নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। সকালে বাবা লোকমানের কাছে নেশাদ্রব্য কেনার জন্য টাকা চান তিনি। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন কামরুল। পরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাবা লোকমানের।

আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

১৫ বছরে ১,৩৩৪ রেল দুর্ঘটনা, সবচেয়ে বেশি পূর্বাঞ্চলে : সংসদে রেলমন্ত্রী

নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। সকালে বাবা লোকমানের কাছে নেশাদ্রব্য কেনার জন্য টাকা চান তিনি। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন কামরুল। পরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাবা লোকমানের।

আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।