নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশটি। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ভারত বৃহত্তর গণতান্ত্রিক দেশ। আলোচনার মাধ্যমে তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধান করবে বলে আশা করছে ঢাকা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী থেকে ক্ষমতাচ্যুত দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ফোনালাপ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে কোনো তথ্য আসলে সরকার অবশ্যই বিষয়টির তদন্ত করবে।
মার্কিন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোরের বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে দুদেশের সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত হবে বলেও জানান শামা ওবায়েদ ইসলাম।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠিয়েছি।
ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতে ছাত্র আন্দোলন চলছে। দেশটিতে অনেক বাংলাদেশি রয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ আছে কি না? জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে আমাদের এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় থাকুক সেটাই আমরা চাই। একটি গণতান্ত্রিক সরকার ও রাষ্ট্র হিসেবে আমরা আশা করব, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে; তারা তাদের জনগণের অবস্থান দেখবে এবং সমস্যা সমাধানের দিকে দ্রুত আগাবে।
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















