শাহজালালে বিমানের সিটের নিচে মিলল সাড়ে ৯ কেজি স্বর্ণ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি বিমানের সিটের নিচ থেকে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। উদ্ধার করা স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯.৩৩ কেজি। এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের বিষয় প্রক্রিয়াধীন। এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারে ওই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড-৫২৩ ফ্লাইটে সোনা চোরাচালান হয়েছে। ঢাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে উড়োজাহাজটিতে বিশেষ তল্লাশি চালানোর জন্য উপস্থিত হন।

এসময় উড়োজাহাজটি যাত্রীবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে উড়োজাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

এনবিআর জানায়, তল্লাশির একপর্যায়ে উড়োজাহাজের একটি আসনের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় কয়েকটি প্যাকেট পাওয়া যায়। সেগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করা হলে মোট ৮০টি সোনার বার পাওয়া যায়। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১১৬.৬৪ গ্রাম হিসেবে মোট সোনার ওজন দাঁড়ায় ৯ হাজার ৩৩১ গ্রাম।

কাস্টমস জানায়, সোনার বারগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উড়োজাহাজের আসনের নিচে কালো স্কচটেপে অত্যন্ত কৌশলে সোনার বারগুলো লুকিয়ে সরকারি নির্ধারিত শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এসব সোনা বিমানবন্দরের সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল।

এনবিআর আরও জানায়, উদ্ধার করা সোনার বারগুলো অধিক মূল্যবান হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা রাখা হয়েছে। প্রচলিত স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী মূল্যবান ধাতু হিসেবে সোনার বারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

লং মার্চে সরকার থেকে বাধা আসলে পরিণতি ভালো হবে না : আখতার হোসেন

শাহজালালে বিমানের সিটের নিচে মিলল সাড়ে ৯ কেজি স্বর্ণ

প্রকাশের সময় : ০২:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি বিমানের সিটের নিচ থেকে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। উদ্ধার করা স্বর্ণের ওজন প্রায় ৯.৩৩ কেজি। এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের বিষয় প্রক্রিয়াধীন। এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জানতে পারে ওই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা ফ্লাই দুবাইয়ের এফজেড-৫২৩ ফ্লাইটে সোনা চোরাচালান হয়েছে। ঢাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে উড়োজাহাজটিতে বিশেষ তল্লাশি চালানোর জন্য উপস্থিত হন।

এসময় উড়োজাহাজটি যাত্রীবিহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের উপস্থিতিতে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে উড়োজাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

এনবিআর জানায়, তল্লাশির একপর্যায়ে উড়োজাহাজের একটি আসনের নিচে কালো স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় কয়েকটি প্যাকেট পাওয়া যায়। সেগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করা হলে মোট ৮০টি সোনার বার পাওয়া যায়। প্রতিটি সোনার বারের ওজন ১১৬.৬৪ গ্রাম হিসেবে মোট সোনার ওজন দাঁড়ায় ৯ হাজার ৩৩১ গ্রাম।

কাস্টমস জানায়, সোনার বারগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উড়োজাহাজের আসনের নিচে কালো স্কচটেপে অত্যন্ত কৌশলে সোনার বারগুলো লুকিয়ে সরকারি নির্ধারিত শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এসব সোনা বিমানবন্দরের সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল।

এনবিআর আরও জানায়, উদ্ধার করা সোনার বারগুলো অধিক মূল্যবান হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের মূল্যবান গুদামে জমা রাখা হয়েছে। প্রচলিত স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী মূল্যবান ধাতু হিসেবে সোনার বারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।