আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মেসি

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :

অবশেষে অবসান হলো বিশ্ব ফুটবলের এক সোনালী ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির ৩৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তেদের হয়ে এক বর্ণিল ও গৌরবোজ্জ্বল যুগের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেছেন এই মহাতারকা।

সবশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের দুই দিন পর জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। এর এক মাসের বেশি সময় পর তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার প্রকাশ করেছেন তার সিদ্ধান্ত।

বিদায়ী বার্তায় ৩৯ বছর বয়সী মেসি লিখেছেন, ‘ফাইনালের পর এতদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবনাচিন্তার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি…।’

তিনি যোগ করেছেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি আমার অন্তরে ভীষণ আঘাত করেছে এবং এখনও করছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি যে, এটাই উপযুক্ত সময়। আমি শপথ করে বলছি, আমি সব সময় নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি— শুধু গত কয়েক বছরের কথা বলছি না, যখন আমরা সবকিছু জিতেছি। বরং সব সময়ই এই জার্সির জন্য লড়েছি এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি— ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের আনন্দ দিতে এবং আর্জেন্টাইন হিসেবে আপনাদের গর্বিত করতে।’

ক্যারিয়ারের শেষবেলায় থাকা মেসির মতে, আর্জেন্টিনাকে দেওয়ার কিছু বাকি নেই তার, ‘আর খুব বেশি কিছু বাকি নেই, জীবনের একেকটা অধ্যায় শেষ হয়ে আসছে। আর এই অধ্যায়টির সমাপ্তি আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। জাতীয় দলের অংশ হওয়াকে আমি ভালোবেসেছি, ভালোবেসেছি এবং সারাজীবন ভালোবেসে যাব। আমি নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি, আমার আর দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তাছাড়া, অসাধারণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যারা এখন জাতীয় দলে থাকার যোগ্য।’

কাতারের মাটিতে ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো মেসি জানিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলা করবেন, ‘বিগত ২০ বছরের সব ভালোবাসার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ। মাঠের ভেতর থেকে গ্যালারিতে আপনাদের গর্জন ও সমর্থন শোনা খুব মিস করব। এখন থেকে আমি আপনাদেরই একজন হয়ে উঠব, বাইরে থেকেই সব সময় দলকে নিয়ে উল্লাস করব এবং সমর্থন দিয়ে যাব (ভালো সময়ে তো বটেই, দুঃসময়ে আরও অনেক বেশি)।’

পরিবার, সতীর্থ ও কোচদের ধন্যবাদ দিয়েছেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘আমার পরিবারকে ধন্যবাদ সব সময় পাশে থাকার জন্য, সুন্দর কিন্তু কঠিন এই যাত্রায় আমার সঙ্গী হওয়ার জন্য। ধন্যবাদ জানাই আমার প্রতিটি কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের, যাদের সাথে কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছে। আমি সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি অসাধারণ সব স্মৃতি এবং একসাথে কাটানো অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো।’

ভক্ত-সমর্থকদের প্রতি মেসির বার্তা, ‘আমার সতীর্থদের সাথে মিলে আপনাদের স্বপ্নের মতো কিছু মুহূর্ত উপহার দিতে পারার শান্তি ও গর্ব নিয়ে আমি বিদায় নিচ্ছি। আপনাদের সাথে এই পথচলা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল। আমি আপনাদের ভালোবাসি!’

জন্মভূমি আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসার কথা অকপটে তুলে ধরেছেন তিনি, ‘হে ঈশ্বর, আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা!’

সবশেষে মেসি লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি লিখেছিলাম গত ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আমার বাবার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার (মৃত্যু) পর, আমি আগের চেয়েও এই বিষয়ে (জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়া) বেশি নিশ্চিত।’

২০০৫ সালের আগস্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে ২১ বছরে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন মেসি। তার ঝুলিতে রয়েছে ৮টি ব্যালন ডি’অর এবং রেকর্ড সংখ্যক দলীয় ও ব্যক্তিগত অর্জন।

মেসির শিরোপা জয় শুরু ২০২১ সাল থেকে। ২০২১ থেকে ২০২৪—এই চার বছরে মেসি জিতেছেন দুটি কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ।

জাতীয় দলের জার্সিতে কিছুই জিততে পারেন না—সমর্থকদের এই অপবাদ মাথায় নিয়ে ২০১৬ কোপা আমেরিকা ফাইনালে হারের পর অভিমানে একবার অবসর ঘোষণা করেছিলেন মেসি। কিন্তু পরে ফিরে এসে ক্যারিয়ারের শেষ অর্ধে সব অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন।

আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন মেসি। দেশটির জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তো বটেই, আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও গোল করায় এগিয়ে শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

এক পঞ্জিকা বর্ষে সর্বোচ্চ গোল

২০১২ সালে ক্লাব ও দেশের হয়ে এক বছরে ৯১টি গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট

রেকর্ড ৬ বার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জয়ের অনন্য কীর্তি তার। বিশ্বকাপ ও আন্তর্জাতিক রেকর্ডবিশ্বকাপে সর্বাধিক ম্যাচ

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড মেসির দখলে।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট

ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপের মূল পর্বে সবচেয়ে বেশি গোলে সহায়তা করার রেকর্ডও তার।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট

পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতা তিনি।

কোপা আমেরিকা রেকর্ড

টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড মেসির।

ক্লাব ও লিগ রেকর্ডলা লিগায় সর্বোচ্চ গোল

বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় ৪৭৪টি গোল করে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।

লা লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল

২০১১-১২ মৌসুমে লা লিগায় একাই ৫০টি গোল করেছিলেন মেসি।

পিচিচি ট্রফি

রেকর্ড ৮ বার লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পিচিচি ট্রফি জয়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১১ কর্মকর্তাকে বদলি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মেসি

প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক :

অবশেষে অবসান হলো বিশ্ব ফুটবলের এক সোনালী ও ঐতিহাসিক অধ্যায়ের। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন দলটির ৩৯ বছর বয়সী কিংবদন্তি অধিনায়ক লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তেদের হয়ে এক বর্ণিল ও গৌরবোজ্জ্বল যুগের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেছেন এই মহাতারকা।

সবশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের দুই দিন পর জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মেসি। এর এক মাসের বেশি সময় পর তর্কসাপেক্ষে সর্বকালের সেরা এই ফুটবলার প্রকাশ করেছেন তার সিদ্ধান্ত।

বিদায়ী বার্তায় ৩৯ বছর বয়সী মেসি লিখেছেন, ‘ফাইনালের পর এতদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবনাচিন্তার পর, আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, আমি জাতীয় দল থেকে অবসর নিচ্ছি…।’

তিনি যোগ করেছেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি আমার অন্তরে ভীষণ আঘাত করেছে এবং এখনও করছে। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি যে, এটাই উপযুক্ত সময়। আমি শপথ করে বলছি, আমি সব সময় নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি— শুধু গত কয়েক বছরের কথা বলছি না, যখন আমরা সবকিছু জিতেছি। বরং সব সময়ই এই জার্সির জন্য লড়েছি এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছি— ফুটবলের মাধ্যমে আপনাদের আনন্দ দিতে এবং আর্জেন্টাইন হিসেবে আপনাদের গর্বিত করতে।’

ক্যারিয়ারের শেষবেলায় থাকা মেসির মতে, আর্জেন্টিনাকে দেওয়ার কিছু বাকি নেই তার, ‘আর খুব বেশি কিছু বাকি নেই, জীবনের একেকটা অধ্যায় শেষ হয়ে আসছে। আর এই অধ্যায়টির সমাপ্তি আমাকে ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে। জাতীয় দলের অংশ হওয়াকে আমি ভালোবেসেছি, ভালোবেসেছি এবং সারাজীবন ভালোবেসে যাব। আমি নিজেকে নিংড়ে দিয়েছি, আমার আর দেওয়ার মতো কিছুই নেই। তাছাড়া, অসাধারণ কিছু তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে, যারা এখন জাতীয় দলে থাকার যোগ্য।’

কাতারের মাটিতে ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো মেসি জানিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে খেলা করবেন, ‘বিগত ২০ বছরের সব ভালোবাসার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ। মাঠের ভেতর থেকে গ্যালারিতে আপনাদের গর্জন ও সমর্থন শোনা খুব মিস করব। এখন থেকে আমি আপনাদেরই একজন হয়ে উঠব, বাইরে থেকেই সব সময় দলকে নিয়ে উল্লাস করব এবং সমর্থন দিয়ে যাব (ভালো সময়ে তো বটেই, দুঃসময়ে আরও অনেক বেশি)।’

পরিবার, সতীর্থ ও কোচদের ধন্যবাদ দিয়েছেন রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘আমার পরিবারকে ধন্যবাদ সব সময় পাশে থাকার জন্য, সুন্দর কিন্তু কঠিন এই যাত্রায় আমার সঙ্গী হওয়ার জন্য। ধন্যবাদ জানাই আমার প্রতিটি কোচ, সতীর্থ ও কর্মকর্তাদের, যাদের সাথে কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছে। আমি সাথে করে নিয়ে যাচ্ছি অসাধারণ সব স্মৃতি এবং একসাথে কাটানো অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো।’

ভক্ত-সমর্থকদের প্রতি মেসির বার্তা, ‘আমার সতীর্থদের সাথে মিলে আপনাদের স্বপ্নের মতো কিছু মুহূর্ত উপহার দিতে পারার শান্তি ও গর্ব নিয়ে আমি বিদায় নিচ্ছি। আপনাদের সাথে এই পথচলা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল। আমি আপনাদের ভালোবাসি!’

জন্মভূমি আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসার কথা অকপটে তুলে ধরেছেন তিনি, ‘হে ঈশ্বর, আমাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা!’

সবশেষে মেসি লিখেছেন, ‘এই কথাগুলো আমি লিখেছিলাম গত ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আমার বাবার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার (মৃত্যু) পর, আমি আগের চেয়েও এই বিষয়ে (জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়া) বেশি নিশ্চিত।’

২০০৫ সালের আগস্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে ২১ বছরে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন মেসি। তার ঝুলিতে রয়েছে ৮টি ব্যালন ডি’অর এবং রেকর্ড সংখ্যক দলীয় ও ব্যক্তিগত অর্জন।

মেসির শিরোপা জয় শুরু ২০২১ সাল থেকে। ২০২১ থেকে ২০২৪—এই চার বছরে মেসি জিতেছেন দুটি কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ।

জাতীয় দলের জার্সিতে কিছুই জিততে পারেন না—সমর্থকদের এই অপবাদ মাথায় নিয়ে ২০১৬ কোপা আমেরিকা ফাইনালে হারের পর অভিমানে একবার অবসর ঘোষণা করেছিলেন মেসি। কিন্তু পরে ফিরে এসে ক্যারিয়ারের শেষ অর্ধে সব অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন।

আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন মেসি। দেশটির জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তো বটেই, আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও গোল করায় এগিয়ে শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

এক পঞ্জিকা বর্ষে সর্বোচ্চ গোল

২০১২ সালে ক্লাব ও দেশের হয়ে এক বছরে ৯১টি গোল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।

ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট

রেকর্ড ৬ বার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জয়ের অনন্য কীর্তি তার। বিশ্বকাপ ও আন্তর্জাতিক রেকর্ডবিশ্বকাপে সর্বাধিক ম্যাচ

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড মেসির দখলে।

বিশ্বকাপে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট

ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপের মূল পর্বে সবচেয়ে বেশি গোলে সহায়তা করার রেকর্ডও তার।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক অ্যাসিস্ট

পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতা তিনি।

কোপা আমেরিকা রেকর্ড

টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ড মেসির।

ক্লাব ও লিগ রেকর্ডলা লিগায় সর্বোচ্চ গোল

বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় ৪৭৪টি গোল করে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি।

লা লিগায় এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল

২০১১-১২ মৌসুমে লা লিগায় একাই ৫০টি গোল করেছিলেন মেসি।

পিচিচি ট্রফি

রেকর্ড ৮ বার লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পিচিচি ট্রফি জয়।