সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য আপন নীড়ে ফিরতে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। এরই প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতে বাড়তে শুরু করেছে যানবাহনের চাপ। শুক্রবার (২২ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুটি দিয়ে ৩৪ হাজার ৯৬৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা।
শনিবার (২৩ মে) সকালে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, শুক্রবার (২২ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার ৯৬৬টি যানবাহন চলাচল করেছে। বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪০০ টাকা। এর মধ্যে সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজায় (উত্তরবঙ্গগামী লেন) ১৮ হাজার ৮৫৯টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ২১ হাজার ৪৫০ টাকা। অপরদিকে পশ্চিম টোলপ্লাজায় ১৬ হাজার ১০৭টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৯৫০ টাকা।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, শুক্রবার বিকেল থেকেই এই মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত সেতুতে নিয়মিত ১৪টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হয়েছে। তবে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের চাপ সামলাতে এবং দ্রুত টোল আদায়ের লক্ষ্যে শনিবার থেকে অতিরিক্ত আরও ৪টি বুথসহ মোট ১৮টি বুথ চালু করা হবে।
সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। সেতুর উভয় প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাইফুল ইসলাম সান্তু জানান, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং মহাসড়কে যানজট নিরসনে ৬ শতাধিক পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে নিয়োজিত রয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এবারের ঈদযাত্রাও সম্পূর্ণ স্বস্তিদায়ক ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হলো যমুনা সেতু। এসব জেলার যানবাহন রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যেতে হলে এই সেতু পার হয়েই চলাচল করতে হয়। বিকল্প কোনো সড়কপথ না থাকায় প্রতি বছর ঈদের আগে ও পরে এই সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 


















