Dhaka বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জামালপুর সদর উপজেলায় আড়াই বছর আগে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১১মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- জামালপুর সদরের রশিদুপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা এলাকার আজিজুল হকের ছেলে ফারুক হোসেন (২৮), আলী আকবরের ছেলে মনছুর আলী (২৫) ও শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন (১৬)। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

মামলার বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, ২০২৩ সালে জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা গ্রামে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে যান ওই গৃহবধূ। সেদিন আসামিরা তার স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। পরে ওই গৃহবধূ চার জনকে আসাসি করে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় চার জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই মামলায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার আরেক আসামি রশিদুপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে ১৭ বছর বয়সী জাহিদুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে বলে আইনজীবী ফজলুল হক জানান।

তিনি বলেন, “দীঘদিন পর বাদী পক্ষ ন্যায্য বিচার পেয়েছে। আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট।”

আবহাওয়া

রাজশাহীতে মদপানে কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জামালপুরে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৩:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জামালপুর জেলা প্রতিনিধি : 

জামালপুর সদর উপজেলায় আড়াই বছর আগে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১১মার্চ) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন- জামালপুর সদরের রশিদুপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা এলাকার আজিজুল হকের ছেলে ফারুক হোসেন (২৮), আলী আকবরের ছেলে মনছুর আলী (২৫) ও শফিকুল ইসলামের ছেলে ফেরদৌস হোসেন (১৬)। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম।

মামলার বরাতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, ২০২৩ সালে জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা গ্রামে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে যান ওই গৃহবধূ। সেদিন আসামিরা তার স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। পরে ওই গৃহবধূ চার জনকে আসাসি করে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় চার জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই মামলায় তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার আরেক আসামি রশিদুপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে ১৭ বছর বয়সী জাহিদুল ইসলামকে খালাস দেওয়া হয়েছে বলে আইনজীবী ফজলুল হক জানান।

তিনি বলেন, “দীঘদিন পর বাদী পক্ষ ন্যায্য বিচার পেয়েছে। আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট।”