Dhaka শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি : 

নিয়োগের নামে ৬৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশল দপ্তরের সাবেক সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৈয়দ আবজুরুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রাজশাহী সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন দুদকের রাজশাহী সমন্বিত কার্যালয়ে সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটি দায়ের করেন। আসামি সৈয়দ আবজুরুল হক সিআরবি, চট্টগ্রামের অধীনে প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলীর (পূর্ব) দপ্তরে চাকরিরত অবস্থায় রেলওয়েতে খালাসি পদে আটজনকে নিয়োগ দেওয়ার নামে ঘুষ নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। এ নিয়ে দুদকে অভিযোগ করেছিলেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ ওয়েলফেয়ার কর্মকর্তা ওয়ালি খান। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

দুদকের মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে ৮৬৫টি খালাসি পদের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এর মধ্যে চাকরি দেওয়ার নামে সৈয়দ আবজুরুল হক নিজ আটজনের কাছ থেকে মোট ৬৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। ওই টাকা এসএ পরিবহন রাজশাহী শাখা থেকে পাঠান ওয়ালী খান।

সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র সূত্রে টাকা পাঠানো ও গ্রহণের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আরো দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জুলাই নোটারি করা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সৈয়দ আবজুরুল হক টাকা গ্রহণ ও ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, আসামি সৈয়দ আবজুরুল হক বর্তমানে চট্টগ্রামের উত্তর পাহাড়তলি এলাকায় বসবাস করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

৬৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি : 

নিয়োগের নামে ৬৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশল দপ্তরের সাবেক সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা সৈয়দ আবজুরুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রাজশাহী সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন দুদকের রাজশাহী সমন্বিত কার্যালয়ে সোমবার (৫ জানুয়ারি) মামলাটি দায়ের করেন। আসামি সৈয়দ আবজুরুল হক সিআরবি, চট্টগ্রামের অধীনে প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলীর (পূর্ব) দপ্তরে চাকরিরত অবস্থায় রেলওয়েতে খালাসি পদে আটজনকে নিয়োগ দেওয়ার নামে ঘুষ নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়। এ নিয়ে দুদকে অভিযোগ করেছিলেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ ওয়েলফেয়ার কর্মকর্তা ওয়ালি খান। তবে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

দুদকের মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ ও ২০১৫ সালে ৮৬৫টি খালাসি পদের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এর মধ্যে চাকরি দেওয়ার নামে সৈয়দ আবজুরুল হক নিজ আটজনের কাছ থেকে মোট ৬৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। ওই টাকা এসএ পরিবহন রাজশাহী শাখা থেকে পাঠান ওয়ালী খান।

সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত রেকর্ডপত্র সূত্রে টাকা পাঠানো ও গ্রহণের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আরো দেখা যায়, ২০১৯ সালের ৭ জুলাই নোটারি করা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সৈয়দ আবজুরুল হক টাকা গ্রহণ ও ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকারনামা প্রদান করেন।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, আসামি সৈয়দ আবজুরুল হক বর্তমানে চট্টগ্রামের উত্তর পাহাড়তলি এলাকায় বসবাস করেন।