দুই সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি-বিদ্যুতের উন্নতি হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে বলতে চাই; পরিস্থিতিতে মানুষের কষ্টে সমব্যাথী আমরা। এই মাসের মধ্যে বিদ্ৎু ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি সেকেন্ড ইউনিট এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর হবে। এটি চালু হলে ক্রুড ওয়েল শোধন করা যাবে। ৪৫ লাখ টন রিফাইন করতে পারব। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সহায়ক হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, এই কষ্টের কারণে আমরা সমব্যথী। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে, ইনশা আল্লাহ আমরা এই মাসের আর কিছুদিন পরই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আমরা লক্ষ্য করবো বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, কারণ আপনারা জানেন, এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) যেটি আমাদের দুটো এফএসআরইউ, তার মধ্যে একটি যে গত ২১ জুলাই নষ্ট হয়ে গেল, সেটি ১৫ আগস্ট ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও সরবরাহ ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারিনি। কারণ আমাদের যে কার্গোগুলো আমদানি করতে হয়, সেগুলো রিসিডিউল করতে হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮৮ শতাংশ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারলেও বাকি ১২ শতাংশ আমরা এখনো করতে পারিনি। আশা করছি, ইনশা আল্লাহ আমরা দ্রুত এটা করে ফেলব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সে ক্ষেত্রে মনে করছি, যেটা জাতীয় সংসদে আমি বলেছি যে, আমরা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইনশা আল্লাহ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য উন্নতি আমরা লক্ষ্য করব।

বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে এবং রামপালের একটি ইউনিটে এখানে পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। কারণ তাদের যে কয়লা আসার কথা ছিল, সে লাইটারেজ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরে আছে কিন্তু লাইটারেজ করে আপনারা জানেন মোংলাতে আনতে হয়। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রটা এই মুহূর্তে কিছুটা অশান্ত, সে কারণে এটা লাইটারেজ করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা মনে করছি আবহাওয়া কিছুদিনের মধ্যে ভালো হবে। সে ক্ষেত্রে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় যদি আসে এবং আমরা যদি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যদি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হই, তাহলে ন্যাচারালি তার একটা সুবিধা বিদ্যুৎ বিভাগ অটোমেটিকলি পাবে। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও একটা উন্নতি দেখব এবং আমাদের যারা শিল্পপতি, শিল্পখাত যারা এই মুহূর্তে কিছুটা হলেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, এমনকি গৃহস্থালি গ্রাহকরাও যে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তাদের ভোগান্তিও ইনশা আল্লাহ কমবে বলে আমরা আশাবাদী।

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তাদেরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টির কারণে তাদের কয়লা ই হয়ে গেছে, তাদেরও একটা কম্প্রোমাইজ রয়েছে। তাদের সঙ্গেও আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে করে তারা পূর্ণ সক্ষমতা অর্থাৎ আমাদের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা, সে পরিমাণ বিদ্যুৎ আমরা পাই।

তিনি বলেন, দিনের বেলা তারা এখন পর্যন্ত ৯০০ মেগাওয়াট দেয়, সন্ধ্যার পর থেকে ১১০০ মেগাওয়াট দেয়। কিন্তু স্বাভাবিক সময়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১৫০০ থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমরা তাদের কাছে পেতাম। তো এই আলোচনাটা তাদের কাছে আলোচনা রয়েছে। সেখানেও আসলে তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ দেখিয়েই এবং সে সংক্রান্ত ছবি ও ডকুমেন্ট আমাদেরকে তারা সরবরাহ করেছে। আমাদের কাছে তাদের এই বক্তব্যগুলো যৌক্তিকই মনে হয়েছে। কিন্তু আমরা সারাক্ষণই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের ক্ষেত্রে ৮৮ শতাংশ আমরা সরবরাহ ব্যবস্থা রিকভার করতে সক্ষম হয়েছি, মাত্র ১২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। ১২ শতাংশ ঘাটতি আমরা মোকাবিলা করে ফেলব।

তিনি বলেন, এখানে আপনার ৬০০ ধরেন দুটো এফএসআরইউ নিয়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১০০০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট পার ডে আমরা সাপ্লাই করতে পারি। এখন এটা ধরেন ৭০০, ৭৫০, ৭৭০ পর্যন্ত আমরা সাপ্লাই করতে পারছি। তো ন্যাচারালি যখন দুটো এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় আমরা চালাতে পারবো ইনশা আল্লাহ, তখন আমরা ১০০০ থেকে ১১০০ পর্যন্ত আমরা এলএনজি সাপ্লাই করতে পারবো এই দুটো এফএসআরইউর মাধ্যমে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তার একটা ইতিবাচক প্রভাব বিদ্যুৎ খাতও পড়বে, তার একটা ইতিবাচক প্রভাব শিল্পখাতও ইনশা আল্লাহ পড়বে।

সরকার বাধ্য হয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বাধ্য হচ্ছি। উপায় নেই, কারণ আমাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি চুক্তি যাদের সঙ্গে ছিল, আপনারা জানেন তারা সবাই ফোর্স মেজার ডিক্লেয়ার করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হচ্ছে। স্পট মার্কেটে দাম বরাবরই বেশি হয়। কিন্তু মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে উচ্চমূল্য দিয়ে হলেও সরকার এলএনজি সংগ্রহ করছে, যাতে এই সংকট ও সমস্যা প্রলম্বিত না হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বেড়ে যাওয়ার পর তারপরও সরকারকে এই ঝুঁকি নিয়ে এটা করতে হচ্ছে। কারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছুকে বিবেচনায় নিয়ে সরকার যে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করে না কেন? এত কষ্ট হলেও পারতপক্ষে তো অন্তত আমরা করি না। আমরা এই সংকট মাত্র একবার করেছি, মানে আমি বলেছিলাম যে যতক্ষণ পারবো ততক্ষণ পর্যন্ত সমন্বয় করবো না। সো বাধ্য না হলে তো সরকার এটা করতে চায় না।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

লং মার্চে সরকার থেকে বাধা আসলে পরিণতি ভালো হবে না : আখতার হোসেন

দুই সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি-বিদ্যুতের উন্নতি হবে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে বলতে চাই; পরিস্থিতিতে মানুষের কষ্টে সমব্যাথী আমরা। এই মাসের মধ্যে বিদ্ৎু ও জ্বালানি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

তিনি বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি সেকেন্ড ইউনিট এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর হবে। এটি চালু হলে ক্রুড ওয়েল শোধন করা যাবে। ৪৫ লাখ টন রিফাইন করতে পারব। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সহায়ক হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির কারণে মানুষের যে কষ্ট হচ্ছে, এই কষ্টের কারণে আমরা সমব্যথী। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। কিন্তু আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে, ইনশা আল্লাহ আমরা এই মাসের আর কিছুদিন পরই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আমরা লক্ষ্য করবো বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, কারণ আপনারা জানেন, এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) যেটি আমাদের দুটো এফএসআরইউ, তার মধ্যে একটি যে গত ২১ জুলাই নষ্ট হয়ে গেল, সেটি ১৫ আগস্ট ঠিক হয়ে যাওয়ার পরও সরবরাহ ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে পারিনি। কারণ আমাদের যে কার্গোগুলো আমদানি করতে হয়, সেগুলো রিসিডিউল করতে হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮৮ শতাংশ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারলেও বাকি ১২ শতাংশ আমরা এখনো করতে পারিনি। আশা করছি, ইনশা আল্লাহ আমরা দ্রুত এটা করে ফেলব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সে ক্ষেত্রে মনে করছি, যেটা জাতীয় সংসদে আমি বলেছি যে, আমরা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইনশা আল্লাহ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির একটা উল্লেখযোগ্য উন্নতি আমরা লক্ষ্য করব।

বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ রয়েছে এবং রামপালের একটি ইউনিটে এখানে পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। কারণ তাদের যে কয়লা আসার কথা ছিল, সে লাইটারেজ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরে আছে কিন্তু লাইটারেজ করে আপনারা জানেন মোংলাতে আনতে হয়। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রটা এই মুহূর্তে কিছুটা অশান্ত, সে কারণে এটা লাইটারেজ করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আমরা মনে করছি আবহাওয়া কিছুদিনের মধ্যে ভালো হবে। সে ক্ষেত্রে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় যদি আসে এবং আমরা যদি জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা যদি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হই, তাহলে ন্যাচারালি তার একটা সুবিধা বিদ্যুৎ বিভাগ অটোমেটিকলি পাবে। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও একটা উন্নতি দেখব এবং আমাদের যারা শিল্পপতি, শিল্পখাত যারা এই মুহূর্তে কিছুটা হলেও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে, এমনকি গৃহস্থালি গ্রাহকরাও যে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তাদের ভোগান্তিও ইনশা আল্লাহ কমবে বলে আমরা আশাবাদী।

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তাদেরও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টির কারণে তাদের কয়লা ই হয়ে গেছে, তাদেরও একটা কম্প্রোমাইজ রয়েছে। তাদের সঙ্গেও আমরা নিয়মিত তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, যাতে করে তারা পূর্ণ সক্ষমতা অর্থাৎ আমাদের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা, সে পরিমাণ বিদ্যুৎ আমরা পাই।

তিনি বলেন, দিনের বেলা তারা এখন পর্যন্ত ৯০০ মেগাওয়াট দেয়, সন্ধ্যার পর থেকে ১১০০ মেগাওয়াট দেয়। কিন্তু স্বাভাবিক সময়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১৫০০ থেকে ১৬০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমরা তাদের কাছে পেতাম। তো এই আলোচনাটা তাদের কাছে আলোচনা রয়েছে। সেখানেও আসলে তারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ দেখিয়েই এবং সে সংক্রান্ত ছবি ও ডকুমেন্ট আমাদেরকে তারা সরবরাহ করেছে। আমাদের কাছে তাদের এই বক্তব্যগুলো যৌক্তিকই মনে হয়েছে। কিন্তু আমরা সারাক্ষণই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্যাসের ক্ষেত্রে ৮৮ শতাংশ আমরা সরবরাহ ব্যবস্থা রিকভার করতে সক্ষম হয়েছি, মাত্র ১২ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। ১২ শতাংশ ঘাটতি আমরা মোকাবিলা করে ফেলব।

তিনি বলেন, এখানে আপনার ৬০০ ধরেন দুটো এফএসআরইউ নিয়ে অন অ্যান অ্যাভারেজ ১০০০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট পার ডে আমরা সাপ্লাই করতে পারি। এখন এটা ধরেন ৭০০, ৭৫০, ৭৭০ পর্যন্ত আমরা সাপ্লাই করতে পারছি। তো ন্যাচারালি যখন দুটো এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় আমরা চালাতে পারবো ইনশা আল্লাহ, তখন আমরা ১০০০ থেকে ১১০০ পর্যন্ত আমরা এলএনজি সাপ্লাই করতে পারবো এই দুটো এফএসআরইউর মাধ্যমে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, তার একটা ইতিবাচক প্রভাব বিদ্যুৎ খাতও পড়বে, তার একটা ইতিবাচক প্রভাব শিল্পখাতও ইনশা আল্লাহ পড়বে।

সরকার বাধ্য হয়ে বেশি দামে এলএনজি কিনছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বাধ্য হচ্ছি। উপায় নেই, কারণ আমাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি চুক্তি যাদের সঙ্গে ছিল, আপনারা জানেন তারা সবাই ফোর্স মেজার ডিক্লেয়ার করেছে। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের স্পট মার্কেট থেকে কিনতে হচ্ছে। স্পট মার্কেটে দাম বরাবরই বেশি হয়। কিন্তু মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে উচ্চমূল্য দিয়ে হলেও সরকার এলএনজি সংগ্রহ করছে, যাতে এই সংকট ও সমস্যা প্রলম্বিত না হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বেড়ে যাওয়ার পর তারপরও সরকারকে এই ঝুঁকি নিয়ে এটা করতে হচ্ছে। কারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে, শিল্পকারখানা ভুগছে। সবকিছুকে বিবেচনায় নিয়ে সরকার যে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করে না কেন? এত কষ্ট হলেও পারতপক্ষে তো অন্তত আমরা করি না। আমরা এই সংকট মাত্র একবার করেছি, মানে আমি বলেছিলাম যে যতক্ষণ পারবো ততক্ষণ পর্যন্ত সমন্বয় করবো না। সো বাধ্য না হলে তো সরকার এটা করতে চায় না।