স্থানীয় নির্বাচনে প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রার্থী দেবে এনসিপি : সারজিস আলম

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য কমিটি হওয়া খুবই জরুরি। এ জন্য আমরা দেশের প্রত্যেকটি জেলায় সফর করছি। দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সাংগঠনিক কমিটি থাকবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এনসিপির লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পৌর শহরের ‘সোনারবাংলা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে’ এনসিপির জেলা কমিটির ব্যানারে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, এবার স্থানীয় নির্বাচনে দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এনসিপি থেকে প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই। এনসিপি থেকে একজন করে আমরা প্রাথমিকভাবে সমর্থন দেব। এই প্রসেসটার মধ্য দিয়ে বড় দল হিসেবে এনসিপির গড়ে উঠা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার যে ধাপ- সেই ধাপটা সম্পূর্ণ হবে।

বিএনপির সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, তারা যেভাবে সংসদকে সরকারদলীয় সংসদে পরিণত করার চেষ্টা করছে, এ অপচেষ্টা দেশের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য কখনো ভালো ফল বয়ে আনবে না। বরং বিরোধী দলকে গ্রহণ করতে শিখুন, তাদের কথা বলতে দিন। এসব বিষয়ে সংশোধন করে কাজ করুন। আপনারা যদি দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরা সহযোগিতা করবো। আর যদি আপনারা দেশ মানুষের আকাঙ্খার বিপরীতে যান, তাহলে আমরা জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়ে আপনাদের সাথে জনগণকে নিয়ে আমাদের যে রাজনৈতিক লড়াই, সেই লড়াই হবে, ইনশাআল্লাহ।

১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের ৬ মাস গিয়েছে। তারা তিনটি সেক্টরে অগ্রাধিকার সেট করেছিল, বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবে বলেছিল জ্বালানি ও আইনশৃঙ্খলা এ ধরণের সেক্টরগুলোতে। কিন্তু তারা সেখানে ফেল করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষও জানে, তারা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এবং ঠিকমতো চলতে পারছে না। মানুষ ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছে না, বিদ্যুৎ থাকছে না। কলকারখানা থেকে কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ধীরে ধীরে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে, কিন্তু তারা এটা বিশ্বাস ও স্বীকার করতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে লংমার্চ নিয়ে যাচ্ছি। বিরোধী দল ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আমরা তাদের চোখে চোখ রেখে, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই—তারা প্রতিটি জায়গায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের কাছে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত যারা নিজেদেরকে বলে, তারাও ঠিকমতো চলতে পারছে না। মানুষ ঠিকমতো গ্যাস পায় না, বিদ্যুৎ থাকে না, কলকারখানা থেকে কর্মী ছাটাই করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ধীরে ধীরে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণকে সাথে নিয়ে জন দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে লংমার্চ নিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিরোধী দল হয়ে শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেও আমরা তাদের চোখে চোখ রেখে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই- তারা প্রত্যেকটি জায়গায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ে মানুষের কাছে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পাঁচ তারকা হোটেলের পার্কিং থেকে ৩টি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ

স্থানীয় নির্বাচনে প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রার্থী দেবে এনসিপি : সারজিস আলম

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য কমিটি হওয়া খুবই জরুরি। এ জন্য আমরা দেশের প্রত্যেকটি জেলায় সফর করছি। দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সাংগঠনিক কমিটি থাকবে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এনসিপির লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। পৌর শহরের ‘সোনারবাংলা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে’ এনসিপির জেলা কমিটির ব্যানারে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, এবার স্থানীয় নির্বাচনে দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এনসিপি থেকে প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই। এনসিপি থেকে একজন করে আমরা প্রাথমিকভাবে সমর্থন দেব। এই প্রসেসটার মধ্য দিয়ে বড় দল হিসেবে এনসিপির গড়ে উঠা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার যে ধাপ- সেই ধাপটা সম্পূর্ণ হবে।

বিএনপির সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, তারা যেভাবে সংসদকে সরকারদলীয় সংসদে পরিণত করার চেষ্টা করছে, এ অপচেষ্টা দেশের গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য কখনো ভালো ফল বয়ে আনবে না। বরং বিরোধী দলকে গ্রহণ করতে শিখুন, তাদের কথা বলতে দিন। এসব বিষয়ে সংশোধন করে কাজ করুন। আপনারা যদি দেশের মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরা সহযোগিতা করবো। আর যদি আপনারা দেশ মানুষের আকাঙ্খার বিপরীতে যান, তাহলে আমরা জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়ে আপনাদের সাথে জনগণকে নিয়ে আমাদের যে রাজনৈতিক লড়াই, সেই লড়াই হবে, ইনশাআল্লাহ।

১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের ৬ মাস গিয়েছে। তারা তিনটি সেক্টরে অগ্রাধিকার সেট করেছিল, বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখবে বলেছিল জ্বালানি ও আইনশৃঙ্খলা এ ধরণের সেক্টরগুলোতে। কিন্তু তারা সেখানে ফেল করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষও জানে, তারা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এবং ঠিকমতো চলতে পারছে না। মানুষ ঠিকমতো গ্যাস পাচ্ছে না, বিদ্যুৎ থাকছে না। কলকারখানা থেকে কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ধীরে ধীরে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে, কিন্তু তারা এটা বিশ্বাস ও স্বীকার করতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরতে আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে লংমার্চ নিয়ে যাচ্ছি। বিরোধী দল ও শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে আমরা তাদের চোখে চোখ রেখে, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই—তারা প্রতিটি জায়গায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের কাছে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে।

এনসিপির এই নেতা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। মধ্যবিত্ত যারা নিজেদেরকে বলে, তারাও ঠিকমতো চলতে পারছে না। মানুষ ঠিকমতো গ্যাস পায় না, বিদ্যুৎ থাকে না, কলকারখানা থেকে কর্মী ছাটাই করা হচ্ছে। বিএনপি সরকার ধীরে ধীরে ব্যর্থতার দিকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণকে সাথে নিয়ে জন দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য আমরা বিভাগীয় শহরগুলোতে লংমার্চ নিয়ে যাচ্ছি। আমরা বিরোধী দল হয়ে শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেও আমরা তাদের চোখে চোখ রেখে, চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই- তারা প্রত্যেকটি জায়গায় ব্যর্থ হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ে মানুষের কাছে ধীরে ধীরে অজনপ্রিয় হয়ে পড়ছে।