‘এ দেশে‌ সন্ত্রাসবাদের ঠাঁই হবে না’

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ১১:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২
  • ২৮২ জন দেখেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কাউকে সন্ত্রাসবাদের জন্য তার মাটি ব্যবহার করতে দেবে না। সকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাশেলে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাসী, কারো সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। বৈঠকে তাঁরা বর্তমান বিশ্ব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং বলেন চলমান করোনা মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে সংকট তৈরি করেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক তা মিয়ানমার অস্বীকার করে না। তবে, তারা এখনও তাদের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে সাড়া দেয়নি।

পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের হত্যাকান্ডের কথা উল্লে­খ করে তিনি বলেন, সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার পর দীর্ঘ সামরিক শাসনামলে বাংলাদেশে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছিলো।

তিনি বলেন, জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চাইতেও বাধা দিয়েছিলো তখনকার সামরিক সরকারগুলো। এসময়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে ব্যাশেলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১১ কর্মকর্তাকে বদলি

‘এ দেশে‌ সন্ত্রাসবাদের ঠাঁই হবে না’

প্রকাশের সময় : ১১:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কাউকে সন্ত্রাসবাদের জন্য তার মাটি ব্যবহার করতে দেবে না। সকালে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাশেলে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাসী, কারো সাথে যুদ্ধ করতে চায় না। বৈঠকে তাঁরা বর্তমান বিশ্ব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং বলেন চলমান করোনা মহামারী, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে সংকট তৈরি করেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক তা মিয়ানমার অস্বীকার করে না। তবে, তারা এখনও তাদের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে সাড়া দেয়নি।

পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের হত্যাকান্ডের কথা উল্লে­খ করে তিনি বলেন, সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার পর দীর্ঘ সামরিক শাসনামলে বাংলাদেশে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছিলো।

তিনি বলেন, জাতির পিতা ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচার চাইতেও বাধা দিয়েছিলো তখনকার সামরিক সরকারগুলো। এসময়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে ব্যাশেলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।