Dhaka শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার চাটমোহরে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের দিঘুলিয়া গ্রামে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে তাদের হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- লাবনী খাতুন (৩৫) ও রিয়াদ হোসেন (৮)। তারা দিঘুলিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী ও সন্তান। রশিদ দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ফৈলজানা ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, সকালে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। জানামতে কারো সঙ্গে শত্রুতা ছিল না তাদের। কে বা কারা তাদের এভাবে হত্যা করা হয়েছে সেটা প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

স্থানীয় মেম্বার মো. নান্নু বলেন, ওই বাড়িতে এই নারী ও তার শিশু ছেলে ও শাশুড়ি বসবাস করতেন। বাড়ির ভবন তৈরির কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ হয়তো টাকা-পয়সা চুরি বা ডাকাতি করতে গিয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই নারীর মরদেহ রান্নাঘরে পড়ে ছিল এবং ছেলেটির মরদেহ পাশের একটি গাছে ঝুলছিল।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সেলিম রেজা বলেন, একজন নারী ও শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ : জাইমা রহমান

পাবনায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

পাবনা জেলা প্রতিনিধি : 

পাবনার চাটমোহরে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের দিঘুলিয়া গ্রামে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময়ে তাদের হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- লাবনী খাতুন (৩৫) ও রিয়াদ হোসেন (৮)। তারা দিঘুলিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী ও সন্তান। রশিদ দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ফৈলজানা ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, সকালে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। জানামতে কারো সঙ্গে শত্রুতা ছিল না তাদের। কে বা কারা তাদের এভাবে হত্যা করা হয়েছে সেটা প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

স্থানীয় মেম্বার মো. নান্নু বলেন, ওই বাড়িতে এই নারী ও তার শিশু ছেলে ও শাশুড়ি বসবাস করতেন। বাড়ির ভবন তৈরির কাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ হয়তো টাকা-পয়সা চুরি বা ডাকাতি করতে গিয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই নারীর মরদেহ রান্নাঘরে পড়ে ছিল এবং ছেলেটির মরদেহ পাশের একটি গাছে ঝুলছিল।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সেলিম রেজা বলেন, একজন নারী ও শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।