নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বৈধভাবে ইজারা দেওয়া হাট বা নির্ধারিত হাট ছাড়া অন্য কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। কেউ অতিরিক্ত সুবিধার জন্য অবৈধভাবে কেনা-বেচা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।
বুধবার (২০ মে) গুলশানে ডিএনসিসির নগরভবনে কোরবানির হাট ব্যবস্থাপনায় ইজারাদারসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভায় তিনি একথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর হাট নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ দিনের জন্য বসবে, এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।
শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং তারা যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবেন। পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদার ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে গরু বিক্রেতার কাছ থেকে আর কোনো টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। পাশাপাশি হাটের প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে সরিয়ে ফেলতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।
প্রশাসক বলেন, পরিবারের নারী ও ছোট বাচ্চারা এখন হাটে যায়। তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া মা বোনদের জন্য হাটে পিংক টয়লেট বসাতে ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে সে ব্যবস্থা করতেও ইজারাদারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























