রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি :
রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মরণফাঁদ। প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, রাজবাড়ী শহর থেকে পাংশা উপজেলার শিয়ালডাঙ্গি পর্যন্ত ৩১ কিলোমিটার মহাসড়কে গত আট মাসে ৪০টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৬ জনের। আহত হয়েছেন ৫১ জন।
চালকদের অভিযোগ, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নছিমন, করিমন ও ভটভটিসহ বিভিন্ন ধরনের তিন চাকার যানবাহনের অবাধ চলাচল, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এছাড়া সড়কের নির্মাণ ত্রুটি ও সামান্য বৃষ্টিতেই পিচ্ছিল হয়ে যাওয়ায় বাড়ছে দুর্ঘটনা।
চন্দনীর স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ বলেন, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় প্রতিদিনই ঘটে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। কিছু দিন আগে একই দিনে ৩টি দুর্ঘটনা ঘটে। একটু বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। গাড়ি ব্রেক করলেই ছিলিপ দিয়ে মিনিমাম দশ হাত দূরে চলে যায়। এত অ্যাক্সিডেন্ট হয় কর্তৃপক্ষের টনক তবুও নড়ে না।
ট্রাক চালক হাফিজ ও বাস চালক রবিন বলেন, এই রাস্তা তৈরির সময় বিটুমিন বেশি দেওয়া হযেচির। বৃষ্টি হলে এই রাস্তা এত পরিমাণে পিছিল হয় ব্রেক ধরলেও কাজ হয় না। গাড়ি ছিলিপ দিয়ে ১০ হাতেরও বেশি চলে যাই। এছাড়া হাইওয়েতে ছোট গাড়ি অর্থাৎ তিন চাক্কার গাড়ি অনেক চলে। এটাও এক্সিডেন্টের মূল কারণ। আর বিশেষ করে মোড়ে গাড়ি ওভারটেক করার সময় দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।
মাদারীপুর রিজিয়ন হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোমতাজুল এহসান আহাম্মদ হুমায়ুন বলেন, আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি যে এর মধ্য নয়টি দুর্ঘটনা ছিল ওভারটেকিং এবং মুখোমুখি সংঘর্ষ। কিছু রয়েছে পিছন থেকে ধাক্কা এবং বিটুমিন বেশি থাকায় বৃষ্টিতে রাস্তা পিছিল থাকার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। আমরা চালকদের সঙ্গে কথা বলেছি তারা বলেছে বৃষ্টি হলে ব্রেক ধরে না। এই ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব।
রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি 























