স্ট্রাইকার আল আমিন ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮০ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

মালদ্বীপে গত জুনে অনুষ্ঠিত চার জাতির আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে স্বাগতিক দলের বিপক্ষে ম্যাচে মারামারির ঘটনায় বড় শাস্তি পেলেন আল-আমিন। বাংলাদেশের এই তরুণ স্ট্রাইকারকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

গত ৭ জুন মালের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ অলিম্পিক দল। কিন্তু দুই দলের লড়াইটি রূপ নিয়েছিল রণক্ষেত্রে। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে তৈরি হওয়া উত্তেজনা শেষমেশ গড়ায় মারামারিতে। বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড়কে দেখানো হয় লাল কার্ড। সেসময় আল-আমিন মাঠে থাকলেও গোলদাতা আরেক তরুণ স্ট্রাইকার মিরাজুল ইসলাম ছিলেন সাইড বেঞ্চে। ওই ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি মিরাজুলকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি।

দুই তরুণ ফুটবলারের শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব।

তিনি বলেন, ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর মালদ্বীপ বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ঘটনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি। এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র জাতীয় দলের অফিসিয়াল ম্যাচের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচেও কার্যকর হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল ম্যাচের যোগ করা সময়ে। মালদ্বীপের পক্ষে রেফারি একটি ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সাইড বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড পান মিরাজুল। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করলে লাল কার্ড দেখানো হয় আল-আমিনকে। তখন নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি তিনি। বেশ কয়েকবার রেফারিকে ধাক্কা দেন আল-আমিন।

ওই গোলমালের পর খেলা চালু হলেও কিছুক্ষণ পর আবার মারামারি বেঁধে যায় দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে। পরে কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার আশা ভেস্তে যায়। তিনটি ম্যাচেই ড্র করায় তাদের পয়েন্ট ছিল ৩। ফাইনালে আফগানিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান।

এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ২২ বছর বয়সী আল-আমিন দুটি ও ১৯ বছর বয়সী মিরাজুল ইসলাম তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। বাংলাদেশ যেহেতু বছরে সাধারণত সাত-আটটি ম্যাচ খেলে, তাই আল-আমিনকে লম্বা সময়ের জন্য দেখা যাবে না লাল-সবুজ জার্সিতে।

এর আগে এই ঘটনায় মিরাজুল ও বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার শাহীন হাসানকে জরিমানা করেছিল ফিফা। বাফুফেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তবে মালদ্বীপের কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা এবার ফিফার কাছ থেকে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পূজা চেরির বিয়ের গুঞ্জন, যা জানালেন অভিনেত্রী

স্ট্রাইকার আল আমিন ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ

প্রকাশের সময় : ০৭:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক : 

মালদ্বীপে গত জুনে অনুষ্ঠিত চার জাতির আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে স্বাগতিক দলের বিপক্ষে ম্যাচে মারামারির ঘটনায় বড় শাস্তি পেলেন আল-আমিন। বাংলাদেশের এই তরুণ স্ট্রাইকারকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

গত ৭ জুন মালের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামে ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ অলিম্পিক দল। কিন্তু দুই দলের লড়াইটি রূপ নিয়েছিল রণক্ষেত্রে। রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে তৈরি হওয়া উত্তেজনা শেষমেশ গড়ায় মারামারিতে। বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড়কে দেখানো হয় লাল কার্ড। সেসময় আল-আমিন মাঠে থাকলেও গোলদাতা আরেক তরুণ স্ট্রাইকার মিরাজুল ইসলাম ছিলেন সাইড বেঞ্চে। ওই ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি মিরাজুলকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি।

দুই তরুণ ফুটবলারের শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব।

তিনি বলেন, ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর মালদ্বীপ বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ঘটনায় সিদ্ধান্ত দিয়েছে ফিফা শৃঙ্খলা কমিটি। এই নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র জাতীয় দলের অফিসিয়াল ম্যাচের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচেও কার্যকর হবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটির সূত্রপাত হয়েছিল ম্যাচের যোগ করা সময়ে। মালদ্বীপের পক্ষে রেফারি একটি ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সাইড বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড পান মিরাজুল। এরপর মাঠের ভেতরে রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করলে লাল কার্ড দেখানো হয় আল-আমিনকে। তখন নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি তিনি। বেশ কয়েকবার রেফারিকে ধাক্কা দেন আল-আমিন।

ওই গোলমালের পর খেলা চালু হলেও কিছুক্ষণ পর আবার মারামারি বেঁধে যায় দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে। পরে কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় বাংলাদেশের ফাইনালে খেলার আশা ভেস্তে যায়। তিনটি ম্যাচেই ড্র করায় তাদের পয়েন্ট ছিল ৩। ফাইনালে আফগানিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান।

এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ২২ বছর বয়সী আল-আমিন দুটি ও ১৯ বছর বয়সী মিরাজুল ইসলাম তিনটি ম্যাচ খেলেছেন। বাংলাদেশ যেহেতু বছরে সাধারণত সাত-আটটি ম্যাচ খেলে, তাই আল-আমিনকে লম্বা সময়ের জন্য দেখা যাবে না লাল-সবুজ জার্সিতে।

এর আগে এই ঘটনায় মিরাজুল ও বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার শাহীন হাসানকে জরিমানা করেছিল ফিফা। বাফুফেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তবে মালদ্বীপের কোনো খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা এবার ফিফার কাছ থেকে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।