কাঠমান্ডুতে নামতে ব্যর্থ হয়ে দুই দফায় ঢাকায় নামল চায়না ইস্টার্নের ফ্লাইট

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অবতরণে ব্যর্থ হয়ে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের (এমইউ-৯৬১৭) একটি যাত্রীবাহী ফ্লাইট দুই দফায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে এসেছে।

চরম দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখে পড়ে কাঠমান্ডুতে অবতরণ করতে পারেনি উড়োজাহাজটি। গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন পাইলট।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) ১১৬ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে চীনের কুনমিং বিমানবন্দর থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইটটি। আকাশে থাকা অবস্থায় ফ্লাইটটি নেপাল সীমানায় পৌঁছালে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের চারপাশের আবহাওয়া চরম প্রতিকূল হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণ আকাশে চক্কর দেওয়ার পরও অবতরণের নিরাপদ পরিবেশ না থাকায় আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নির্দেশে ফ্লাইটটিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে পাঠানো হয়।

প্রথম দফায় বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ফ্লাইটটি ঢাকায় নিরাপদে অবতরণ করে। পরবর্তীতে কাঠমান্ডুর আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আভাস মিললে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও প্রস্তুতি শেষে উড়োজাহাজটি পুনরায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে।

তবে দ্বিতীয় দফায়ও কাঠমান্ডুর আকাশসীমায় পৌঁছানোর পর আবারও তীব্র বৈরী আবহাওয়ার মুখে পড়ে ফ্লাইটটি। সেখানে বহু চেষ্টা করেও নামতে না পেরে রাতে সেটিকে আবারও দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় ফেরত আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফ্লাইটটি পুনরায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে পড়ে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ১১৬ জন যাত্রী ও ক্রুদের রাতে থাকার জন্য রাজধানীর হোটেলে সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সহায়তায় যাত্রীদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং ছাড়পত্র সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়া সাপেক্ষে পরবর্তী সুবিধাজনক সময়ে ফ্লাইটটি পুনরায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রতি উপজেলায় একটি করে বয়স্ক পুনর্বাসন কমপ্লেক্স করার পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

কাঠমান্ডুতে নামতে ব্যর্থ হয়ে দুই দফায় ঢাকায় নামল চায়না ইস্টার্নের ফ্লাইট

প্রকাশের সময় : ০১:৫২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অবতরণে ব্যর্থ হয়ে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের (এমইউ-৯৬১৭) একটি যাত্রীবাহী ফ্লাইট দুই দফায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে এসেছে।

চরম দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মুখে পড়ে কাঠমান্ডুতে অবতরণ করতে পারেনি উড়োজাহাজটি। গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন পাইলট।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) ১১৬ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে চীনের কুনমিং বিমানবন্দর থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইটটি। আকাশে থাকা অবস্থায় ফ্লাইটটি নেপাল সীমানায় পৌঁছালে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের চারপাশের আবহাওয়া চরম প্রতিকূল হয়ে ওঠে। দীর্ঘক্ষণ আকাশে চক্কর দেওয়ার পরও অবতরণের নিরাপদ পরিবেশ না থাকায় আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নির্দেশে ফ্লাইটটিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে পাঠানো হয়।

প্রথম দফায় বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ফ্লাইটটি ঢাকায় নিরাপদে অবতরণ করে। পরবর্তীতে কাঠমান্ডুর আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার আভাস মিললে প্রয়োজনীয় জ্বালানি ও প্রস্তুতি শেষে উড়োজাহাজটি পুনরায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে।

তবে দ্বিতীয় দফায়ও কাঠমান্ডুর আকাশসীমায় পৌঁছানোর পর আবারও তীব্র বৈরী আবহাওয়ার মুখে পড়ে ফ্লাইটটি। সেখানে বহু চেষ্টা করেও নামতে না পেরে রাতে সেটিকে আবারও দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় ফেরত আনা হয়। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফ্লাইটটি পুনরায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে পড়ে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ১১৬ জন যাত্রী ও ক্রুদের রাতে থাকার জন্য রাজধানীর হোটেলে সাময়িক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সহায়তায় যাত্রীদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং ছাড়পত্র সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়া সাপেক্ষে পরবর্তী সুবিধাজনক সময়ে ফ্লাইটটি পুনরায় কাঠমান্ডুর উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।