ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের আলোচনা শুরু বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার(২০ মার্চ)।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এম. ফজলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে এদিন বিকেল ৩টায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনার সময়সূচি পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে।

এতে আরও জানানো হয়, সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশনের কাজ শুরু হয়।

প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লিখিত সুপারিশের ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে চাওয়া হয়। সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হলেও মাত্র ১৫টি রাজনৈতিক দলের থেকে কমিশন মতামত পেয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সৌদি আরবের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের আলোচনা শুরু বৃহস্পতিবার

প্রকাশের সময় : ০৯:৫১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার(২০ মার্চ)।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এম. ফজলুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে এদিন বিকেল ৩টায় লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে আলোচনার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনার সময়সূচি পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করা হবে।

এতে আরও জানানো হয়, সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশনের কাজ শুরু হয়।

প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লিখিত সুপারিশের ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে চাওয়া হয়। সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হলেও মাত্র ১৫টি রাজনৈতিক দলের থেকে কমিশন মতামত পেয়েছে।