৬ জুনের আগে ইউপি নির্বাচন শেষ করতে হবে : ইসি সানাউল্লাহ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭৬ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগামী বছরের ৬ জুনের আগে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করতে হবে। তবে নির্বাচন শুরুর সময় নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশন সভায় আলোচনা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। তবে সভায় ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশনার।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পুলিশের আইজিপিসহ ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ব্যাপারে আজকের সভায় আমি যদি এক লাইনে কনক্লুশন বলি—সবাই সম্মত হয়েছেন যে আমাদের এই নির্বাচনটা পারতপক্ষে ৬ জুনের আগেই সম্পন্ন করতে হবে, এইচএসসি পরীক্ষার আগে। বন্যার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে যে প্রভাব পড়েছে, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ও রয়েছে। তাই পরীক্ষা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা বলেছি, ডেফিনেটলি এগুলো জেনুইন কনসার্ন এবং এগুলো আমরা অ্যাড্রেস করব। আমরা উপলব্ধি করেছি যে, আরও দুই-একটা বোধ হয় সাইডলাইন ওয়ার্ক আমাদের করতে হবে। সাইডলাইন কো-অর্ডিনেশনের কাজ আছে, ইনক্লুডিং আমাদের বাজেট প্ল্যানিং—সেটাও অতি শিগগিরই আমরা সম্পন্ন করব।

ইসি মো. সানাউল্লাহ বলেন, এসব কাজ শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।’ ইউপি নির্বাচন কবে থেকে শুরু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে তো আমাকে স্লটটা পেতে হবে নির্বাচন করার জন্য। এবারে আমাদের স্পেশালিটি হচ্ছে, পুরো নভেম্বর এবং ডিসেম্বরজুড়ে হচ্ছে পরীক্ষা। পুরো…অলমোস্ট খুবই গ্যাপ কম পাওয়া গেছে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এরপর ফেব্রুয়ারির শুরুতে রোজা এবং রোজা শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষা শেষে ৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মধ্যেও কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের এবারে স্পেসগুলো খুব টাইট। তো এই টাইট স্পেসের মধ্যে কীভাবে আমরা সব অ্যাকোমোডেট করব, এটা নিয়েই আরও একটু সাইডলাইন ওয়ার্ক করা দরকার আছে।

ঘোষিত ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে ইসি সরে এসেছে—এমনটি নাকচ করেন সানাউল্লাহ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, মোটেও না। আমরা তো কোনো…আমরা কোনো শিডিউল…আমরা বলেছিলাম কি? আমার মনে হয় এখানে একটা জিনিস স্পষ্ট করা দরকার। যে কারণে দেখেন, আপনারা নিউজটাকে কীভাবে ট্রিট করেন, তার ওপরে কিন্তু অনেক ইমপ্লিকেশনস আছে।

মো. সানাউল্লাহ বলেন, আমরা তিনটা—আমি তিনটা শব্দ বলেছিলাম, ব্রিফিংয়ে বলেছিলাম—এটা একটা টেন্টেটিভ শিডিউল এবং বলেছিলাম, এটা প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে প্রস্তুতকৃত। আমরা আরও বলেছিলাম যে, ১৭ তারিখের মিটিংয়ের পরে আমরা এটাকে চূড়ান্ত করব।

সানাউল্লাহ বলেন, আপনারা যদি এটা খেয়াল করে থাকেন, আমরা সামান্যতম কোনোখান থেকে সরে আসি নাই। সেটাই বলছি। আজকে আর আমরা যে উপাত্ত পেয়েছি, এটার পরে চূড়ান্ত করব।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাই-ইলেকশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোও সেখানে ব্যবহার করা হবে। বাই-ইলেকশনে আমাদের ট্রুপস ডেপ্লয়মেন্ট হবে, যেমনটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছিল, অনেকটা ওরকমই। জাতীয় নির্বাচনে যে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলাম, এখানেও সেই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার হবে। পারতপক্ষে আরও বেশি ব্যবহার হবে, যাতে খুব সুন্দরভাবে নির্বাচনটা সম্পন্ন করা যায়। সুতরাং সেখানে সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী থাকবে।

অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘অন্যান্য নির্বাচনের ব্যাপারেও আমরা আইন অনুযায়ী যখন যেটা করার প্রয়োজন, তখন সেটা করব। আমাদের প্রাথমিক যে পরিকল্পনাটা ছিল, সে পরিকল্পনার ওপরে তাঁরা সবাই মতামত দিয়েছেন। আমরা এটা নিয়ে কমিশনেও বসব। আমাদের সচিব মহোদয় স্টাফ লেভেলে প্লাস সাচিবিক লেভেলে যে সমন্বয়গুলো করা প্রয়োজন, সেগুলো উনি সম্পন্ন করবেন।’

যে ২৬ মন্ত্রণালয়, সংস্থা বা বিভাগের প্রতিনিধিরা ইসির সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

এছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিমসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংককেও বৈঠকে থাকতে বলা হয়।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কুষ্টিয়ায় পৃথক বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

৬ জুনের আগে ইউপি নির্বাচন শেষ করতে হবে : ইসি সানাউল্লাহ

প্রকাশের সময় : ০৫:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগামী বছরের ৬ জুনের আগে স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করতে হবে। তবে নির্বাচন শুরুর সময় নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশন সভায় আলোচনা শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। তবে সভায় ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করতে পারেনি নির্বাচন কমিশনার।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পুলিশের আইজিপিসহ ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ব্যাপারে আজকের সভায় আমি যদি এক লাইনে কনক্লুশন বলি—সবাই সম্মত হয়েছেন যে আমাদের এই নির্বাচনটা পারতপক্ষে ৬ জুনের আগেই সম্পন্ন করতে হবে, এইচএসসি পরীক্ষার আগে। বন্যার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে যে প্রভাব পড়েছে, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ও রয়েছে। তাই পরীক্ষা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা অনুরোধ জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা বলেছি, ডেফিনেটলি এগুলো জেনুইন কনসার্ন এবং এগুলো আমরা অ্যাড্রেস করব। আমরা উপলব্ধি করেছি যে, আরও দুই-একটা বোধ হয় সাইডলাইন ওয়ার্ক আমাদের করতে হবে। সাইডলাইন কো-অর্ডিনেশনের কাজ আছে, ইনক্লুডিং আমাদের বাজেট প্ল্যানিং—সেটাও অতি শিগগিরই আমরা সম্পন্ন করব।

ইসি মো. সানাউল্লাহ বলেন, এসব কাজ শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।’ ইউপি নির্বাচন কবে থেকে শুরু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগে তো আমাকে স্লটটা পেতে হবে নির্বাচন করার জন্য। এবারে আমাদের স্পেশালিটি হচ্ছে, পুরো নভেম্বর এবং ডিসেম্বরজুড়ে হচ্ছে পরীক্ষা। পুরো…অলমোস্ট খুবই গ্যাপ কম পাওয়া গেছে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। এরপর ফেব্রুয়ারির শুরুতে রোজা এবং রোজা শেষ হওয়ার পরপরই এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এসএসসি পরীক্ষা শেষে ৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মধ্যেও কিছুটা সময় পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের এবারে স্পেসগুলো খুব টাইট। তো এই টাইট স্পেসের মধ্যে কীভাবে আমরা সব অ্যাকোমোডেট করব, এটা নিয়েই আরও একটু সাইডলাইন ওয়ার্ক করা দরকার আছে।

ঘোষিত ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে ইসি সরে এসেছে—এমনটি নাকচ করেন সানাউল্লাহ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, মোটেও না। আমরা তো কোনো…আমরা কোনো শিডিউল…আমরা বলেছিলাম কি? আমার মনে হয় এখানে একটা জিনিস স্পষ্ট করা দরকার। যে কারণে দেখেন, আপনারা নিউজটাকে কীভাবে ট্রিট করেন, তার ওপরে কিন্তু অনেক ইমপ্লিকেশনস আছে।

মো. সানাউল্লাহ বলেন, আমরা তিনটা—আমি তিনটা শব্দ বলেছিলাম, ব্রিফিংয়ে বলেছিলাম—এটা একটা টেন্টেটিভ শিডিউল এবং বলেছিলাম, এটা প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে প্রস্তুতকৃত। আমরা আরও বলেছিলাম যে, ১৭ তারিখের মিটিংয়ের পরে আমরা এটাকে চূড়ান্ত করব।

সানাউল্লাহ বলেন, আপনারা যদি এটা খেয়াল করে থাকেন, আমরা সামান্যতম কোনোখান থেকে সরে আসি নাই। সেটাই বলছি। আজকে আর আমরা যে উপাত্ত পেয়েছি, এটার পরে চূড়ান্ত করব।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাই-ইলেকশনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোও সেখানে ব্যবহার করা হবে। বাই-ইলেকশনে আমাদের ট্রুপস ডেপ্লয়মেন্ট হবে, যেমনটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছিল, অনেকটা ওরকমই। জাতীয় নির্বাচনে যে ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলাম, এখানেও সেই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার হবে। পারতপক্ষে আরও বেশি ব্যবহার হবে, যাতে খুব সুন্দরভাবে নির্বাচনটা সম্পন্ন করা যায়। সুতরাং সেখানে সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী থাকবে।

অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘অন্যান্য নির্বাচনের ব্যাপারেও আমরা আইন অনুযায়ী যখন যেটা করার প্রয়োজন, তখন সেটা করব। আমাদের প্রাথমিক যে পরিকল্পনাটা ছিল, সে পরিকল্পনার ওপরে তাঁরা সবাই মতামত দিয়েছেন। আমরা এটা নিয়ে কমিশনেও বসব। আমাদের সচিব মহোদয় স্টাফ লেভেলে প্লাস সাচিবিক লেভেলে যে সমন্বয়গুলো করা প্রয়োজন, সেগুলো উনি সম্পন্ন করবেন।’

যে ২৬ মন্ত্রণালয়, সংস্থা বা বিভাগের প্রতিনিধিরা ইসির সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

এছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিমসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংককেও বৈঠকে থাকতে বলা হয়।