আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তাঁর শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, বিচারক হিসেবে তাঁর এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিয়োগের মধ্যে দিয়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াল ৫ জন।

বিচারপতি হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিলেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে অন্য চার বিচারপতি হলেন- বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।

বিচারপতি হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল তিনি জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন হাবিবুল গনি। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনের পর তিনি এখন আপিল বিভাগে উন্নীত হলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিপুল জট নিরসনে আপিল বিভাগে বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নতুন বিচারপতির নিয়োগের ফলে বিচারাধীন থাকা গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর নিষ্পত্তি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পিংক বাসের জন্য নারী চালক খুঁজছে বিআরটিসি

আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তাঁর শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, বিচারক হিসেবে তাঁর এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিয়োগের মধ্যে দিয়ে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়াল ৫ জন।

বিচারপতি হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিলেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে অন্য চার বিচারপতি হলেন- বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি।

বিচারপতি হাবিবুল গনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

১৯৮৯ সালের ৩ এপ্রিল তিনি জেলা আদালতের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ১৯৯২ সালের ১১ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন হাবিবুল গনি। ২০১২ সালের ১৫ এপ্রিল স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনের পর তিনি এখন আপিল বিভাগে উন্নীত হলেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিপুল জট নিরসনে আপিল বিভাগে বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। নতুন বিচারপতির নিয়োগের ফলে বিচারাধীন থাকা গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর নিষ্পত্তি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।