ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে শেষের নির্দেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭৮ জন দেখেছেন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক  : 

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময় ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাঠপর্যায়ের কাজের বর্তমান অবস্থা, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সেতু সচিব বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, নিয়মিত তদারকি এবং প্রকল্পের আরডিপিপি অনুমোদনের ফলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

সচিব আব্দুর রউফ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে। সাভার, আশুলিয়া, বাইপাইল ও ইপিজেড এলাকার সঙ্গে ঢাকার প্রবেশগম্যতা সহজ হবে এবং সামগ্রিক যানজট নিরসনে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মহানগরীর যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে।

সভায় নির্মাণাধীন এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া অবশিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ দ্রুত চূড়ান্ত করা এবং পাইপলাইন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগের ভূগর্ভস্থ ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কাজের মান ও গতি পর্যবেক্ষণে নিয়মিত প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটি, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যৌথ সাইট ভিজিট এবং মাসিক সমন্বয় সভা আয়োজনের পরামর্শও দেওয়া হয়।

সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক, প্রকল্প পরামর্শক এবং সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নেত্রকোনায় পিকআপভ্যান-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৪

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে : ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে শেষের নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

‎নিজস্ব প্রতিবেদক  : 

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময় ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মাঠপর্যায়ের কাজের বর্তমান অবস্থা, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সেতু সচিব বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, নিয়মিত তদারকি এবং প্রকল্পের আরডিপিপি অনুমোদনের ফলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

সচিব আব্দুর রউফ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হবে। সাভার, আশুলিয়া, বাইপাইল ও ইপিজেড এলাকার সঙ্গে ঢাকার প্রবেশগম্যতা সহজ হবে এবং সামগ্রিক যানজট নিরসনে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মহানগরীর যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে।

সভায় নির্মাণাধীন এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া অবশিষ্ট ভূমি অধিগ্রহণ দ্রুত চূড়ান্ত করা এবং পাইপলাইন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগের ভূগর্ভস্থ ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কাজের মান ও গতি পর্যবেক্ষণে নিয়মিত প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটি, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যৌথ সাইট ভিজিট এবং মাসিক সমন্বয় সভা আয়োজনের পরামর্শও দেওয়া হয়।

সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক, প্রকল্প পরামর্শক এবং সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।