Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক কলহে স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : 

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মারুফা আক্তার (২৭) নামে এক নার্সকে নির্যাতনের একপর্যায়ে হাত পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন তার পাষণ্ড স্বামী। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী আরিফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে মদন পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডে একটি বাসায় এমন ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী মারুফা আক্তার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়। আর মারুফা আক্তার নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে তারা বিয়ে করেন। গত ৬ মাস আগে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসাবে যোগদান করেন মারুফা। যোগদানের পর থেকেই পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডের এক ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে ওই দম্পতির। প্রায় সময়েই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে আরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী মারুফা আক্তারের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জানান, কলেজ থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত তাকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি। কিন্তু দিন দিন আমার ওপর তার নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছে। স্ত্রীর নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে তাকে আঘাত করেছি।

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নূরুল হুদা খান জানান, মারুফাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামী আরিফুলকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, খবর পেয়ে আরিফুল ইসলামকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবহাওয়া

প্রতিশোধ-প্রতিহিংসা কিংবা অযথা বিতর্ক নয়, জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি : প্রধানমন্ত্রী

পারিবারিক কলহে স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দিলেন স্বামী

প্রকাশের সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : 

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মারুফা আক্তার (২৭) নামে এক নার্সকে নির্যাতনের একপর্যায়ে হাত পায়ের রগ কেটে দিয়েছেন তার পাষণ্ড স্বামী। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী আরিফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে মদন পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডে একটি বাসায় এমন ঘটনা ঘটেছে।

ভুক্তভোগী মারুফা আক্তার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা গেছে, আরিফুল ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়। আর মারুফা আক্তার নেত্রকোনা সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে তারা বিয়ে করেন। গত ৬ মাস আগে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসাবে যোগদান করেন মারুফা। যোগদানের পর থেকেই পৌরসদরের বাড়িভাদেরা রোডের এক ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। ৭ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে ওই দম্পতির। প্রায় সময়েই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে আরিফুল ইসলাম তার স্ত্রী মারুফা আক্তারের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম জানান, কলেজ থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত তাকে আমি লেখাপড়া করিয়েছি। কিন্তু দিন দিন আমার ওপর তার নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছে। স্ত্রীর নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে তাকে আঘাত করেছি।

মদন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার নূরুল হুদা খান জানান, মারুফাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামী আরিফুলকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, খবর পেয়ে আরিফুল ইসলামকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।