল্প।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিলেট সিটি করপোরেশন জেলায় প্রথম বায়ো-ড্রাইং প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে। এটি চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
বর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি প্ল্যান্টটি একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিল নার্সারিতে ২ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন রেণুপোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। এটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের সংখ্যা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর আওতায় আইন বাস্তবায়নে ৩১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ১৭৫টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সামাজিক সুরক্ষাখাতে নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পরীক্ষামূলক পাইলটিংয়ের অংশ হিসেবে গত ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হয়। জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৭০ হাজার ৮৬১টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহ শেষে আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা সম্প্রতি বিমানের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় মন্ত্রণালয় ও সরকারের পক্ষ থেকে আগেই যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিমানের প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ ইউরোপীয় অংশীদারের কাছে না থাকায় বাংলাদেশ থেকে সেটি নিয়ে যেতে হয়েছিল। এ কারণেই সংকট তৈরি হয়। পাশাপাশি ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত কারণে যাত্রীরা বিমানবন্দরের বাইরে যেতে পারেননি। এতে তাদের অত্যন্ত কষ্ট হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা যাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।
সরকারের ১৮০ দিন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতির সামনে ভাষণ দেবেন কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর জনগণের সামনে তুলে ধরার সম্ভাবনা আছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
সাকিব আল হাসান দেশে ফিরলে তার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা আছে কি না? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সাকিব আল হাসান যদি দেশে আসেন, আপনার কি মনে হয় উনি নিরাপত্তাহীন থাকবেন? আপনি তো জবাবটা দিন।
এরপর সাকিবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, মানে, ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন। উনি একজন নষ্ট, পচে যাওয়া মানুষ। যে মানুষ হাসিনার সাথে অ্যালাইনড হয় এবং এখনও অ্যালাইনড থাকেন সে ৫ তারিখেও তো তার বক্তব্যও এসেছে।
সাকিব দেশে ফিরে তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার মুখোমুখি হলে সরকার তাকে নিরাপত্তা দেবে জানিয়ে তিনি বলেন, উনি বাংলাদেশে আসবেন মামলা ফেস করার জন্য, আইন ফেস করার জন্য, বিচার ফেস করার জন্য। উনি এয়ারপোর্টে নামলে কি লোকজন মব করে তার কিছু করে ফেলবে? উনি কি সেটা মনে করেন? আমরা কেউ মনে করি? নো ওয়ে!
তিনি আরো বলেন, উনি আসবেন এবং উনি নিরাপত্তার মাধ্যমেই ফেস করবেন উনার যা যা অভিযোগ আছে এবং সেখানে যা যা আইনগত ব্যাপার আছে সব তিনি মেনে নিয়ে যদি আসেন, কোনো সমস্যা আমি দেখি না।
সাকিবের বক্তব্যকে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই প্রত্যেকটা কথা আসলে আমাদের এই সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা। মানে যে মানুষটা স্টিল হাসিনার সাথে অ্যালাইনড হয়ে কথা বলে সেগুলো বলবে, উই ডোন্ট কেয়ার।
শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাসিনাও যদি বাংলাদেশে আসেন উনি তো বলছেন বিচারালয়ে আসবেন আমি বহুবার বলেছি, তিনি যদি আসেন পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে তিনি আসবেন, পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ায় যাবেন, পূর্ণ অধিকার ভোগ করবেন বিচারিক প্রক্রিয়ায় যা যা করা দরকার। তারপর আদালত যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা আমরা সবাই মেনে নেব।
দেশে আর কোনো ‘মাফিয়া রেজিম’ দেখতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা হাসিনার মতো একটা মাফিয়া রেজিম এই দেশে আর দেখতে চাই না, এটা ভবিষ্যতেও হতে দেব না। কোনো ফ্যাসিস্ট মাফিয়া রেজিম না।
তিনি আরও বলেন, এটা একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, এখানে সবচেয়ে বীভৎস অপরাধীটাও তার নাগরিক অধিকার যা যা পাওয়ার, সাংবিধানিক অধিকার যা যা পাওয়ার সেটা সাকিব আল হাসান হোক, সেটা হাসিনা হোক তারা পাবেন। দ্যাটস ফর সিওর।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















