যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন : ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেন, যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। এই সামাজিক আন্দোলনে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবার সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী আইসিডিডিআরবির সাসাকাওয়া অডিটোরিয়ামে স্টপ টিবি পার্টনারশিপ, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইসিডিডিআরবির উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্ট্রেনদেনিং টিবি পাবলিক-প্রাইভেট মিক্স ফর এনহ্যান্সড পলিসি এডভোকেসি এন্ড প্রাইভেট সেক্টর এনগেজমেন্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আইসিডিডিআর,বি-র সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের উদ্যোগে এরইমধ্যেই ‘সংসদীয় যক্ষ্মা ককাস’ গঠন করা হয়েছে। এই সংসদীয় প্ল্যাটফর্মটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যক্ষ্মা প্রতিরোধে প্রাসঙ্গিক লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বাস করি, সবার ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা যক্ষ্মাকে পরাজিত করবো।

শামসুল হক টুকু বলেন, বাংলাদেশে ধীরে ধীরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও রোগের ভয়াবহতা কমে আসছে। সঠিক পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে যেতে পারলে দ্রুতই সময়ের মধ্য যক্ষ্মা নির্মূল হবে।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য খাতের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি কোভিডকে বিচক্ষণতা ও সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করেছেন। তার নেতৃত্বে আমরা টিবিসহ সকল রোগকেই সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে চাই। যক্ষ্মা রোধে আইসিডিডিআরবি ও স্টপ টিবি পার্টনারশিপের গৃহীত কার্যক্রম প্রশংসনীয়।

শামসুল হক টুকু বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এবং স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সুস্থ থাকতে আমাদের রোগ প্রতিকারের সাথে সাথে প্রতিরোধ গড়তে হবে। জনগণকে সুস্থ রাখতে না পারলে আমাদের সব উন্নয়ন বৃথা যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচাক ড. মিরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা, ইউএসএইডের উপ অফিস পরিচালক মিস মিরান্ডা ব্যাকমেন এবং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর লাইন ডিরেক্টর ড. মো. মাহফুজুর রহমান সরকার বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ এবং সমাপনী বক্তব্য রাখেন ড. সায়েরা বানু। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ইলিশের উৎপাদন ও স্বাদ ধরে রাখতে নদী খননে জোর সরকারের : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন : ডেপুটি স্পিকার

প্রকাশের সময় : ০৫:০১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেন, যক্ষ্মা রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। এই সামাজিক আন্দোলনে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সবার সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী আইসিডিডিআরবির সাসাকাওয়া অডিটোরিয়ামে স্টপ টিবি পার্টনারশিপ, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইসিডিডিআরবির উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্ট্রেনদেনিং টিবি পাবলিক-প্রাইভেট মিক্স ফর এনহ্যান্সড পলিসি এডভোকেসি এন্ড প্রাইভেট সেক্টর এনগেজমেন্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আইসিডিডিআর,বি-র সহযোগিতায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের উদ্যোগে এরইমধ্যেই ‘সংসদীয় যক্ষ্মা ককাস’ গঠন করা হয়েছে। এই সংসদীয় প্ল্যাটফর্মটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যক্ষ্মা প্রতিরোধে প্রাসঙ্গিক লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি বিশ্বাস করি, সবার ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা যক্ষ্মাকে পরাজিত করবো।

শামসুল হক টুকু বলেন, বাংলাদেশে ধীরে ধীরে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও রোগের ভয়াবহতা কমে আসছে। সঠিক পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে যেতে পারলে দ্রুতই সময়ের মধ্য যক্ষ্মা নির্মূল হবে।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তার আদর্শ ধারণ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্য খাতের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। তিনি কোভিডকে বিচক্ষণতা ও সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করেছেন। তার নেতৃত্বে আমরা টিবিসহ সকল রোগকেই সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে চাই। যক্ষ্মা রোধে আইসিডিডিআরবি ও স্টপ টিবি পার্টনারশিপের গৃহীত কার্যক্রম প্রশংসনীয়।

শামসুল হক টুকু বলেন, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এবং স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সুস্থ থাকতে আমাদের রোগ প্রতিকারের সাথে সাথে প্রতিরোধ গড়তে হবে। জনগণকে সুস্থ রাখতে না পারলে আমাদের সব উন্নয়ন বৃথা যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচাক ড. মিরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা, ইউএসএইডের উপ অফিস পরিচালক মিস মিরান্ডা ব্যাকমেন এবং যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর লাইন ডিরেক্টর ড. মো. মাহফুজুর রহমান সরকার বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ এবং সমাপনী বক্তব্য রাখেন ড. সায়েরা বানু। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।