ত্রুটিপূর্ণ এসি নিয়ে ১৮৮ জন যাত্রী নিয়ে চেন্নাই গেছে ইউএস বাংলার বোয়িংয়ের একটি ফ্লাইট। এসি ঠিকমতো কাজ না করায় গরমে যাত্রীদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়। এতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। এমনকি তারা ইউএস বাংলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করে। ফ্লাইটটি চেন্নাইয়ে পৌঁছায় স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টায়। সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করলেও সেটিতে যাত্রী তোলা হয় বিকাল ৪টার পর থেকে। উড়োজাহাজে ওঠার পর থেকেই কেবিন উত্তপ্ত ও গুমোট ছিল।
ওই ফ্লাইটের যাত্রী সামিয়া রেজা শতাব্দী ফেসবুক পোস্ট দিয়ে জানান, অ্যাজমায় আক্রান্ত বোনকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে তারা উড়োজাহাজে ওঠেন। তখন থেকেই উড়োজাহাজের ভেতরে শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। যাত্রী ওঠানোর পরে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে উড়োজাহাজটি মেরামতের কাজ করা হয়। অনেক জিজ্ঞাসার এক পর্যায়ে একজন কেবিন ক্রু তাকে জানান, ‘উড়োজাহাজের এসিতে সমস্যা হয়েছে। সেটি ঠিক করার চেষ্টা চলছে।’ কিন্তু তারপরও এসি ঠিক হয়নি। উড়োজাহাজের ভেতরে গুমোট অবস্থার মধ্যেই ফ্লাইটটি ঢাকা ছাড়ে। এই পরিস্থিতিতে উড়োজাহাজের যাত্রীদের অনেকেই হাতে থাকা কাগজ, টিকিট বা লিফলেট দিয়ে বাতাস করে সাময়িক স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করেন।
বিমানের ভেতরে ক্রুদের কাছ থেকে বারবার ‘কিছুক্ষণের মধ্যে এসি সচল হবে’ বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। এক পর্যায়ে তার বোনের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। তখন কেবিন ক্রুরা তাকে অক্সিজেন দেন। ফ্লাইটে থাকা আরও অনেক যাত্রী এসময় খুব শারীরিক অস্বস্তিতে পড়েন।
এই ব্যাপারে ইউএস বাংলার জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, এসি ঠিকমত কাজ না করার কারণে এমন হয়েছে। ভবিষ্যতে বিষয়টি আমরা বিচেনায় রাখবো।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























