চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ঢামেকের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিএমপিসহ দেশের সব মেট্রোপলিটন এলাকায় চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিগগির তাদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে চাই। ডিএমপি ও মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্য জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্যের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সেই সদস্যদেরও তালিকাভুক্ত করা হবে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের মতো হাইভ্যালু মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সর্বশেষ আঘাত করে। চাঁদাবাজিরও একটা উদ্দেশ্য ছিল। ২০ তারিখের মধ্যে চক্রের সাতজনের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রশংসা করি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতা তাকে ধরতে পেরেছে। কিন্তু পুলিশের আরও কাজ করা বাকি। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ যারা আছে সবগুলোকে নির্মূল করতে চাই।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে মধ্যরাতে উচ্চ স্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা। পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সেটা নিয়েছি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেবল এক দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না : ডিএনসিসি প্রশাসক

চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ঢামেকের ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিএমপিসহ দেশের সব মেট্রোপলিটন এলাকায় চাঁদাবাজ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিগগির তাদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে চাই। ডিএমপি ও মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চাঁদাবাজির সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্য জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, চাঁদাবাজদের তালিকা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে পুলিশের কোনও সদস্যের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সেই সদস্যদেরও তালিকাভুক্ত করা হবে। জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের মতো হাইভ্যালু মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সর্বশেষ আঘাত করে। চাঁদাবাজিরও একটা উদ্দেশ্য ছিল। ২০ তারিখের মধ্যে চক্রের সাতজনের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের প্রশংসা করি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতা তাকে ধরতে পেরেছে। কিন্তু পুলিশের আরও কাজ করা বাকি। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ যারা আছে সবগুলোকে নির্মূল করতে চাই।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে মধ্যরাতে উচ্চ স্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকাটা এরকম যে গান-বাজনা-সিনেমা বহু বছর ধরে তাদের মধ্যে নিষিদ্ধের মতো আরকি। ওখানকার পরিস্থিতি আলাদা। পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার সেটা নিয়েছি।