কুষ্টিয়ায় পৃথক বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি : 

কুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলায় ও কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুরে পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আরোজ আলী (২৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার পর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে প্রচণ্ড মেঘের গর্জন শুরু হয়। এ সময় আরোজ আলী বাড়ির পাশের বিলের ধারে বসে ছিলেন। আকস্মিক তার ওপর বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

বজ্রপাতের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আরোজ আলীকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে আরোজ আলী নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে তিনি বজ্রপাতেই মারা গেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলায় মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে দহকোলা কারিগর পাড়া ও জোতপাড়ার তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দহকুলা কারিগর পাড়ার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. রওশন আলী নুশু (৪৫) মারা যান।

এ ঘটনায় আরও আহত হন- একই গ্রামের মৃত হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী এবং জোতপাড়ার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল।

তারা বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রপাতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কুষ্টিয়ায় পৃথক বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি : 

কুষ্টিয়ায় বজ্রপাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলায় ও কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুরে পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

দৌলতপুর উপজেলার রিফাইতপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আরোজ আলী (২৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার পর থেকেই মুষলধারে বৃষ্টির সঙ্গে প্রচণ্ড মেঘের গর্জন শুরু হয়। এ সময় আরোজ আলী বাড়ির পাশের বিলের ধারে বসে ছিলেন। আকস্মিক তার ওপর বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

বজ্রপাতের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আরোজ আলীকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে আরোজ আলী নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে তিনি বজ্রপাতেই মারা গেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দহকোলায় মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে দহকোলা কারিগর পাড়া ও জোতপাড়ার তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দহকুলা কারিগর পাড়ার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. রওশন আলী নুশু (৪৫) মারা যান।

এ ঘটনায় আরও আহত হন- একই গ্রামের মৃত হারেজ আলীর ছেলে সমেজ আলী এবং জোতপাড়ার মৃত ছলিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল।

তারা বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকির হোসেন বজ্রপাতে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।