ওয়ারীতে করোনা রোগীদের বাসায় মেয়রের ফলের ঝুড়ি

লকডাউনে থাকা ওয়ারী এলাকার করোনা রোগীদের বাসায় ফলের ঝুড়ি পাঠাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সংবাদ মাধ্যমে ডিএসসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছেরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তাদের আরোগ্য কামনায় ডিএসসিসি মেয়রের এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ৪১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলোর তত্ত্বাবধানে এবং আইইডিসিআর-এর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে স্বেচ্ছাসেবীরা করোনা রোগীদের বাসায় বাসায় এই ফলের ঝুড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন। আনারস, মালটা, জাম্বুরা, আমলকী, পেয়ারা, আমড়া, লেবু ও আম—এই ৮ ধরণের ফল দিয়ে প্রতিটি ঝুড়ি সাজানো হয়েছে।

গত ৪ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ওয়ারীর সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ২১ দিনের জন্য লকডাউন করা হয়। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ওই এলাকায় ৭৭ জন করোনা রোগী রয়েছেন। তার মধ্যে আজ ৩০ জনের বাসায় ডিএসসিসি মেয়রের উপহার সামগ্রী হিসেবে ফলের ঝুড়ি পাঠানো হয়। বাকি রোগীদের বাসায় উপহার সামগ্রী পাঠানো হবে। লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত যারা নতুন করে আক্রান্ত হবেন তাদের বাসায়ও ডিএসসিসি মেয়রের উপহার হিসেবে ফলের ঝুড়ি পাঠানো অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া লকডাউন এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিদিন ৬০০ মানুষের কাছে তিন বেলা খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিদিন ৩০০ পরিবারের জন্য বিনামূল্যে সবজি সরবরাহ করা হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : পানিসম্পদমন্ত্রী

ওয়ারীতে করোনা রোগীদের বাসায় মেয়রের ফলের ঝুড়ি

প্রকাশের সময় : ০৩:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

লকডাউনে থাকা ওয়ারী এলাকার করোনা রোগীদের বাসায় ফলের ঝুড়ি পাঠাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সংবাদ মাধ্যমে ডিএসসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছেরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে তাদের আরোগ্য কামনায় ডিএসসিসি মেয়রের এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ৪১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলোর তত্ত্বাবধানে এবং আইইডিসিআর-এর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে স্বেচ্ছাসেবীরা করোনা রোগীদের বাসায় বাসায় এই ফলের ঝুড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন। আনারস, মালটা, জাম্বুরা, আমলকী, পেয়ারা, আমড়া, লেবু ও আম—এই ৮ ধরণের ফল দিয়ে প্রতিটি ঝুড়ি সাজানো হয়েছে।

গত ৪ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ওয়ারীর সুনির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ২১ দিনের জন্য লকডাউন করা হয়। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ওই এলাকায় ৭৭ জন করোনা রোগী রয়েছেন। তার মধ্যে আজ ৩০ জনের বাসায় ডিএসসিসি মেয়রের উপহার সামগ্রী হিসেবে ফলের ঝুড়ি পাঠানো হয়। বাকি রোগীদের বাসায় উপহার সামগ্রী পাঠানো হবে। লকডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত যারা নতুন করে আক্রান্ত হবেন তাদের বাসায়ও ডিএসসিসি মেয়রের উপহার হিসেবে ফলের ঝুড়ি পাঠানো অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া লকডাউন এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি প্রতিদিন ৬০০ মানুষের কাছে তিন বেলা খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং প্রতিদিন ৩০০ পরিবারের জন্য বিনামূল্যে সবজি সরবরাহ করা হচ্ছে।