নিজস্ব প্রতিবেদক :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০টি পদের মধ্যে ৪৯টিতে বিজয়ীদের নাম চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এই ৪৯ জন প্রার্থীর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে। বুধবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় তারা এখন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষে তার প্রার্থিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং এরপরই ওই শূন্য থাকা আসনটির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আপাতত ৫০টি আসনের মধ্যে এই ৪৯ জনের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মূল প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে যাচ্ছে কমিশন।
তিনি বলেন, …মিস নুসরাত তাবাসসুম উনি রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন এবং তার রায়ের কপি আমাদের কাছে দিয়ে গিয়েছেন। মাননীয় আদালত এই রিট পিটিশনের আদেশে আমাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উনার মনোনয়ন পত্রটি গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করতে বলেছেন। আমরা মাননীয় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সেই কাজটি এখন করছি।
নিষ্পত্তি বলতে কী হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা গ্রহণ করে স্ক্রুটিনি করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া। এখানে আদালত মাননীয় হাইকোর্ট ডিভিশন এখানে ৭২ ঘন্টার মধ্যে উনার আবেদনপত্র গ্রহণ করে নমিনেশন প্রেপার গ্রহণ করে যাচাই বাছাই করতে বলেছে স্ক্রুটনি করতে বলেছে। একর্ডিং টু ল মানে আইন অনুযায়ী অন্যান্য যা আছে আমরা এগুলো করব তার প্রার্থীটা থাকতেও পারে বাদও হয়ে যেতে পারে।
চূড়ান্ত তালিকায় থাকা ৪৯ জনের মধ্যে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন ৩৬ জন। এ ছাড়া জামায়াত-এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র থেকে একজন প্রার্থী বৈধ হিসেবে গেজেটভুক্ত হচ্ছেন।
বিএনপির ৩৬ বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।
জামায়াত জোটের ১২ বৈধ প্রার্থী হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি. মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি. মাহবুবা হাকিম। এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের বৈধ প্রার্থী হচ্ছেন সুলতানা জেসমিন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















