মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • ১৭৯ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :

আলজেরিয়াকে হারিয়ে শিরোপা রাখা মিশনের শুরুটা ভালোই করেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে দ্বিতীয় ম্যাচেও। শুরুতে পেনাল্টি মিসের কারণে কিছুটা হতাশা ছড়িয়েছিল আর্জেন্টিনা শিবিরে। কিন্তু যিনি পেনাল্টি মিস করলেন, সেই লিওনেল মেসিই শেষে করলেন জোড়া গোল। তার দুর্দান্ত দুটি গোলে অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে গেলো আর্জেন্টিনা।

সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে মেসির গোলের প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে আরও একটি গোল করেন এই বিশ্বসেরা ফুটবলার।

এদিকে ইতিহাস গড়ার ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টিও মিস করেছেন মেসি। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অস্ট্রিয়ার ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। শুরুতে রেফারি বাঁশি না বাজালেও মার্তিনেজকে চোটে কাতরাতে দেখে খেলা থামান রেফারি।

এরপর ভিএআর চেকের সিদ্ধান্ত হয়। ভিএআরে চেক করে দেখার পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। তবে দলকে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

স্পটকিক হালকা চালে শট নিলেও তা লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নেওয়া শট চলে যায় গোলপোস্টের ডান দিকে বেশ বাইরে দিয়েই। এর আগে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে গোলের লক্ষ্যে দৌড়েছিলেন মার্তিনেজ। ডি বক্সের ঢোকার পর শট নেওয়ার মুহূর্তে অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডার পেছন থেকে ট্যাকল করেন, এতেই ফাউলের শিকার হন মার্তিনেজ।

পেনাল্টি মিসের পর লিডের দেখা পেতে মরিয়ে হয়েই লড়েছেন মেসিরা। তবে অস্ট্রিয়ার জমাট রক্ষণের সামনে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি তারা। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ এক পাসে মেসিকে বল এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ।

২১ মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি করেন মেসি। কাট-ইন করে ডি-বক্সে ঢুকে পড়লেও ডেভিড আলাবা পেছন থেকে বল স্পর্শ করে দেন। তাতে বল গোলরক্ষক আলেক্সান্ডার শ্লাগারের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। হাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী ছিল আর্জেন্টিনার।

৩৩ মিনিটে গোলের আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ আসে। এনজো ফের্নান্দেসের উদ্দেশে বাড়ানো পাস এগিয়ে এসে আটকে দেন শ্লাগার। তবে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তা সরাসরি মেসির পায়ে তুলে দেন। ফাঁকা পোস্ট লক্ষ্য করে মেসি শট নিলেও আলাবা গোললাইন থেকে নিশ্চিত গোল রুখে দেন।তবে ৩৮ মিনিটে আসে সেই প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।

বাম দিক থেকে আক্রমণের সূচনা করেন মেসি নিজেই। এরপর পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন পোস্টের নিচের বাম কোণে। বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল করে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলেন তিনি। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকেও এনে দেন কাঙ্ক্ষিত লিড। মেসির সেই ঐতিহাসিক গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তেরা।

দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়া একটু বেশি বল পেতে শুরু করে। তবে বল পেলেই যে বিপদ তৈরি হয়, তা নয়। আর্জেন্টিনার রক্ষণ বক্সের সামনে এসে বারবার দেয়াল তুলে দাঁড়ায়। ৫৬ মিনিটে সাবিৎসারের ফ্রি-কিক ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। সেটিই ছিল অস্ট্রিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার সুযোগগুলোর একটি।

৫৯ মিনিটে হাঁটুর সমস্যায় রোমেরোকে তুলে নামানো হয় নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপর রক্ষণে আরও ধার বাড়ায় আর্জেন্টিনা। কিছুক্ষণ পর মাঠে আসেন হুলিয়ান আলভারেস ও নিকোলাস গনসালেস। শেষ দিকে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকেও নামান স্কালোনি।

অস্ট্রিয়াও পরিবর্তন আনে। মার্কো আরনাউতোভিচ, আলেক্সান্ডার প্রাস, মার্কো ফ্রাইডল, প্যাট্রিক ভিমার, কার্নি চুকুয়েমেকাদের নামিয়েও তারা ম্যাচের দরজা খুলতে পারেনি।

৭৪ মিনিটে গঞ্জালেসের হেড পোস্টের বাইরে যায়। মেসি বাম দিক থেকে একটি চমৎকার কর্নার কিকে বল ডি-বক্সে বাড়ান এবং গঞ্জালেস দুর্দান্তভাবে এগিয়ে এসে হেড করেন। চেষ্টাটি দারুণ ছিল এবং বলটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে ঘেঁষে চলে যায়।

দ্বিতীয় গোলের জন্য আর্জেন্টিনা চাপ দিতে থাকে। ম্যাচটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দারুণ সুযোগ এসেছিল গঞ্জালেসের সামনে। কিন্তু অস্ট্রিয়ার ডি-বক্সের ভেতর তার নেওয়া শটটি ব্লক হয়ে যায় ৮৭ মিনিটে।

মেসি শেষ দিকে করেছেন আরেকটি গোল। ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে বাম দিক থেকে আলভারেস বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই আর্জেন্টিনা এক বিধ্বংসী কাউন্টার-অ্যাটাকে ওঠে। তার নেওয়া শটটি শ্লাগার ঠেকিয়ে দিলেও বল চলে যায় মেসির পায়ে, যদিও তখন বেশ কয়েকজন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার গোললাইন আগলে দাঁড়িয়েছিলেন।

মেসির প্রথম প্রচেষ্টাটি সাইওয়াল্ডের গায়ে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু দ্বিতীয় শটে তিনি গোললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা দানসোকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

এই বিশ্বকাপে এটি মেসির পঞ্চম গোল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৮তম। রেকর্ড ভাঙার রাতে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। শেষ মুহূর্তে ফ্রি-কিক থেকেও হ্যাটট্রিকের কাছাকাছি গিয়েছিলেন, তবে বল অল্পের জন্য বাইরে যায়। শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা শিবির। শেষ ৩২ নিশ্চিত করে তারা একরকম উড়তে থাকে।

জে গ্রুপে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়াকেও হারিয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। তাতে জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামার আগেই পরের পর্ব নিশ্চিত করল আলবিসেলেস্তেরা।

.

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

মেসির জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক :

আলজেরিয়াকে হারিয়ে শিরোপা রাখা মিশনের শুরুটা ভালোই করেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে দ্বিতীয় ম্যাচেও। শুরুতে পেনাল্টি মিসের কারণে কিছুটা হতাশা ছড়িয়েছিল আর্জেন্টিনা শিবিরে। কিন্তু যিনি পেনাল্টি মিস করলেন, সেই লিওনেল মেসিই শেষে করলেন জোড়া গোল। তার দুর্দান্ত দুটি গোলে অস্ট্রিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে গেলো আর্জেন্টিনা।

সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাতে মেসির গোলের প্রথমার্ধে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে আরও একটি গোল করেন এই বিশ্বসেরা ফুটবলার।

এদিকে ইতিহাস গড়ার ম্যাচের শুরুতেই পেনাল্টিও মিস করেছেন মেসি। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই অস্ট্রিয়ার ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন লাউতারো মার্তিনেজ। শুরুতে রেফারি বাঁশি না বাজালেও মার্তিনেজকে চোটে কাতরাতে দেখে খেলা থামান রেফারি।

এরপর ভিএআর চেকের সিদ্ধান্ত হয়। ভিএআরে চেক করে দেখার পর পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। আর স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লিওনেল মেসি। তবে দলকে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে দেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

স্পটকিক হালকা চালে শট নিলেও তা লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নেওয়া শট চলে যায় গোলপোস্টের ডান দিকে বেশ বাইরে দিয়েই। এর আগে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে গোলের লক্ষ্যে দৌড়েছিলেন মার্তিনেজ। ডি বক্সের ঢোকার পর শট নেওয়ার মুহূর্তে অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডার পেছন থেকে ট্যাকল করেন, এতেই ফাউলের শিকার হন মার্তিনেজ।

পেনাল্টি মিসের পর লিডের দেখা পেতে মরিয়ে হয়েই লড়েছেন মেসিরা। তবে অস্ট্রিয়ার জমাট রক্ষণের সামনে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি তারা। ম্যাচের ১৯ মিনিটে দারুণ এক পাসে মেসিকে বল এগিয়ে দিয়েছিলেন মার্তিনেজ।

২১ মিনিটে আবারও সুযোগ তৈরি করেন মেসি। কাট-ইন করে ডি-বক্সে ঢুকে পড়লেও ডেভিড আলাবা পেছন থেকে বল স্পর্শ করে দেন। তাতে বল গোলরক্ষক আলেক্সান্ডার শ্লাগারের গায়ে লেগে বিপদমুক্ত হয়। হাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী ছিল আর্জেন্টিনার।

৩৩ মিনিটে গোলের আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ আসে। এনজো ফের্নান্দেসের উদ্দেশে বাড়ানো পাস এগিয়ে এসে আটকে দেন শ্লাগার। তবে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তা সরাসরি মেসির পায়ে তুলে দেন। ফাঁকা পোস্ট লক্ষ্য করে মেসি শট নিলেও আলাবা গোললাইন থেকে নিশ্চিত গোল রুখে দেন।তবে ৩৮ মিনিটে আসে সেই প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।

বাম দিক থেকে আক্রমণের সূচনা করেন মেসি নিজেই। এরপর পেনাল্টি বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন পোস্টের নিচের বাম কোণে। বিশ্বকাপে নিজের ১৭তম গোল করে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলেন তিনি। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকেও এনে দেন কাঙ্ক্ষিত লিড। মেসির সেই ঐতিহাসিক গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তেরা।

দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়া একটু বেশি বল পেতে শুরু করে। তবে বল পেলেই যে বিপদ তৈরি হয়, তা নয়। আর্জেন্টিনার রক্ষণ বক্সের সামনে এসে বারবার দেয়াল তুলে দাঁড়ায়। ৫৬ মিনিটে সাবিৎসারের ফ্রি-কিক ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। সেটিই ছিল অস্ট্রিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার সুযোগগুলোর একটি।

৫৯ মিনিটে হাঁটুর সমস্যায় রোমেরোকে তুলে নামানো হয় নিকোলাস ওতামেন্দিকে। এরপর রক্ষণে আরও ধার বাড়ায় আর্জেন্টিনা। কিছুক্ষণ পর মাঠে আসেন হুলিয়ান আলভারেস ও নিকোলাস গনসালেস। শেষ দিকে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকোকেও নামান স্কালোনি।

অস্ট্রিয়াও পরিবর্তন আনে। মার্কো আরনাউতোভিচ, আলেক্সান্ডার প্রাস, মার্কো ফ্রাইডল, প্যাট্রিক ভিমার, কার্নি চুকুয়েমেকাদের নামিয়েও তারা ম্যাচের দরজা খুলতে পারেনি।

৭৪ মিনিটে গঞ্জালেসের হেড পোস্টের বাইরে যায়। মেসি বাম দিক থেকে একটি চমৎকার কর্নার কিকে বল ডি-বক্সে বাড়ান এবং গঞ্জালেস দুর্দান্তভাবে এগিয়ে এসে হেড করেন। চেষ্টাটি দারুণ ছিল এবং বলটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে ঘেঁষে চলে যায়।

দ্বিতীয় গোলের জন্য আর্জেন্টিনা চাপ দিতে থাকে। ম্যাচটি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দারুণ সুযোগ এসেছিল গঞ্জালেসের সামনে। কিন্তু অস্ট্রিয়ার ডি-বক্সের ভেতর তার নেওয়া শটটি ব্লক হয়ে যায় ৮৭ মিনিটে।

মেসি শেষ দিকে করেছেন আরেকটি গোল। ইনজুরি টাইমের পঞ্চম মিনিটে বাম দিক থেকে আলভারেস বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই আর্জেন্টিনা এক বিধ্বংসী কাউন্টার-অ্যাটাকে ওঠে। তার নেওয়া শটটি শ্লাগার ঠেকিয়ে দিলেও বল চলে যায় মেসির পায়ে, যদিও তখন বেশ কয়েকজন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার গোললাইন আগলে দাঁড়িয়েছিলেন।

মেসির প্রথম প্রচেষ্টাটি সাইওয়াল্ডের গায়ে লেগে ফিরে আসে। কিন্তু দ্বিতীয় শটে তিনি গোললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা দানসোকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

এই বিশ্বকাপে এটি মেসির পঞ্চম গোল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৮তম। রেকর্ড ভাঙার রাতে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। শেষ মুহূর্তে ফ্রি-কিক থেকেও হ্যাটট্রিকের কাছাকাছি গিয়েছিলেন, তবে বল অল্পের জন্য বাইরে যায়। শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা শিবির। শেষ ৩২ নিশ্চিত করে তারা একরকম উড়তে থাকে।

জে গ্রুপে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়াকেও হারিয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। তাতে জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামার আগেই পরের পর্ব নিশ্চিত করল আলবিসেলেস্তেরা।

.