Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, থাকবে সরকারি ছুটি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রতি বছরের ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে শেষে রাত সোয়া ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি।

এদিন সরকারি ছুটি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি আগে ছিল; এখন আবার তা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ৭ নভেম্বর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে উন্মোচিত করেছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সেনা অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত ঐক্যের বিপ্লব দেশ ও জাতিকে অনাকাঙ্ক্ষিত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল।

অভূতপূর্ব সেই বিপ্লব-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সাময়িক বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে সরকারি ছুটি ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার এ ছুটি বাতিল করে। আওয়ামী শাসনামলে দিবসটি স্বচ্ছন্দে উদযাপনও করতে পারেনি দলটি।

সম্প্রতি দেশের জ্বালানি সংকট ও যানজট পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা এবং ব্যবসায়িক প্রবণতার কারণে জ্বালানি বিতরণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরও বেশি যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি সরকারি সহায়তার মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দ্রুতই বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে কাজ শুরু করবে।

আবহাওয়া

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, থাকবে সরকারি ছুটি

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, থাকবে সরকারি ছুটি

প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

প্রতি বছরের ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে শেষে রাত সোয়া ৮টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. নাসিমুল গনি।

এদিন সরকারি ছুটি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি আগে ছিল; এখন আবার তা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ৭ নভেম্বর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে দিয়ে দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে উন্মোচিত করেছিল।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সেনা অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত ঐক্যের বিপ্লব দেশ ও জাতিকে অনাকাঙ্ক্ষিত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল।

অভূতপূর্ব সেই বিপ্লব-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সাময়িক বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

বিএনপি সরকারের আমলে এ দিনটিতে সরকারি ছুটি ছিল। আওয়ামী লীগ সরকার এ ছুটি বাতিল করে। আওয়ামী শাসনামলে দিবসটি স্বচ্ছন্দে উদযাপনও করতে পারেনি দলটি।

সম্প্রতি দেশের জ্বালানি সংকট ও যানজট পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে বাজারে অস্থিরতা এবং ব্যবসায়িক প্রবণতার কারণে জ্বালানি বিতরণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরও বেশি যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি সরকারি সহায়তার মাধ্যমে বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি দ্রুতই বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে কাজ শুরু করবে।